ইবনু নুমায়র ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে গিয়েছে সালাতের ইকামাত হয়ে গেছে। এমন অবস্থা হলে সে খাবার দিয়েই শুরু করবে। (অর্থাৎ- প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে) আবার খাবার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সালাতের জন্য ব্যস্ত হবে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আতীক (আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) আমি এবং কাসিম (ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করলাম। তবে কাসিম বর্ণনায় অধিক ভুল-ত্রুটি করতেন। তিনি ছিলেন উম্মু ওয়ালাদ বা দাসীর পুত্র। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বললেনঃ কি ব্যাপার! আমার এ ভাতিজা আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর যেভাবে বর্ণনা করছে সেভাবে বর্ণনা করছ না কেন? তবে আমি জানি এরূপ কি করে হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদকে শিক্ষা দিয়েছে, তার মা (যিনি স্বাধীন) আর তোমাকে তোমার মা (যিনি ক্রীতদাসী ছিলেন) শিক্ষা দিয়েছে। এ কথা শুনে কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ রাগাম্বিত হয়ে উঠলেন এবং আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর প্রতি তীব্র ঘৃণা বিদ্বেষ প্রকাশ করলেন। এরপর আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর খাবার (দস্তরখানা) আসা (প্রস্তুতি) দেখে উঠে দাঁড়ালেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কোথায় যাচ্ছ? তিনি (কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ) বললেন, আমি সালাত আদায় করব। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ বসো, অকৃতজ্ঞ কোথাকার। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি খাবার হাজির হলে কোন সালাত আদায় চলবে না। কিংবা পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে সালাত আদায় চলবে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৬. ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কিত ঘটনাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের সময় বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছের কোন একটি খায় অর্থাৎ- রসুন বা অনুরূপ স্বাদ ও গন্ধের কোন কিছু খায়* সে যেন মসজিদে না আসে। যুহায়র তার বর্ণনাতে "কোন একটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ" করেছেন। তিনি খায়বার যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (শব্দগুলো তার) (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ এসব সবজি অর্থাৎ রসুন ইত্যাদি খেলে (মুখ থেকে) তার গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন আমার মসজিদের কাছে না আসে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৯, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল আযীয ইবনু সুহায়ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুন খাওয়া সম্পর্কে আনাস (ইবনু মালিক) (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে বা যারা এসব সবজি (দুর্গন্ধ জাতীয় গাছ) খায় সে বা তারা যেন আমাদের কাছে না আসে* এবং আমাদের সাথে সালাত আদায় না করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছ অর্থাৎ- উদ্ভিদ খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটেও না আসে এবং রসুনের গন্ধ দ্বারা আমাদেরকে কষ্ট না দেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- কোন কোন সময় আবার তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিয়াজ, রসুন বা মূলা খাবে সে যেন আমার মসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় মালাকগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৪, ইসলামীক সেন্টার)