Qurani·قرآني
বাংলা

কিতাবুল ইমারাত (শাসনব্যবস্থা)

267 হাদিস · #4701–4967

হাদিস 4731 — Sahih Muslim 33:30
وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، أَنَّإِنِّي مُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ لَوْلاَ أَنِّي فِي الْمَوْتِ لَمْ أُحَدِّثْكَ بِهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَا مِنْ أَمِيرٍ يَلِي أَمْرَ الْمُسْلِمِينَ ثُمَّ لاَ يَجْهَدُ لَهُمْ وَيَنْصَحُ إِلاَّ لَمْ يَدْخُلْ مَعَهُمُ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏
আবূ গাসসান মিসমা'ঈ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ...... আবূ মালীহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) মা'কিল ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) এর পীড়িত অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তখন মাকিল (রাযিঃ) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, আমি এমন একটি হাদীস তোমার কাছে বর্ণনা করবো, যদি আমি মৃত্যুর মুখোমুখি না হতাম তবে তোমার কাছে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, এমন আমীর যার উপর মুসলিমদের শাসন ক্ষমতা অর্পিত হয় অথচ এরপর সে তাদের কল্যাণ সাধনে চেষ্টা না করে বা তাদের মঙ্গল কামনা না করে; আল্লাহ তাকে তাদের সাথে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4732 — Sahih Muslim 33:31
وَحَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ الْعَمِّيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنِي سَوَادَةُ بْنُ أَبِي، الأَسْوَدِ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ مَعْقِلَ بْنَ يَسَارٍ، مَرِضَ فَأَتَاهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ زِيَادٍ يَعُودُهُ ‏.‏ نَحْوَ حَدِيثِ الْحَسَنِ عَنْ مَعْقِلٍ، ‏.‏
উকবাহ ইবনু মুকরাম আল-আম্মী ..... আবূল আসওয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, মা'কিল ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) পীড়িত হলেন। তখন উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) তাকে রোগগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে যান। অবশিষ্ট অংশ মা'কিল থেকে হাসান বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮০, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4733 — Sahih Muslim 33:32
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، أَنَّ عَائِذَ بْنَ عَمْرٍو، - وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - دَخَلَ عَلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ فَقَالَ أَىْ بُنَىَّ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ شَرَّ الرِّعَاءِ الْحُطَمَةُ فَإِيَّاكَ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ اجْلِسْ فَإِنَّمَا أَنْتَ مِنْ نُخَالَةِ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ وَهَلْ كَانَتْ لَهُمْ نُخَالَةٌ إِنَّمَا كَانَتِ النُّخَالَةُ بَعْدَهُمْ وَفِي غَيْرِهِمْ ‏.‏
শাইবান ইবনু ফাররূখ ..... হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনৈক সাহাবী আয়েয ইবনু আমর (রাযিঃ) একদা উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) এর নিকট গেলেন। তখন তিনি তাকে লক্ষ্য করে বললেন, বৎস! আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি "নিকৃষ্টতম রাখাল হচ্ছে অত্যাচারী শাসক।" তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে সাবধান থাকবে। তখন সে বললো, বসে পড়! তুমি হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের উচ্ছিষ্টের ন্যায়। জবাবে তিনি বললেন, তাদের মধ্যেও কি উচ্ছিষ্ট রয়েছে? উচ্ছিষ্ট তো তাদের পরবর্তীদের এবং অন্যান্যদের মধ্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4734 — Sahih Muslim 33:33
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، عَنْ أَبِي، زُرْعَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَذَكَرَ الْغُلُولَ فَعَظَّمَهُ وَعَظَّمَ أَمْرَهُ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ بَعِيرٌ لَهُ رُغَاءٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي ‏.‏ فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏.‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ فَرَسٌ لَهُ حَمْحَمَةٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي ‏.‏ فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏.‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ شَاةٌ لَهَا ثُغَاءٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي ‏.‏ فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏.‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ نَفْسٌ لَهَا صِيَاحٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي ‏.‏ فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏.‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ رِقَاعٌ تَخْفِقُ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي ‏.‏ فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏.