সুওয়ায়দ (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার জন্য ভােরে মশকে আঙুর ভেজানাে হতো, তিনি তা রাত্রে পান করতেন, যদি রাতে ভেজানাে হতো, তিনি তা ভােরে পান করতেন। আর মশক ধুয়ে ফেলতেন এবং তা তীব্র করার জন্য তাতে তলানী বা অন্য কোন বস্তু মিশাতেন না। নাফে (রহঃ) বলেন, আমরা তা মধুর মত পান করেছি।
সুওয়ায়দ (রহঃ) ... বাসসাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ জাফর (রহঃ)-কে নবীয সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আলী ইবন হুসায়ন (রাঃ)-এর জন্য রাত্রে নবীয ভেজানাে হতো, তিনি তা ভোরে পান করতেন। আর ভোরে ভেজানাে হতো, তিনি তা সন্ধ্যায় পান করতেন।
সুওয়ায়দ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি, সুফইয়ানকে নবীয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ তা সন্ধ্যায় ভিজিয়ে রেখে ভোরে পান করবে।
সুওয়ায়দ (রহঃ) ... আবু উসমান (রহঃ), ইনি আবু উসমান নাহদী নন, বলেন, উম্মুল ফযল আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে, মাটির কলসের নবীয পান করা কেমন? তিনি তার পুত্র নাযর সম্পর্কে বর্ণনা করলেন যে, সে মাটির পাত্রে নবীয বানাত। ভোরে নবীয ভেজাত আর তা সন্ধ্যায় পান করত (অর্থাৎ তা হালাল, অন্যথায় তার ঘরে এটা করা হতো না)।
সুওয়ায়দ (রহঃ) ... সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খামর (মদ)-কে খামর এজন্য বলা হয় যে, একে রেখে দেয়া হয়, ফলে এর স্বচ্ছতা দূর হয়ে যায় এবং এর ময়লা অবশিষ্ট থাকে। আর তিনি এরূপ নবীযকে মাকরূহ মনে করতেন যাতে তলানী মেশানাে হয়।
আবূ বকর ইবন আলী (রহঃ) ... ফুযায়ল ইবন আমর ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, লোকে মনে করতো, যে ব্যক্তি কোন প্রকার পানীয় পান করার ফলে নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে, সে যেন আবার তা পান না করে।
সুওয়ায়দ (রহঃ) ... আবূ মিসকীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ আমরা মদ অথবা দ্রাক্ষারসের তলানী পরিষ্কার করি, তারপর তিন দিন পর্যন্ত তাতে মনাক্কা ভিজিয়ে রাখি। তিন দিন পর তা পরিষ্কার করে রেখে দেই, যেন তা তীব্র হয়ে যায়। ইব্রাহীম (রহঃ) বলেনঃ এটা মাকরূহ।