কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু মালিক ইবনু বুহাইনাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায় করার সময় দু’হাত (পাজর থেকে) এমনভাবে ফাঁকা রাখতেন যে, তার বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 1106 — Sahih Muslim 4:268
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . وَفِي رِوَايَةِ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَجَدَ يُجَنِّحُ فِي سُجُودِهِ حَتَّى يُرَى وَضَحُ إِبْطَيْهِ . وَفِي رِوَايَةِ اللَّيْثِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَجَدَ فَرَّجَ يَدَيْهِ عَنْ إِبْطَيْهِ حَتَّى إِنِّي لأَرَى بَيَاضَ إِبْطَيْهِ .
আমর ইবনু সাওওয়াদ (রহঃ) ..... জাফার ইবনু রাবী'আহ (রহঃ) হতে এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে আমর ইবনু হারিস এর বর্ণনায় নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সিজদা করতেন, তখন উভয় বাহু প্রসারিত করে রাখতেন। এর ফলে তার বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। লায়স-এর বর্ণনায় নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সিজদা করতেন, উভয় বাহু পার্শ্বদেশ থেকে পৃথক রাখতেন। এমনকি আমি (আবদুল্লাহ ইবনু মালিক ইবনু বুহাইনাহ) তার বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... মাইমূনাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সিজদা করতেন, কোন মেষ শাবক ইচ্ছা করলে তার বাহুর ফাঁক দিয়ে চলে যেতে পারত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 1108 — Sahih Muslim 4:270
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ عَنْ مَيْمُونَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَجَدَ خَوَّى بِيَدَيْهِ - يَعْنِي جَنَّحَ - حَتَّى يُرَى وَضَحُ إِبْطَيْهِ مِنْ وَرَائِهِ وَإِذَا قَعَدَ اطْمَأَنَّ عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হান্যালী (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রী মাইমুনাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সিজদা করতেন, দু’বাহু এমনভাবে (পাঁজর থেকে) ফাঁকা রাখতেন যে, তার পিছন থেকে তার বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। তিনি যখন বসতেন, বাম উরুর উপর শান্তভাবে বসতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলে সালাত শুরু করতেন এবং সূরাহ আল ফা-তিহাহ দিয়ে কিরাআত পাঠ শুরু করতেন। তিনি যখন রুকু করতেন, ঘাড় থেকে মাথা নীচুও করতেন না, উপরেও উচু করে রাখতেন না বরং একই সমতলে রাখতেন। তিনি যখন রুকূ’ থেকে মাথা উঠাতেন, সোজা হয়ে না দাঁড়িয়ে সিজদা করতেন না। তিনি (প্রথম) সিজদা থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে না বসা পর্যন্ত (দ্বিতীয়) সাজদায় যেতেন না। তিনি প্রতি দুরাকাআত অন্তর "আত্তাহিয়াতু" পাঠ করতেন। তিনি বসার সময় বাম পা বিছিয়ে দিতেন এবং ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখতেন। তিনি শয়তানের বসা থেকে নিষেধ করতেন। তিনি পুরুষ লোকেদেরকে হিংস্র জন্তুর ন্যায় দু'হাত মাটিতে ছড়িয়ে দিতে নিষেধ করতেন। তিনি সালামের মাধ্যমে সালাতের সমাপ্তি ঘোষণা করতেন। ইবনু নুমায়র থেকে আবূ খালিদ-এর সূত্রে বর্ণিত আছেঃ তিনি শয়তানের মতো* বসতে নিষেধ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৯১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... মূসা ইবনু তালহা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি নিজের সামনে হাওদার (উটের পিঠে আসনের পিছভাগে দাঁড় করা) কাঠের ন্যায় কিছু রেখে দিয়ে নিশ্চিন্তে সালাত আদায় করতে পারে। এ সুতরার পিছন দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে সেদিকে তাকে ভ্রক্ষেপ করতে হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৯২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... মূসা ইবনু তালহাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সালাত আদায় করতাম আর এমন সময় আমাদের সামনে দিয়ে জীবজন্তু চলাফেরা করত। এ ব্যাপারটি আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সামনে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেনঃ তোমাদের কারো সামনে হাওদার পিছনের কাঠের ন্যায় কিছু দাঁড় করানো থাকলে, তার সামনে দিয়ে কোন কিছু যাতায়াত করলে তাতে কোন ক্ষতি নেই। ইবনু নুমায়র-এর বর্ণনায় আছেঃ তার সামনে দিয়ে যে লোকই অতিক্রম করুক তাতে কোন ক্ষতি হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৯৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)