‏ لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ صَامِتٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ ‏"‏ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালেন এবং গনীমাতের মাল আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি এর উপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করলেন। তারপর বললেন, আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামত দিবসে যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত উট তার ঘাড়ের উপর সওয়ার হয়ে আছে, আর সে আরয করছে, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন; তখন আমি বলবোঃ তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। আমি (এর পূর্বেও) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামতের দিন যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত ঘোড়া তার কাঁধের উপর সওয়ার হয়ে আছে আর সে আরয করছে, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। তখন আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার কিছু করার নেই, আমি তো (এর পূর্বে) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামত দিবসে এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, কোন আর্তনাদরত ব্যক্তিকে সে বয়ে নিয়ে আসছে আর আরয করছে, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র কিছু করার নেই। আর আমি (ইতোপূর্বেই তা) তোমার নিকট প্রচার করেছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় যেন উপস্থিত না পাই যে, তার ঘাড়ের উপর পতপত করে কাপড় উড়ছে আর সে ফরিয়াদ করছে, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আমি বলবো যে, তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই। আমি তো (ইতোপূর্বেই তা) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। আর এমন যেন না হয় যে, কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যকার কাউকে এ অবস্থায় পাই যে, তার ঘাড়ে স্বর্ণ, রৌপ্য বয়ে নিয়ে আসবে আর আরয করবে, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমাকে সাহায্য করার কোন সাধ্য আমার নেই, আমি তো (পূর্বেই সেন্ বিষয়ে) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮২, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4735 — Sahih Muslim 33:34
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، وَعُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِمِثْلِ حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ عَنْ أَبِي حَيَّانَ، ‏.‏
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে ইসমাঈল (রহঃ) এর সূত্রে আবূ হাইয়্যান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4736 — Sahih Muslim 33:35
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ صَخْرٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْغُلُولَ فَعَظَّمَهُ ‏.‏ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ قَالَ حَمَّادٌ ثُمَّ سَمِعْتُ يَحْيَى بَعْدَ ذَلِكَ يُحَدِّثُهُ فَحَدَّثَنَا بِنَحْوِ مَا حَدَّثَنَا عَنْهُ أَيُّوبُ ‏.‏
আহমাদ ইবনু সাঈদ ইবনু সখর দারিমী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমাতের মাল আত্মসাৎকরণ এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। এভাবে তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4737 — Sahih Muslim 33:36
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خِرَاشٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِنَحْوِ حَدِيثِهِمْ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু হাসান ইবনু খিরাশ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উল্লেখিত রাবীদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4738 — Sahih Muslim 33:37
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ اسْتَعْمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنَ الأَسْدِ يُقَالُ لَهُ ابْنُ اللُّتْبِيَّةِ - قَالَ عَمْرٌو وَابْنُ أَبِي عُمَرَ عَلَى الصَّدَقَةِ - فَلَمَّا قَدِمَ قَالَ هَذَا لَكُمْ وَهَذَا لِي أُهْدِيَ لِي قَالَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَقَالَ ‏"‏ مَا بَالُ عَامِلٍ أَبْعَثُهُ فَيَقُولُ هَذَا لَكُمْ وَهَذَا أُهْدِيَ لِي ‏.‏ أَفَلاَ قَعَدَ فِي بَيْتِ أَبِيهِ أَوْ فِي بَيْتِ أُمِّهِ حَتَّى يَنْظُرَ أَيُهْدَى إِلَيْهِ أَمْ لاَ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لاَ يَنَالُ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنْهَا شَيْئًا إِلاَّ جَاءَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَحْمِلُهُ عَلَى عُنُقِهِ بَعِيرٌ لَهُ رُغَاءٌ أَوْ بَقَرَةٌ لَهَا خُوَارٌ أَوْ شَاةٌ تَيْعِرُ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى رَأَيْنَا عُفْرَتَىْ إِبْطَيْهِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ ‏"‏ ‏.‏ مَرَّتَيْنِ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্‌ নাকিদ (রহঃ) ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) .... আবূ হুমায়দ সাইদী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসাদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে কর্মচারী নিযুক্ত করলেন- যাকে ইবনুল লুতবিয়্যাহ নামে অভিহিত করা হতো। রাবী আমর ও ইবনু আবূ উমার বলেন, যাকাত আদায়ের জন্য। যখন সে ফিরে এলো, তখন সে বললো, এটি আপনাদের (অর্থাৎ- বায়তুল মালের) এবং ওটি আমাকে উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপরে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করার পর বললেন, সে কর্মচারীর কী হলো, যাকে আমি (আদায়কারীরূপে) প্রেরণ করলাম, আর সে (যেমন দিয়ে আসে তেমন) বলে! ওটা আপনাদের আর এটি আমাকে উপটৌকন দেয়া হয়েছে? সে তার পিতার বা মাতার ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন যে তাকে উপটৌকন দেয়া হয় কি-না? মুহাম্মাদের প্রাণ যে পবিত্র সত্তার হাতে তার কসম! যে কেউ এরূপ সম্পদের কিছুমাত্র কুক্ষিগত করবে, কিয়ামতের দিন তাই সে তার ঘাড়ে বহন করে নিয়ে আসবে- তার ঘাড়ের উপর চিৎকাররত উট হবে অথবা হাম্বা-হাম্বারত গাভী হবে অথবা চিৎকাররত বকরী হবে। তারপর তিনি দু’হাত উপরের দিকে উঠিয়ে ধরলেন, এমনকি তার বগলের শুভ্রতা আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! আমি কি তোমার নির্দেশ পৌছিয়ে দিয়েছি!" এ কথা তিনি দু’বার বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4739 — Sahih Muslim 33:38
