আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মদ ইবন সাল্লাম (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মক্কা হতে বহিষ্কার করা হলো, তখন আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ তারা তাদের নবীকে বের করে দিল ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিউন' তারা নিশ্চয় ধ্বংস হবে, তখন নাযিল হলোঃ (أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَاتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا وَإِنَّ اللَّهَ عَلَى نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ) "যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হল তাদের-যারা আক্রান্ত হয়েছে, কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে, আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের সাহায্য করতে সম্যক সক্ষম। (সূরা হাজ্জঃ ৩৯)। তখন আমি বুঝলাম, শীঘ্রই জিহাদ আরম্ভ হবে। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, জিহাদের ব্যাপারে এটিই প্রথম আয়াত।
মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন হাসান ইবন শাকীক (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, আব্দুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) তার কয়েকজন বন্ধুসহ মক্কায় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা মুশরিক অবস্থায় সম্মানিত ছিলাম এখন যখন আমরা ঈমান এনেছি অসম্মানিত হয়ে পড়লাম। তিনি বললেন আমাকে ক্ষমা করার আদেশ করা হয়েছে, অতএব তোমরা যুদ্ধ করবে না। এরপর যখন আল্লাহ তায়ালা আমাদের মদীনায় নিয়ে গেলেন, তখন আমাদেরকে জিহাদের নির্দেশ দিলেন। কিন্তু তারা জিহাদ থেকে বিরত থাকলেন। তখন আল্লাহ তায়ালা আয়াত নাযিল করলেনঃ (أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ قِيلَ لَهُمْ كُفُّوا أَيْدِيَكُمْ وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ) আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ করেন নি, যাদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা তোমাদের হস্ত সংবরণ কর, এবং সালাত কায়েম কর। (সূরা নিসাঃ ৭৭)।
মুহাম্মদ ইবন আব্দুল আ'লা, আহমদ ইবন আমর ইবন সারাহ ও হারিস ইবন মিসকীন (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ শব্দ কম কিন্তু অধিক অর্থবােধক বাক্যাবলীসহ আমি প্রেরিত হয়েছি। আর আমাকে ঐশী প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আর এক সময় আমি ঘুমন্ত ছিলাম, তখন পার্থিব ধনাগারের চাবি আমাকে প্রদান করা হলো। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবী থেকে চলে গেছেন, আর তোমরা সে সম্পদ আহরণ করে ভোগ করছে।
হারূন ইন সায়ীদ (রহঃ) ... আবু সালামা (রহঃ) কর্তৃক আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অনুরূপ বলতে শুনেছি।
হাদিস 3089 — Sunan an Nasai 25:5
সহিহসহিহসহিহ Muslim
أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " بُعِثْتُ بِجَوَامِعِ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَبَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الأَرْضِ فَوُضِعَتْ فِي يَدِي " . فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَقَدْ ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنْتُمْ تَنْتَثِلُونَهَا .
কাছীর ইবন উবায়দ (রহঃ) ... সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাব এবং আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, আমি শব্দ কম কিন্তু অধিক অর্থবোধক বাক্যাবলীসহ প্রেরিত হয়েছি। আর আমাকে ঐশী প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, আর আমি নিদ্রাবস্থায় ছিলাম, এমন সময় আমার হাতে পৃথিবীর ধনাগারের চাবি দান করা হয়েছে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেছেন, আর তোমরা সে সম্পদ আহরণ করে ভোগ করছো।
ইউনুস ইবন আব্দুল আ'লা ও হারিস ইন মিসকীন (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত বলেন, 'লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই) এ (তাওহীদ বাক্য) যে, রাসূল যতক্ষণ না বলবে, ততক্ষণ পর্যন্ত লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাই যে ‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে আমার পক্ষ থেকে সে তার সম্পদ ও প্রাণের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে ইসলামের হক ব্যতীত আর এর হিসাব আল্লাহর নিকট।
হাদিস 3091 — Sunan an Nasai 25:7
সহিহসহিহহাসান
أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ قَالَ عُمَرُ يَا أَبَا بَكْرٍ كَيْفَ تُقَاتِلُ النَّاسَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ فَمَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ عَصَمَ مِنِّي نَفْسَهُ وَمَالَهُ إِلاَّ بِحَقِّهِ وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ " . قَالَ أَبُو بَكْرٍ رضى الله عنه وَاللَّهِ لأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلاَةِ وَالزَّكَاةِ فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ وَاللَّهِ لَوْ مَنَعُونِي عَنَاقًا كَانُوا يُؤَدُّونَهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهَا فَوَاللَّهِ مَا هُوَ إِلاَّ أَنْ رَأَيْتُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ شَرَحَ صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ لِلْقِتَالِ وَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ .
