কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণী- "তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্যে আপনি দ্রুত ওয়াহী আবূত্তি করবেন না"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬)। এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিবরীল (আঃ) যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে ওয়াহী অবতীর্ণ করতেন তিনি তা আয়ত্ত করার জন্য জিহ্বা ও ঠোট নাড়তেন। এটা তার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ত। তার অবস্থা থেকেই এটা বুঝা যেত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “এ ওয়াহী খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য নিজের জিহবা নাড়াবেন না। এটা মুখস্থ করিয়ে দেয়া এবং পড়িয়ে দেয়া আমারই দায়িত্ব"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬-১৭)। অর্থাৎ- এটা তোমার অন্তরে পুঞ্জিভূত করে দেয়া এবং তোমাকে পড়িয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব। "অতএব আমি যখন তা পাঠ করতে থাকি তখন তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকো”— (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৮)। অর্থাৎ- এ ওয়াহী আমি অবতীর্ণ করছি, তুমি তা মনোযোগ সহকারে শুন। এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দেয়া আমাদেরই দায়িত্ব। "তোমার মুখ দিয়ে তা বলানো আমার দায়িত্ব"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৯)। এরপর থেকে যখন জিবরীল (আঃ) তার কাছে ওয়াহী নিয়ে আসতেন, তিনি মনোযোগ সহকারে তা শুনতেন। তিনি চলে যাওয়ার পর মহান আল্লাহর ওয়াদা অনুযায়ী (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পাঠ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 1005 — Sahih Muslim 4:167
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ { لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ} قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُعَالِجُ مِنَ التَّنْزِيلِ شِدَّةً كَانَ يُحَرِّكُ شَفَتَيْهِ - فَقَالَ لِيَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَا أُحَرِّكُهُمَا كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُحَرِّكُهُمَا . فَقَالَ سَعِيدٌ أَنَا أُحَرِّكُهُمَا كَمَا كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يُحَرِّكُهُمَا . فَحَرَّكَ شَفَتَيْهِ - فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى { لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ * إِنَّ عَلَيْنَا جَمْعَهُ وَقُرْآنَهُ} قَالَ جَمْعَهُ فِي صَدْرِكَ ثُمَّ تَقْرَأُهُ { فَإِذَا قَرَأْنَاهُ فَاتَّبِعْ قُرْآنَهُ} قَالَ فَاسْتَمِعْ وَأَنْصِتْ ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا أَنْ تَقْرَأَهُ قَالَ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَاهُ جِبْرِيلُ اسْتَمَعَ فَإِذَا انْطَلَقَ جِبْرِيلُ قَرَأَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كَمَا أَقْرَأَهُ .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ "এ ওয়াহী তাড়াহুড়া করে মুখস্থ করার জন্য নিজের জিহবা নাড়াবেন না” – (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬)। এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াহী নাযিল হওয়াকালীন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তিনি তা আয়ত্ব করার জন্য নিজের ঠোঁটদ্বয় নাড়তেন। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে তার ঠোঁট নাড়তেন- আমি তোমাকে তেমন করে দেখাচ্ছি। অতঃপর তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তার ঠোট নাড়ালেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) যেভাবে ঠোট নেড়েছেন আমিও তেমন করে দেখাচ্ছি। অতঃপর তিনি সাঈদ (রহঃ) নিজের ঠোঁট নাড়লেন, মহান আল্লাহ নাযিল করলেনঃ “এ ওয়াহী তাড়াহুড়া করে মুখস্থ করার জন্য বারবার নিজের জিহবা নাড়িও না। এটা মুখস্থ করিয়ে দেয়া এবং পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার" - (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬-১৭)। অর্থাৎ- তোমার অন্তরে তা গেঁথে দেয়া এবং তোমার মুখে তা পাঠ করিয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব। অর্থাৎ- "অতএব আমি যখন তা পাঠ করতে থাকি তখন তুমি তার অনুসরণ করতে থাকো" – (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৮)। তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকো এবং চুপচাপ থাকো। এরপর তা তোমার মুখ দিয়ে পড়িয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব।” এরপর থেকে জিবরীল (আঃ) ওয়াহী নিয়ে আসলে তিনি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। জিবরীল (আঃ) চলে যাওয়ার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পাঠ হুবহু পড়তেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিনদের নিকট কুরআন তিলাওয়াত করেননি এবং তিনি তাদের দেখেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার একদল সাহাবাকে নিয়ে উকায বাজারের উদ্দেশে রওনা হলেন। এ সময় আকাশমণ্ডলী থেকে তথ্য সংগ্রহকারী শয়তানদের জন্য আকাশমণ্ডলীর সংবাদ শোনা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং তাদের উপর উল্কা (জ্বলন্ত আগুনের টুকরা) নিক্ষেপ করা হচ্ছিল। শয়তানেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে আসলে তারা জিজ্ঞেস করল, তোমাদের কি হয়েছে? তারা বলল, ঊর্ধ্বলোকের তথ্য ও আমাদের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আমাদের উপর উল্কা নিক্ষেপ করা হয়েছে। সম্প্রদায়ের লোকেরা বলল, এর কারণ হচ্ছে- নিশ্চয়ই নতুন কিছু ঘটছে। পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবী বিচরণ করে দেখো তোমাদের মাঝে ও আসমানের খবরাদির মাঝে কোন জিনিস প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা দলে দলে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবী ঘুরে এর কারণ উদঘাটন করার জন্য বেরিয়ে পড়ল। এদের মধ্যে একদল তিহামাহ প্রদেশের পথ ধরে উকায বাজারের উদ্দেশে বের হলো। