حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ أَخْبَرَنَا ابْنُ مُبَارَكٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ تَعَوَّذَ مِنْ أَشْيَاءَ ذَكَرَهَا وَالْبُخْلِ .
আবু কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি আশ্রয় চেয়েছেন বর্ণিত বিষয়সমূহ থেকে এবং বখিলত হতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২৮, ইসলামিক সেন্টার)
‘আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্রয় প্রার্থনা করতেন অদৃষ্ট্রের অনিষ্ট থেকে, দুঃখ পাওয়া থেকে, শত্রুদের আনন্দ থেকে এবং বালা-মুসীবাতের কষ্ট থেকে। আমর তার হাদীসে বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি সন্দেহ করছি, এর মধ্যে একটি বাড়িয়ে বলেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩০, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ্ (রহঃ) ..... খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাটিতে নেমে এ দু’আ পড়ে, "আউযু বিকালিমাতিল্ লা-হিত তা-মা-তি মিন্ শাররি মা- খলাক"। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।" সে ঐ ঘাটি হতে অন্য ঘাটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াকুব (রহঃ) বলেন, কা'কা ইবনু হাকীম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! গত রাতে একটি বিছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু’আটি পড়তে "আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খলাক" অৰ্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ দ্বারা আল্লাহর নিকট তার সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াকুব (রহঃ) বলেন, কা'কা ইবনু হাকীম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! গত রাতে একটি বিছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু’আটি পড়তে "আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খলাক" অৰ্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ দ্বারা আল্লাহর নিকট তার সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) ঈসা ইবনু হাম্মাদ আল মিসরী (রহ) ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহব এর হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সালাতের ওযুর মতো তুমি ওযু করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নবীকে পাঠিয়েছ তার প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। বারা (রাযিঃ) বলেন, আমি এ দু’আ গুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (তোমার নবীর স্থানে তোমার রসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি মানসূর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসায়ন এর হাদীসে যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে আদেশ করলেন রাত্রে সে শয্যা গ্রহণ করবে তখন সে বলবে- "আল্ল-হুম্মা আসলামতু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজজাহ্তু ওয়াজহি ইলাইকা ওয়া আল জা'তু যাহরী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্তু আমরী ইলাইকা রাগবাতান ওয়া রাহবাতান ইলাইকা লা- মালজাআ ওয়ালা- মান্জা- মিনকা ইল্লা-ইলাইকা আ-মানতু বিকিতা-বিকাল্লাযী আন্যালতা ওয়াবি রসূলিকাল্লাযী আরসালতা, ফা-ইন মা-তা মা-তা ‘আলাল ফিতরাহ"। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ। আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম। আমার পিঠকে আপনার নিকট দিলাম পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায় তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশশার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে مِنَ اللَّيْلِ রাত্রিকালে কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩৬ ইসলামিক সেন্টার)