কাছীর ইবন উবায়দ (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হলো এবং আবূ বকর (রাঃ)-কে খলীফা নিযুক্ত করা হলো, তখন আরবের কিছু লোক কাফির হয়ে গেল। উমর (রাঃ) তাকে বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি কিরূপে এমন লোকদের সাথে যুদ্ধ করবেন অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যতক্ষণ লোকেরা 'লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' না বলবে, ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। তারপর যে ব্যক্তি 'লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে, সে আমার পক্ষ হতে তার জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে। তবে ইসলামী বিধানে কারো জান-মাল হালাল হলে-তা স্বতন্ত্র ব্যপার। আর আল্লাহর কাছেই এর হিসাব। আবু বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি সে ব্যক্তির সাথে যুদ্ধ করব, যে ব্যক্তি সালাত এবং যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে। কেননা, যাকাত মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা আমাকে একটি বকরীর বাচ্চা দিতেও অসম্মত হয়, যা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দিত, তাহলে তাদের এ অসম্মতির জন্য আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। আল্লাহর শপথ! এ আর কিছু না, বরং আমি বুঝলাম যে, আল্লাহ্ তায়ালা আবূ বকরের অন্তর যুদ্ধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। আমি অনুধাবন করলাম যে, তার ফয়সালাই সঠিক।
আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুগীরা ও কাছীর ইবন উবায়দ (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হলো, তারপর খলীফা হলেন আবু বকর (রাঃ)। 'আরবের কেউ কেউ কাফির হয়ে গেল। তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি কিরূপে এ সকল লোকের সাথে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, লোকেরা যতক্ষণ লাইলাহা ইল্লাল্লাহ্' না বলবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? আর যখন তারা “লাইলাহা ইল্লাল্লাহ বললো, তখন তারা আমার পক্ষ হতে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করলো। তবে ইসলামের হক ব্যতীত, আর এর মীমাংসা আল্লাহর কাছে? আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাত এবং যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি তার সাথে নিশ্চয়ই যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত মালের হক। আল্লাহর শপথ! তারা যে বকরীর বাচ্চা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় যাকাত হিসেবে আদায় করতো, যদি তা আমাকে না দেয়, তবে তা না দেওয়ার অপরাধে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর শপথ! এ আর কিছু নয়, বরং আমি অনুধাবন করলাম যে, আল্লাহ্ তায়ালা আবু বকরের অন্তর যুদ্ধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। আমি বুঝতে পারলাম, এটাই সত্য। এ বর্ণনায় শব্দ, ভাষা আহমদ (রহঃ)-এর।
আহমদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আবূ বকর (রাঃ) যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন, তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি লোকের সাথে কিরূপে যুদ্ধে লিপ্ত হবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ লোকেরা 'লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' না বলবে, ততক্ষণ আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার পক্ষ হতে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে। তাবে ইসলামের হক ব্যতীত। আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাত এবং যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। আল্লাহর শপথ! তারা যে বকরীর বাচ্চা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দিত, তা আমাকে দিতে অস্বীকার করলে তাদের এই না দেওয়ার কারণে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন, এ আর কিছু নয়, বরং আমি বুঝলাম যে, আল্লাহু তা'আলা আবৃ বকরের অন্তর যুদ্ধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, এটাই সঠিক।
মুহাম্মদ ইন বাশার (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল" এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়িম করা ও যাকাত আদায় করা পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহর শপথ! তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকবীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তুর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তার অভিমতই সঠিক। আবু আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, হাদীস বর্ণনাকারী ইমরান আল-কাত্তান (রহঃ) এর এ বর্ণনায় ভুল আছে, তিনি রাবী হিসেবে শক্তিশালী নন। এর আগে বর্ণিত যুহরী (রহঃ) উবায়দুল্লাহ্ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উতবা (রহঃ) থেকে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসটি বিশুদ্ধ। যাতে রয়েছে شُرِحَ এর স্থলে شَرَحَ।