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাখলাহ নামক স্থানে তার সাহাবাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। তারা যখন কুরআন পড়া শুনতে পেল, খুব মনোযোগ দিয়ে শুনল। অতঃপর তারা বলল, আমাদের এবং আসমানের খবরাদির মাঝখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার এটাই একমাত্র কারণ। তারা নিজেদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গিয়ে বলল, 'হে আমাদের জাতির লোকেরা! "আমরা এক অতীব আশ্চর্যজনক পাঠ (কুরআন) শুনেছি। তা কল্যাণের পথের দিকে হিদায়াত দান করে। এজন্য আমরা এর উপর ঈমান এনেছি। আমরা আর কখনো আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শারীক করব না”— (সূরাহ জিন ৭২ঃ ১-২)। এ ঘটনার পর আল্লাহ তা'আলা তার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করে বললেনঃ "বলো আমাকে ওয়াহীর মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে (কুরআন) শুনেছে....."— (সূরাহ জিন ৭২ঃ ১) নাযিল করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি "আলকামাকে প্রশ্ন করলাম, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে ইবনু মাসউদ (রাঃ) কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলেন? রাবী বলেন, "আলকামাহ (রহঃ) বললেন, আমি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে আপনাদের মধ্যে কেউ কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলেন? তিনি উত্তরে বললেনঃ না, তবে আমরা এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। আমরা তাকে হারিয়ে ফেললাম। আমরা পাহাড়ের উপত্যকায় এবং গিরিপথে তাকে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। আমরা মনে করলাম, হয় জিনেরা তাকে উড়িয়ে নিয়ে গেছে অথবা কেউ তাকে গোপনে মেরে ফেলেছে। রাবী ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, এ রাতটি আমাদের জন্য এতই দুর্ভাগ্যজনক ছিল যে, মনে হয় কোন জাতির উপর এমন রাত কখনো আসেনি। যখন ভোর হলো, আমরা তাকে হেরা পর্বতের দিক থেকে আসতে দেখলাম। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা আপনাকে হারিয়ে ফেললাম এবং অনেক খোজাখুজি করেও আপনার কোন সন্ধান পেলাম না। তাই সারারাত আমরা চরম দুশ্চিন্তায় কাটিয়েছি। মনে হয় এরূপ দুর্ভাগ্যজনক রাত কোন জাতির উপর আসেনি। তিনি বলেনঃ জিনদের পক্ষ থেকে এক আহবানকারী আমাকে নিতে আসে। আমি তার সাথে চলে গেলাম এবং তাদেরকে কুরআন পাঠ করে শুনালাম। রাবী ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, তিনি আমাদেরকে সাথে করে নিয়ে গিয়ে তাদের বিভিন্ন নিদর্শন এবং আগুনের চিহ্ন দেখালেন। তারা তার কাছে খাদ্যের জন্য প্রার্থনা করল। তিনি বললেন, যে জন্তু আল্লাহর নামে যাবাহ করা হয়েছে তার হাড় তোমাদের খাদ্য। তোমাদের হাতের স্পর্শে তা পুনরায় গোশতে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। উটের বিষ্ঠা তোমাদের পশুর খাদ্য। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমাদের) বললেনঃ এ দু’টাে জিনিস দিয়ে শৌচকার্য করো না। কেননা এ দু'টাে তোমাদের ভাইদের (জিনদের) খাদ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
শা'বী (রহঃ) বলেন, এরা তার কাছে খাদ্যের জন্য আবেদন করে। এরা জায়ীরাতুল আরবের জ্বিন ছিল। শা'বীর এ বর্ণনা পর্যন্ত হাদীস শেষ হয়েছে। আবদুল্লাহর হাদীস থেকে এ সূত্রে বর্ণনা কিছুটা ব্যাপক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 1009 — Sahih Muslim 4:171
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ دَاوُدَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى قَوْلِهِ وَآثَارَ نِيرَانِهِمْ . وَلَمْ يَذْكُرْ مَا بَعْدَهُ .
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এ সূত্রে "তাদের আগুনের চিহ্ন" বক্তব্য পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে এবং এর পরের অংশ উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 1010 — Sahih Muslim 4:172
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لَمْ أَكُنْ لَيْلَةَ الْجِنِّ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ مَعَهُ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম না। আফসোস! আমি যদি তার সাথে থাকতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ আল জারমী ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মা'ন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার কাছে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি মাসরূককে জিজ্ঞেস করলাম, জিনের রাত, কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জানিয়ে দিল যে, তারা এসে তার কুরআন পাঠ শুনছে? মাসরূক বলেছেন, আমাকে তোমার পিতা অর্থাৎ- ইবনু মাসউদ বলেছেন যে, গাছই তাদের সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জানিয়ে দিয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না আল আনায়ী (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সাথে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি যুহর ও আসরের প্রথম দুরাকাআতে সূরাহ আল ফাতিহাহ এবং এর সাথে আরো দুটি সূরাহ পাঠ করতেন। কখনো কখনো তিনি আমাদেরকে শুনিয়ে আয়াত পাঠ করতেন। তিনি যুহরের প্রথম রাকাআত দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাআত সংক্ষিপ্ত করতেন। ফজরের সালাতেও তিনি এরূপ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর ও আসরের দুরাকাআতে সূরাহ্ আল ফাতিহার সাথে একটি করে সূরাহ পাঠ করতেন। তিনি কখনো কখনো আমাদেরকে শুনিয়ে আয়াত পাঠ করতেন। আর শেষের দুরাকাআত তিনি কেবল সূরাহ ফাতিহাই পাঠ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)