حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ سَنَّ سُنَّةَ خَيْرٍ فَاتُّبِعَ عَلَيْهَا فَلَهُ أَجْرُهُ وَمِثْلُ أُجُورِ مَنِ اتَّبَعَهُ غَيْرَ مَنْقُوصٍ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ سَنَّ سُنَّةَ شَرٍّ فَاتُّبِعَ عَلَيْهَا كَانَ عَلَيْهِ وِزْرُهُ وَمِثْلُ أَوْزَارِ مَنِ اتَّبَعَهُ غَيْرَ مَنْقُوصٍ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْئًا " . وَفِي الْبَابِ عَنْ حُذَيْفَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوُ هَذَا . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ الْمُنْذِرِ بْنِ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ جَرِيرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَيْضًا .
। জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ ভালো কাজের প্রচলন করলে এবং তার অনুসরণ করা হলে সে তার নিজের সাওয়াবও পাবে এবং তার অনুসারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, তবে তাদের সাওয়াব থেকে একটুও কমানো হবে না। আবার কেউ মন্দ কাজের প্রচলন করলে এবং তার অনুসরণ করা হলে তার উপর নিজের গুনাহ্ বর্তাবে উপরন্তু তার অনুসারীদের সম-পরিমাণ গুনাহর অংশীদারীও হবে, কিন্তু তাতে অনুসরণকারীদের গুনাহর পরিমাণ একটুও কমানো হবে না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২০৩), মুসলিম। হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একাধিক সূত্রে একই রকম বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটি আল-মুনযির ইবনু জারীর ইবনু আবদুল্লাহ হতে তার বাবা হতে এই সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে। উবাইদুল্লাহ ইবনু জারীর হতে তার বাবার বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেও তা বর্ণিত হয়েছে।
। ইরবায ইবনু সারিয়াহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ফজরের নামযের পর আমাদেরকে মর্মস্পশী ওয়াজ শুনালেন, যাতে (আমাদের) সকলের চোখে পানি এলো এবং অন্তর কেঁপে উঠলো। কোন একজন বলল, এ তো বিদায়ী ব্যক্তির নাসীহাতের মতো। হে আল্লাহর রাসূল! এখন আপনি আমাদেরকে কি উপদেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলাকে ভয় করার এবং (নেতৃআদেশ) শ্রবণ ও মান্য করার উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে (নেতা) হাবশী ক্রীতদাস হয়ে থাকে। তোমাদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকবে, তারা বহু বিভেদ-বিসম্বাদ প্রত্যক্ষ করবে। তোমরা নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করা হতে দূরে থাকবে। কেননা তা গুমরাহী। তোমাদের মধ্যে কেউ সে যুগ পেলে সে যেন আমার সুন্নাতে ও সৎপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাতে দৃঢ়ভাবে অবিচল থাকে। তোমরা এসব সুন্নাতকে চোয়ালের দাঁতের সাহায্যে শক্তভাবে আঁকড়ে ধর। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৪২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি সাওর ইবনু ইয়াযীদ- খালিদ ইবনু মা'দান হতে, তিনি আবদুর রাহমান ইবনু আমর আস-সুলামী হতে, তিনি আল-ইরবায ইবনু সারিয়াহ্ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। আল-হাসান ইবনু আলী আল-খাল্লাল আরো অনেকে আবূ আসিম হতে, তিনি সাওর ইবনু ইয়াযীদ হতে, তিনি খালিদ ইবনু মা'দান হতে, তিনি আবদুর রাহমান ইবনু 'আমর আস-সুলামী হতে, তিনি আল-ইরবায ইবনু সারিয়াহ্ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের মতো হাদীস বর্ণনা করেছেন। আল-ইরবায (রাযিঃ)-এর উপনাম আবূ নাজীহ। এ হাদীস হুজর ইবনু হুজর-ইরবায (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণিত হয়েছে।
। কাসীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল ইবনুল হারিসকে বলেনঃ তুমি জেনে রাখ। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি জেনে রাখব? তিনি বললেনঃ হে বিলাল! তুমি জেনে রাখ। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কি জেনে রাখব? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি (আমার) এমন কোন সুন্নাত জীবিত করবে, যা আমার (মৃত্যুর পর) পর বিলিন হয়ে যাবে, তার জন্য রয়েছে সেই সুন্নাতের উপর আমলকারীর সম-পরিমাণ সাওয়াব। তবে তাদের সাওয়াব হতে কিছুই কমানো হবে না। আর যে ব্যক্তি পথভ্রষ্টতার বিদ'আত চালু করে, যা আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সন্তুষ্ট করে না তার জন্য রয়েছে সেই বিদ'আতের উপর আমলকারীর সম-পরিমাণ পাপ। তবে তাদের পাপ হতে কিছুই কমানো হবে না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২১০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। মুহাম্মাদ ইবনু উয়াইনা হলেন মিসসীসী এবং সিরিয়াবাসী। আর কাসীর ইবনু আবদুল্লাহর দাদার নাম আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ হে বৎস! তুমি যদি সকাল-সন্ধ্যা এমনভাবে কাটাতে পার যে, তোমার অন্তরে কারো প্রতি কোন রকম বিদ্বেষ নেই, তাহলে তাই কর। তিনি আমাকে পুনরায় বললেনঃ হে বৎস! এটা হল আমার সুন্নাত। আর যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতকে জীবিত করল, সে আমাকেই ভালবাসল, আর যে ব্যক্তি আমাকে ভালবাসল সে তো জান্নাতে আমার সাথেই থাকবে। যঈফ, মিশকাত (১৭৫) এই হাদীসে বড় ঘটনা রয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান এবং উপরিউক্ত সূত্রে গারীব। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী ও তার পিতা উভয়ই সিকাহ রাবী। আলী ইবনু যাইদ সত্যবাদী, কিন্তু যে হাদীসকে অন্যরা মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন, তিনি কখনো কখনো তা মারফুরূপে বর্ণনা করেন। আমি মুহাম্মদ ইবনু বাশশারকে বলতে শুনেছি, আবূল ওয়ালীদ বলেন, শুবা বলেছেনঃ আলী ইবনু যাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি অনেক (মাওকুফ রিওয়ায়াতকে) মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাহ.) আনাস (রাযি) হতে উপরিউক্ত হাদীসটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা ব্যতীত আরো হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আনাস (রাযি.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাবের উল্লেখ করেননি। আমি বিষয়টি নিয়ে মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলের সাথে আলোচনা করলে তিনি এ প্রসঙ্গে তার অজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সরাসরি আনাস (রাযি.) হতে উক্ত হাদীস বা অন্য কোন হাদীস বর্ণনা করেছেন কি-না সে ব্যাপারেও তার অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) ৯৩ হিজরীতে এবং সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব তার দু’বছর পর ৯৫ হিজরীতে মারা যান।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে যে বিষয়ে বলি না সে বিষয়ে তোমরাও আমাকে ত্যাগ কর (নিজ উদ্যোগে কোন প্রশ্ন করো না)। আমি তোমাদের মধ্যে কিছু বললে আমার নিকট হতে তা গ্রহণ কর। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ তাদের নবীদেরকে বেশি বেশি প্রশ্ন ও বিরুদ্ধাচরণ করার কারণে ধ্বংস হয়েছে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১, ২), বুখারী ও মুসলিম অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত আছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই মানুষ উটে চড়ে ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে দুনিয়া ঘুরে বেড়াবে। কিন্তু তারা মদীনার আলিমদের অপেক্ষা বিজ্ঞ আলিম আর কোথাও খুঁজে পাবে না। (য’ঈফ; মিশকাত— হাঃ নং- ২৪৬; তা’লীক 'আলা তানকীল- হাঃ নং- ১/৩৮৫; য’ঈফাহ-হাঃ নং- ৪৮৩৩) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। এটা ইবনু উয়াইনার রিওয়ায়াত। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেনঃ মাদীনার আলিম হলেন মালিক ইবনু আনাস (রাহ.)। ইসহাক ইবনু মূসা বলেনঃ আমি ইবনু উয়াইনাকে আরো বলতে শুনেছি, মদীনার এ আলিম হলেন উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) বংশীয় পার্থিব মোহ বিমুখ আবদুল আযীয ইবনু আবদুল্লাহ। (আব ঈসা বলেনঃ) আমি ইয়াহইয়া ইবনু মূসাকে বলতে শুনেছি, আবদুর রাযযাক বলেছেন, তিনি হলেন মালিক ইবনু আনাস (রাহ.)।
