أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مُجَمِّعٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ، - رضى الله عنه - يَقُولُ سَمِعْتُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَمِعَ الْمُؤَذِّنَ فَقَالَ مِثْلَ مَا قَالَ .
। মুহাম্মাদ ইবনু কুদামা (রহঃ) ... আবূ উমামা ইবনু সাহল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মুআবিয়া (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুয়াযযিনের আযান শুনতেন, তখন তাঁকে মুয়াযযিনের অনুরুপ বলতে শুনেছি।
। মুজাহিদ ইবনু মুসা ও ইবরাহীম ইবনু হাসান (রহঃ) ... আলকামা ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুআবিয়া (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। যখন তাঁর মুয়াযয়িন আযান দিলেন তখন মুআবিয়া সে বাক্যগুলো বললেন, যেগুলো মুয়াযযিন বলছিলেন। মুয়াযযিন যখন বললেন, حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ তখন তিনি বললেনঃ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ মুয়াযযিন যখন حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ বললেন, তিনি বললেন لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ তারপর মুয়াযযিন যে বাক্য বললেন, তিনিও সে বাক্য বললেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এরূপ বলতে শুনেছি।
। সুওয়ায়দ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা যখন মুয়াযযিনকে আযান দিতে শোন, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও তা বলবে এবং আমার উপর দরুদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ দশবার তার উপর রহমত প্রেরণ করেন। তারপর আল্লাহর কাছে আমার জন্য ওসীলা সওয়াল করবে, কেননা ওসীলা জান্নাতের একটি মনযিল। আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজন ব্যতীত আর কেউ এর যোগ্য হবে না। আশা করি আমি হব সেই ব্যক্তি। অতএব যে ব্যক্তি আমার জন্য ওসীলা চাইবে, সে আমার সুপারিশের অধিকারী হবে।
। কুতায়বা (রহঃ) ... সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) সুত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াযযিনকে أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ বলতে শোনে এবং তখন বলেঃ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا "আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি স্বতস্ফূর্তভাবে আল্লাহকে রব, ইসলামকে আমার দ্বীন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রাসুল মেনে নিয়েছি", তার সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।
। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে তার জন্য।
হাদিস 682 — Sunan an Nasai 7:57
সহিহসহিহসহিহ Bukhari
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَامِرٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ الْمُؤَذِّنُ إِذَا أَذَّنَ قَامَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيَبْتَدِرُونَ السَّوَارِيَ يُصَلُّونَ حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُمْ كَذَلِكَ وَيُصَلُّونَ قَبْلَ الْمَغْرِبِ وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ شَىْءٌ .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুয়াযযিন আযান শেয করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন কোন সাহাবী মসজিদের খুটির নিকট যেতেন এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হুজরা হতে) বের না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন। মাগরিবের পূর্বেও তাঁরা (নফল) সালাত আদায় করতেন। তবে মাগরিবের আযান ও ইকামতের মধ্যে বেশি বিলম্ব করা হত না।
। মুহাম্মাদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ... আশআস ইবনু আবূ শা’সা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আযানের পর মসজিদ থেকে বের হল এবং সেখান থেকে চলে গেল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং বললেনঃ এই ব্যক্তি আবূল কাসেম অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবাধ্যতা করল।
। আহমদ ইবনু উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) ... আবূ শা’সা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সালাতের জন্য আযান দেয়ার পর এক ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ এই ব্যক্তি আবূল কাসেম অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবাধ্য হল।
। আহমদ ইবনু আমর ইবনুুস সারাহ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাতের পর থেকে ফজরের সালাত পর্যন্ত সময়ে এগার রাক’আত সালাত আদায় করতেন। প্রত্যেক দূই বাকআতের পর সালাম ফিরাতেন। বিতরের এক রাক’আত পড়তেন এবং এত দীর্ঘ সিজদা করতেন যে, তিনি সে সময়ে তোমাদের একজন কুরআনের পঞ্চাশটি আয়াত পড়তে পারে। তারপর মাথা উঠাতেন মুয়াযযিন আযান দেওয়া শেষ করলে তিনি ফজরের সালাতের সময় জ্ঞাত হয়ে দুই রাক’আত সংক্ষিপ্ত সালাত আদায় করতেন এবং ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। মুয়াযযিন ইকামতের বিষয়ে যখন তাঁর নিকট আসত। তিনি তার সঙ্গে বের হতেন। এ হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে কোন কোন বর্ণনা করার চেয়ে কিছু বেশি বর্ণনা করেছেন।