। মুহাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তোমার রব সে ব্যক্তির উপর খুশি হন, যে পাহাড়ের উচ্চ শৃঙ্গে বকরী চরায় এবং সালাতের জন্য আযান দেয় ও সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে। আল্লাহ তা-আলা বলেনঃ তোমরা আমার এ বান্দাকে দেখ, সে আযান দিচ্ছে এবং সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করছে ও আমাকে ভয় করছে। আমি আমার এ বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালাম।
। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... রিফা’আ ইবনু রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের কাতারে বসা ছিলেন এমন সময় ... আল হাদীস।
। আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ... জামে মসজিদের মুয়াযযিন আবূল মুসান্না (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-কে আযান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আযানের শব্দ গুলো দু'-দু'-বার এবং ইকামতের শব্দগুলো এক-একবার বলা হতো। কিন্তু তুমি যখন قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ বলবে (তখন দু'বার বলবে)। কারণ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুয়াযযিন দু'-বার বলতেন। আমরা যখন قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ বলার আওয়াজ শুনতাম, তখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতাম এবং সালাতের জন্য বের হতাম।
। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... মালিক ইবনু হুয়ায়রিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং আমার এক সাথীকে বললেনঃ যখন সালাতের সময় হবে তখন তোমাদের মধ্যে একজন আযান দেবে (অন্য জন আযানের জবাব দেবে)। পরে একজন ইকামত দেবে এবং যে তোমাদের মধ্যে বড় সে ইমামতি করবে।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালায় যাতে আযানের আওয়াজ না শোনে। আযান শেষ হলে সে আবার আসে। তারপর সালাতের জন্য ইকামত আরম্ভ হলে সে আবার পালায়। ইকামত বলা শেষ হলে পুনরায় উপস্থিত হয়ে মুসল্লীদের মনে খটকা করে এবং যে সকল বিষয় তার স্মরণ ছিল না সে সকল বিষয়ে সে বলতে থাকে, অমুক বিষয় স্মরণ কর, অমুক বিষয় স্মরণ কর। অবশেষে সে ব্যক্তি এরুপ হয়ে যায় যে, সে বলতে পারে না কত রাক’আত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছে।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ যদি জানত, আযান দেয়া এবং সালাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কি ফযীলাত রয়েছে, তবে তা পাবার জন্য লটারী ছাড়া উপায় না থাকলে তারা তার জন্য লটারী করত। আর তারা যদি জানত যে, দ্বি-প্রহরের (যোহর ও জুমু'আ) সালাতের প্রথম সময়ে গমনে কি রয়েছে- তবে তার দিকে দ্রুতগতিতে ধাবিত হত। আর তারা যদি জানত ইশা ও ফজরের সালাতে কি রয়েছে, তাহলে উভয় সালাতের জন্য অবশ্যই হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হত।
। আহমদ ইবনু সূলায়মান (রহঃ) ... উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবেদন করলামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমাকে আমার কওমের ইমাম বানিয়ে দিন। তিনি বললেন, (ঠিক আছে যাও) তুমি তাদের ইমাম। তবে তাদের দুর্বল লোকদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে [সালাত (নামায/নামাজ) দীর্ঘ করায় তাদের যেন কষ্ট না হয়] এবং যে ব্যক্তি আযানের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করে না, তাকে মুয়াযযিন নিযুক্ত করবে।
হাদিস 673 — Sunan an Nasai 7:48
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ " .
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমরা আযানের শব্দ শুনবে, তখন (উত্তরে) মুয়াযযিন যা বলবে তার অনুরূপ বলবে।
হাদিস 674 — Sunan an Nasai 7:49
হাসানহাসানIsnaad Hasan
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّ بُكَيْرَ بْنَ الأَشَجِّ، حَدَّثَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ خَالِدٍ الزَّرْقِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّضْرَ بْنَ سُفْيَانَ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ بِلاَلٌ يُنَادِي فَلَمَّا سَكَتَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَالَ مِثْلَ هَذَا يَقِينًا دَخَلَ الْجَنَّةَ " .
। মুহাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলাম। এমন সময় বিলাল (রাঃ) আযান দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। তিনি আযান শেষ করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এর অনুরূপ বলবে (আযানের জবাব দিবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।