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ اسْتَعْمَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ابْنَ اللُّتْبِيَّةِ - رَجُلاً مِنَ الأَزْدِ - عَلَى الصَّدَقَةِ فَجَاءَ بِالْمَالِ فَدَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ هَذَا مَالُكُمْ وَهَذِهِ هَدِيَّةٌ أُهْدِيَتْ لِي ‏.‏ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَفَلاَ قَعَدْتَ فِي بَيْتِ أَبِيكَ وَأُمِّكَ فَتَنْظُرَ أَيُهْدَى إِلَيْكَ أَمْ لاَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَطِيبًا ‏.‏ ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ سُفْيَانَ ‏.‏
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুমায়দ সাইদী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযদ গোত্রের ইবনুল লুতবিয়্যাহ নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত উসূলের উদ্দেশে কর্মচারী নিয়োগ করেন। সে যখন (যাকাতের উসুলকৃত) মালামাল নিয়ে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অর্পণ করলে, তখন সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের, আর ওটা আমাকে উপটৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থেকে দেখলে না কেন, তোমার জন্য উপঢৌকনাদি প্রেরিত হয় কি-না? তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ দিতে দাঁড়ালেন। এরপর রাবী সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4740 — Sahih Muslim 33:39
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ اسْتَعْمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنَ الأَزْدِ عَلَى صَدَقَاتِ بَنِي سُلَيْمٍ يُدْعَى ابْنَ الأُتْبِيَّةِ فَلَمَّا جَاءَ حَاسَبَهُ قَالَ هَذَا مَالُكُمْ وَهَذَا هَدِيَّةٌ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَهَلاَّ جَلَسْتَ فِي بَيْتِ أَبِيكَ وَأُمِّكَ حَتَّى تَأْتِيَكَ هَدِيَّتُكَ إِنْ كُنْتَ صَادِقًا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ خَطَبَنَا فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَمَّا بَعْدُ فَإِنِّي أَسْتَعْمِلُ الرَّجُلَ مِنْكُمْ عَلَى الْعَمَلِ مِمَّا وَلاَّنِي اللَّهُ فَيَأْتِي فَيَقُولُ هَذَا مَالُكُمْ وَهَذَا هَدِيَّةٌ أُهْدِيَتْ لِي ‏.‏ أَفَلاَ جَلَسَ فِي بَيْتِ أَبِيهِ وَأُمِّهِ حَتَّى تَأْتِيَهُ هَدِيَّتُهُ إِنْ كَانَ صَادِقًا وَاللَّهِ لاَ يَأْخُذُ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنْهَا شَيْئًا بِغَيْرِ حَقِّهِ إِلاَّ لَقِيَ اللَّهَ تَعَالَى يَحْمِلُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَلأَعْرِفَنَّ أَحَدًا مِنْكُمْ لَقِيَ اللَّهَ يَحْمِلُ بَعِيرًا لَهُ رُغَاءٌ أَوْ بَقَرَةً لَهَا خُوَارٌ أَوْ شَاةً تَيْعِرُ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى رُئِيَ بَيَاضُ إِبْطَيْهِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ ‏"‏ ‏.‏ بَصُرَ عَيْنِي وَسَمِعَ أُذُنِي ‏.‏
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবূ হুমায়দ আস-সাইদী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে বানু সুলায়ম গোত্রের যাকাত উসূল করার জন্য কর্মচারী নিযুক্ত করেন। লোকটিকে ইবনু উতবিয়্যাহ্ বলে ডাকা হতো। যখন সে (কাজ সম্পাদন করে) আসলো, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিসাব-নিকাশ চাইলেন। সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের মাল আর ওটা (আমাকে প্রদত্ত) উপটৌকন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থাকলে না কেন? তোমার উপটৌকন পৌছাতো, যদি তুমি সত্যবাদী হও। তারপর তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুৎবাহ দিলেন। তাতে আল্লাহর প্রশংসা করে বললেন, “আমি তোমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তিকে কোন কাজে নিযুক্ত করি যার দায়িত্ব আল্লাহ আমার উপর বর্তিয়েছেন। তারপর সে (কর্ম সম্পাদন করে) এসে বলে, এটা আপনাদের মাল আর এটা আমাকে উপটৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। সে কেন তার পিতা-মাতার ঘরে বসে রইলো না তার উপঢৌকন সেখানে তার কাছে এসে পৌছতো, যদি সে সত্যবাদী হয়ে থাকে? আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যকার যে কেউ তার প্রাপ্য ব্যতিরেকে সেসব সম্পদের অংশবিশেষও কুক্ষিগত করবে, কিয়ামতের দিন সে তা বহন করে আল্লাহ তা'আলার সমীপে উপস্থিত হবে। তোমাদের মধ্যকার যে কেউ চিৎকাররত উট, গাভী বা বকরী বহন করতঃ আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে, আমি তাকে পুরোপুরি চিনতে পারবো। তারপর তিনি দু'হাত এমনভাবে উর্ধ্বে তুললেন যে তার বগলদ্বয়ের শুভ্রতা দেখা গেল। তিনি বলছিলেন, হে আল্লাহ! আমি কি (তোমার নির্দেশ) পৌছে দিয়েছি? (রাবী বলেন, সে দৃশ্যটি) আমার চোখ দেখেছে এবং সে বক্তব্য আমার কান শুনেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।