। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, যে পর্যন্ত না (তোমরা) ঈমানদার হবে, আর ঈমানদার হতে পারবে না, যে পর্যন্ত না পরস্পর ভালোবাসা স্থাপন করবে। আমি কি এমন একটি কাজের কথা তোমাদেরকে বলে দিব না, যখন তোমরা তা করবে, পরস্পর ভালোবাসা স্থাপিত হবে? তোমরা একে অপরের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৩৬৯২), মুসলিম। 'আবদুল্লাহ ইবনু সালাম, শুরাইহ ইবনু হানী তার বাবার সূত্রে, 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আল-বারাআ, আনাস ও ইবনু উমার (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 2689 — Jami At Tirmidhi 42:2
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَالْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَرِيرِيُّ، بَلْخِيٌّ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيِّ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ رَجُلاً، جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ . قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " عَشْرٌ " . ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " عِشْرُونَ " . ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثُونَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَأَبِي سَعِيدٍ وَسَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ .
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট একজন লোক এসে বলল, আসসালামু আলাইকুম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দশ (নেকী)। তারপর অন্য এক লোক এসে বলল, আসসালামুআলাইমুক ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বিশ। অতঃপর আরেক লোক এসে বলল, আসসালামু আলাইমুক ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ত্রিশ। সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (৩/২৬৮) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ, তবে এ সূত্রে গারীব। ‘আলী, আবূ সাঈদ ও সাহল ইবনু হুনাইফ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ মূসা (রাযিঃ) উমর (রাযিঃ)-এর নিকট অনুমতি চেয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি আসতে পারি? উমর (রাযিঃ) বলেন, এক। আবূ মূসা (রাযিঃ) কিছুক্ষণ চুপ থাকলেন। তিনি আবারও সালাম দিয়ে বলেন, আমি কি ভিতরে আসতে পারি? উমর (রাযিঃ) বলেন, দুই। তারপর আবূ মূসা (রাযিঃ) অল্প সময় নীরবতা অবলম্বন করলেন। তিনি আবার বললেন, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি আসতে পারি? উমর (রাযিঃ) বললেন, তিন। এবার তিনি চলে যেতে লাগলেন। উমার (রাযিঃ) প্রহরীকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কি করছেন? প্রহরী বলল, তিনি চলে গেছেন। তিনি বললেন, তাকে আমার নিকট ফিরিয়ে নিয়ে এসো। তারপর তিনি উমারের সামনে এলে তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি এরকম করলেন কেন? তিনি বললেন, আমি সুন্নাত পালন করেছি। উমর (রাযিঃ) বললেন, সুন্নাত পালন করেছেন? আল্লাহর কসম! এর সপক্ষে আপনাকে দলীল-প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, তা না হলে আমি আপনার ব্যবস্থা করছি (অর্থাৎ- শাস্তি দিব)। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি (আবূ মূসা) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা কয়জন আনসার বন্ধু একসাথে বসে ছিলাম। তিনি বললেন, হে আনসার সম্প্রদায়! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস সম্পর্কে কি তোমরা সবার চাইতে বেশি জ্ঞাত নও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি যে, তিনবার অনুমতি চাইতে হবে? তারপর তোমাকে অনুমতি দিলে তো দিল, নতুবা ফিরে যাবে। উপস্থিত লোকজন তার সাথে কৌতুক করতে লাগল। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, এবার আমি মাথা তুলে তার দিকে তাকালাম এবং বললাম, আপনার উপর এ ব্যাপারে কোন শাস্তি হলে আমি আপনার অংশীদার হব। রাবী বলেন, তারপর তিনি উমারের নিকট এসে এ ঘটনা বললেন। উমার (রাযিঃ) বললেন, আমি এ সম্পর্কে জানতাম না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ‘আলী (রাযিঃ) সা'দ (রাযিঃ)-এর মুক্তদাসী উম্মু তারিক (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আল-জুরাইরীর নাম সাঈদ ইবনু ইয়াস, উপনাম আবূ মাসউদ। এ হাদীসটি আবূ নাযরা হতে অন্যরাও বর্ণনা করেছেন। আবূ নাযরা আল-আবদীর নাম আল-মুনযির ইবনু মালিক ইবনু কুতা'আহু।
হাদিস 2691 — Jami At Tirmidhi 42:4
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي أَبُو زُمَيْلٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، قَالَ اسْتَأْذَنْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثًا فَأَذِنَ لِي . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَأَبُو زُمَيْلٍ اسْمُهُ سِمَاكٌ الْحَنَفِيُّ . وَإِنَّمَا أَنْكَرَ عُمَرُ عِنْدَنَا عَلَى أَبِي مُوسَى حَيْثُ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " الاِسْتِئْذَانُ ثَلاَثٌ فَإِنْ أُذِنَ لَكَ وَإِلاَّ فَارْجِعْ " . وَقَدْ كَانَ عُمَرُ اسْتَأْذَنَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثًا فَأَذِنَ لَهُ وَلَمْ يَكُنْ عَلِمَ هَذَا الَّذِي رَوَاهُ أَبُو مُوسَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ فَإِنْ أُذِنَ لَكَ وَإِلاَّ فَارْجِعْ .