। ইবনু আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একজন ফকীহ (বিজ্ঞ আলিম) শাইতানের জন্য হাজার (মূর্খ) আবিদ অপেক্ষা বিপজ্জনক। (মাওযূ; ইবনু মাযাহ-হাঃ নং)
। কাইস ইবনু কাসীর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মাদীনা হতে দামিশকে (অবস্থানরত) আবূদ দারদা (রাযিঃ)-এর নিকট এলো। তিনি প্রশ্ন করলেন, ভাই! তুমি কি প্রয়োজনে এসেছে? সে বলল, একটি হাদীসের জন্য এসেছি। আমি জানতে পারলাম যে, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সেই হাদীস বর্ণনা করছেন। তিনি আবারো প্রশ্ন করলেন, তুমি অন্য কোন প্রয়োজনে আসনি? সে বলল, না। তিনি বললেন, তুমি কোন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশে আসনি। সে বলল, না; সে আরো বলল, আমি শুধুমাত্র সেই হাদীসটির খোজেই এসেছ? এবার তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ ইলম লাভের উদ্দেশে যে লোক পথ চলে আল্লাহ তা'আলা এর মাধ্যমে তাকে জান্নাতের পথে পৌছে দেন এবং ফেরেশতাগণ ইলম অন্বেষণকারীর সন্তুষ্টির জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। অতঃপর আসমান-যমীনের সকল প্রাণী (আল্লাহ তা'আলার নিকট) আলিমদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি পানির জগতের মাছসমূহও। সমস্ত নক্ষত্ররাজির উপর পূর্ণিমার চাঁদের যে প্রাধান্য, ঠিক তেমনি (মূর্খ) ‘আবিদগণের উপর আলিমদের মর্যাদা বিদ্যমান। অবশ্যই আলিমগণ নবীদের ওয়ারিস। আর নবীগণ উত্তরাধিকার হিসেবে কোন দীনার বা দিরহাম রেখে যাননি, বরং তারা রেখে গেছেন মীরাস হিসেবে ইলম। সুতরাং যে ব্যক্তি ইলম লাভ করেছে, সে পূর্ণ অংশ লাভ করেছে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২২৩) আবূ ঈসা বলেন, আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র আসিম ইবনু রাজা ইবনু হাইওয়ার রিওয়ায়াত হিসেবেই জেনেছি। আমার মতে এই সনদসূত্র মুত্তাসিল নয়। উক্ত হাদীসটি মাহমূদ ইবনু খিদাশও আমাদের নিকট অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন। আসিম ইবনু রাজা ইবনু হাইওয়া-দাউদ ইবনু জামীল হতে, তিনি কাসীর ইবনু কাইস হতে, তিনি আবূদ দারদা (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রেও উক্ত হাদীস বর্ণিত আছে। এই সনদসূত্রটি মাহমূদ ইবনু খিদাশের বর্ণনার চাইতে অনেক বেশি সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) ও এই সনদকে অধিক সহীহ মনে করেন।
। ইয়াযীদ ইবনু সালামা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো আপনার নিকট হতে অনেক হাদীস শুনেছি। এখন আমার ভয় হয় যে, পরের হাদীসগুলো পূর্বের হাদীসগুলোকে ভুলিয়ে দিতে পারে। সুতরাং আপনি আমাকে এমন একটি বাক্য বলুন যার মধ্যে সব কিছু শামিল থাকবে। তিনি বলেনঃ তুমি যা জান সে ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর। যঈফা (১৬৯৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটির সনদসূত্র মুত্তাসিল নয়। আমার মতে এটি মুরসাল হাদীস। আমার মতে ইবনু আশওয়াআ (রাহঃ) ইয়াযীদ ইবনু সালামা (রাঃ)-এর দেখা পাননি। ইবনু আশওয়াআ-এর নাম সাঈদ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন দুটি স্বভাব আছে যা মুনাফিকের মধ্যে একত্রে সমাবেশ হতে পারে না (১) উত্তম চরিত্র ও (২) দ্বীনের সুষ্ঠ জ্ঞান। সহীহঃ মিশকাত তাহকীকু সানী (২১৯), সহীহাহ (২৭৮)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এ হাদীসের ব্যাপারে খালাফ ইবনু আইয়ুবের সূত্র ব্যতীত আওফ (রাহঃ)-এর বর্ণনা হিসেবে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবনুল আলা ব্যতীত আমি তার বরাতে অন্য কাউকে হাদীস বর্ণনা করতে দেখিনি। খালাফ ইবনু আইয়ুবের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।