। ইসমাঈল ইবনু মাসঊদ ও হুমায়দ ইবনু মাসআদাহ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেঊ যখন নিদ্রা হতে জাগ্রত হয় তখন সে যেন তার হাত পানির পাত্রে প্রবিষ্ট না করায় যতক্ষণ না তার উপর তিনবার পানি ঢালে, কেননা সে জানেনা তার হাত রাত্রে কোথায় ছিল।
হাদিস 162 — Sunan an Nasai 1:163
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا نَعَسَ الرَّجُلُ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَلْيَنْصَرِفْ لَعَلَّهُ يَدْعُو عَلَى نَفْسِهِ وَهُوَ لاَ يَدْرِي " .
। বিশর ইবনু হিলাল (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যাক্তির সালাত (নামায/নামাজ)-এ তন্দ্রা আসে, তবে সে যেন হালকাভাবে সালাত (নামায/নামাজ) শেষ করে চলে যায়। কেননা অজ্ঞাতসারে সে হয়ত নিজের উপরেই বদদোয়া করে বসবে।
। হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও হারিস ইবনু মিসকীন (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বকর ইবনু আমর ইবনু হাযম থেকে বর্ণিত। তিনি উরওয়া ইবনু যুবায়রকে বলতে শুনেছেন যে, আমি মারওয়ান ইবনু হাকাম এর নিকট এসে কোন কোন কারণে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হয় তা জিজ্ঞাসা করলাম। মারওয়ান বললেনঃ পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে উযূ করতে হবে। উরওয়া বললেন, আমি তা অবগত নই। মারওয়ান বললেনঃ বুসরা বিনতে সাফওয়ান (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, যখন তোমাদের কেঊ স্বীয় পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে তখন তার উযূ করা উচিৎ।
। আহমদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু মুগীরা (রহঃ) ... যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বকর ইবনু আমর ইবনু হাযম (রহঃ) আমাকে বলেছেন, কোন ব্যাক্তি স্বীয় হস্ত দ্বারা পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে সে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে। আমি অস্বীকার করলাম এবং বললাম, যে ব্যাক্তি তা স্পর্শ করে, তার উযূ করতে হবে না। তখন মারওয়ান বললেন, বুসরা বিনতে সাফওয়ান আমাকে বলেছেন যে, তিনি যে যে কারণে উযূ করতে হয় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা উল্লেখ করতে শুনেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, আর পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে উযূ করতে হবে। উরওয়া বলেনঃ অতএব আমি এ ব্যাপারে মারওয়ানের সাথে বিতর্কে লিপ্ত রইলাম। অবশেষে তিনি তার দেহরক্ষীদের একজনকে ডেকে বুসরার নিকট প্রেরণ করলেন। বুসরা তার নিকট ঐরূপই বলে পাঠালেন যেরূপ মারওয়ান আমার নিকট বুসরা থেকে বর্ণনা করেছেন।
। হান্নাদ (রহঃ) ... তালক ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা আমাদের গোত্রের প্রতিনিধি হিসাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম, তারপর তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম এবং তাঁর সঙ্গে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম। সালাত (নামায/নামাজ) শেষ হলে এক ব্যাক্তি আসলো, মনে হল যেন সে একজন গ্রাম্য লোক। সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! কোন ব্যাক্তি সালাতে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে তার সম্বন্ধে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেনঃ এটা তোমার শরীরের এক টুকরা গোশত বৈ আর কি? অথবা তিনি বললেনঃ তা তোমার শরীরের একটি অংশ।
। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল হাকাম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন আর আমি জানাযার ন্যায় তার সামনে শায়িত থাকতাম। এমনকি তিনি যখন বিতর নামায পরার ইচ্ছা করতেন তখন আমাকে তার পা দ্বারা স্পর্শ করতেন।
হাদিস 167 — Sunan an Nasai 1:168
সহিহসহিহসহিহ Bukhari
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَقَدْ رَأَيْتُمُونِي مُعْتَرِضَةً بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْجُدَ غَمَزَ رِجْلِي فَضَمَمْتُهَا إِلَىَّ ثُمَّ يَسْجُدُ .
। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি দেখেছি আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে আড়াআড়ি শুয়ে আছি আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। যখন তিনি সিজদা করতে মনস্থ করতেন আমার পা স্পর্শ করতেন। আমি তা আমার দিকে টেনে নিতাম। তারপর তিনি সিজদা করতেন।
হাদিস 168 — Sunan an Nasai 1:169
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَنَامُ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرِجْلاَىَ فِي قِبْلَتِهِ فَإِذَا سَجَدَ غَمَزَنِي فَقَبَضْتُ رِجْلَىَّ فَإِذَا قَامَ بَسَطْتُهُمَا وَالْبُيُوتُ يَوْمَئِذٍ لَيْسَ فِيهَا مَصَابِيحُ .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে শায়িত থাকতাম আর আমার পদদ্বয় তার কিবলার দিকে থাকত। যখন তিনি সিজদা করতেন আমাকে স্পর্শ করতেন আর আমি আমার পদদ্বয় টেনে নিতাম আর যখন তিনি দাঁড়াতেন তখন আমি তা মেলে দিতাম। আর ঘরে তখন কোন বাতি থাকত না।
। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক ও নুসায়ের ইবনু ফারাজ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক রাতে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তাঁর পদযুগলের উপর পতিত হল। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল এবং তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেনঃ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ “(হে আল্লাহ!) আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমার ক্রোধ হতে তোমার সন্তুষ্টির, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার আর তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমা হতে। তোমার প্রশংসা করে আমি শেষ করতে পারব না, তুমি নিজে ঐরূপ, যেরূপ তুমি নিজের প্রশংসা করেছ।”
। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জনৈক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন পরে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন কিন্তু তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন না। আবূ আবদুর রহমান বলেনঃ এ অধ্যায়ে এর চেয়ে উত্তম হাদীস আর নেই যদিও হাদীসটি মুরসাল। এ হাদীসটি আ’মাশ–হাবীব ইবনু আবূ সাবিত থেকে এবং তিনি উরওয়া থেকে এবং তিনি আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া কাত্তান বলেনঃ হাবীবের এই হাদীসটি, যা তিনি উরওয়া থেকে এবং উরওয়া আয়িশা (রাঃ) থেকে এই মর্মে বর্ণনা করেছেন যে, “মুস্তাহাযা মহিলা সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে যদিও রক্তের ফোঁটা বিছানায় টপকায়”- এর কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই।