وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আগমন করলেন। এরপর তিনি তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6866 — Sahih Muslim 48:60
حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي، عُثْمَانَ عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ . فَذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ عَاصِمٍ .
খালাফ ইবনু হিশাম ও আবু রাবী’ (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তারপর তিনি আসিম এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২০, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কোন এক যুদ্ধাভিযানে ছিলাম। তারপর তিনি সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি তার বর্ণনায় বলেছেন, “ঐ সত্তার শপথ, তোমরা যাকে ডাকছো তিনি তোমাদের উটের গর্দানের চেয়েও অতি নিকটবর্তী।” তবে তার হাদীসে "লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ" কথাটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২১, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু মূসা আল আশ’আর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ আমি কি তোমাকে এমন একটি কালিমাহ সম্পর্কে জানিয়ে দিব না যা জান্নাতের গুপ্তধন? কিংবা তিনি বলেছেন, জান্নাতের গুপ্ত ধনসমূহের মধ্য হতে একটি গুপ্তধনের কথা কি বলব না? তখন আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর তিনি বললেন, "লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ" অর্থাৎ (আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো ভাল কর্ম করার এবং খারাপ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২২, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... আবু বাকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বললেন, আপনি আমাকে এমন একটি দু’আ শিখিয়ে দিন, যা দ্বারা আমি আমার সালাতে দু’আ করব। তিনি বললেন, তুমি বলো, "আল্ল-হুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাবীরা" অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর বড় যুলুম করেছি। কুতাইবাহ (রহঃ) বলেন, "কাসীরা, ওয়ালা- ইয়াগফিরুয়ু যুনুবা ইল্লা-আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আনতাল গফুরুর রহীম" অর্থাৎ- অনেক। আপনি ছাড়া কেউ পাপরাশি মার্জনা করতে পারে না। সুতরাং আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে মাফ করুন এবং আমার উপর দয়া করুন। অবশ্যই আপনি একমাত্র ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবু তাহির (রহঃ) ..... আবুল খায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বললেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি আমাকে এমন একটি দু’আ শিখিয়ে দিন যার সাহায্যে আমি আমার সালাতে ও গৃহে নিয়মিত দুআ পড়তে পারি। তারপর তিনি লায়স এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া হাদীসে রয়েছে যে, তিনি ظُلْمًا كَثِيرًا বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’আসমূহ পাঠের মাধ্যমে দুআ করতেন, "আল্ল-হুম্মা ফাইন্নী আউযুবিকা মিন্ ফিতনাতিন না-রি ওয়া ‘আযা-বিন্ না-রি ওয়া ফিতনাতিল কবরি ওয়া ‘আযা-বিল্ কবরি ওয়ামিন শাররি ফিতনাতিল গিনা ওয়ামিন শার্রি ফিতনাতিল ফাক্রি ওয়া আউযুবিকা মিন্ শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল, আল্ল-হুম্মাগসিল খতা-ইয়া-ইয়া বিমা-য়িস্ সালজি ওয়াল বারাদ, ওয়ানক্কি কলবী মিনাল খতা-ইয়া- কামানাক্কাইতাস্ সাওবাল আবইয়াযা মিনাদ দানাস ওয়া বা-ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খতা- ইয়া-ইয়া কামা-বা-’আদতা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিব, আল্ল-হুম্মা ফা-ইন্নী আউযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগ্রাম।" অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জাহান্নামের ফিতনাহ থেকে আশ্রয় চাই, জাহান্নামের শাস্তি হতে আশ্রয় চাই, কবরের ফিতনাহ, কবর শাস্তি ও ধন-সম্পদের ফিতনাহ এবং অসচ্ছলতার ফিতনার খারাবী হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আপনার নিকট মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার বিভ্রান্তির অপকারিতা থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ আমার গুনাহসমূহ বরফ ও কুয়াশার স্নিগ্ধ-শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিন। আমার অন্তর পবিত্র করে দিন যেভাবে আপনি সাদা কাপড় ময়লা হতে পরিষ্কার করে দেন। আমি ও আমার গুনাহসমূহের মাঝে দূরত্ব করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ধার-কৰ্জ হতে আশ্রয় চাই।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবূ কামিল ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তার অবিকল হাদীস বর্ণিত। তবে ইয়াযীদ বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী ‘জীবন ও মরণের ফিতনার খারাবী হতে কথাটি উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২৭, ইসলামিক সেন্টার, নেই)