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে তিনবার সম্মতি চাইলাম। তিনি আমাকে সম্মতি দিলেন। সনদ দুর্বল, মতন মুনকার আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ যুমাইলের নাম সিমাক আল-হানাফী। উমার (রাঃ) নিজেই যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তিনবার সম্মতি চাওয়ায় তিনি তাকে (বাড়ির ভেতরে যাওয়ার) সম্মতি দেন, সেখানে তিনিই আবার আবূ মূসা (রাঃ)-এর হাদীস প্রত্যাখ্যান করেন। এর কারণ এই যে, তিনি আবূ মূসা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের “তোমাকে সম্মতি দিলে তো দিল, নতুবা ফিরে যাবে" অংশটুকু প্রসঙ্গে জানতেন না।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সময়ে মসজিদের এক পাশে বসা ছিলেন। লোকটি নামায আদায় করে এসে তাকে সালাম করল।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওয়ালাইকা, তুমি ফিরে গিয়ে আবার নামায আদায় আদায় কর। তারপর তিনি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১১৬০), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীস উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার হতে, তিনি সাঈদ আল-মাকুবুরী হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় “ফা সাল্লামা আলাইহি ওয়া কা-লা ওয়া আলাইকা” এর উল্লেখ নেই। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি অনেক বেশি সহীহ।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিয়েছেন। তিনি (আয়িশাহ) বললেন, ওয়া 'আলাইহিস সালামু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম এ অনুচ্ছেদে বানী নুমাইরের জনৈক ব্যক্তি তার বাবা হতে, তিনি দাদা হতে এই সূত্রে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি যুহরীও আবূ সালামা হতে, তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
। আবূ উমামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! দু'জন লোকের মধ্যে সাক্ষাৎ হলে কে প্রথম সালাম দিবে? তিনি বললেনঃ তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার বেশি নিকটবর্তী। সহীহঃ মিশকাত (৪৬৪৬), তাখরীজুল কালিমিত তাইয়্যিব (১৯৮)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেন, আবূ ফারওয়া আর-রাহাবী বর্ণনাকারী হিসেবে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু তার ছেলে মুহাম্মাদ তার সূত্রে বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।
। আমর ইবনু শু'আইব (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিজাতির অনুকরণকারী ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়। তোমরা ইয়াহুদী-নাসারাদের অনুকরণ করো না। কেননা ইয়াহুদীগণ আঙ্গুলের ইশারায় এবং নাসারাগণ হাতের ইশারায় সালাম দেয়। হাসানঃ সহীহাহ (২১৯৪) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটির সনদ যঈফ। এই হাদীসটি ইবনু লাহীআর সূত্রে ইবনু মুবারাক বর্ণনা করেছেন কিন্তু তা মারফু' হিসেবে নয়।
। সাইয়্যার (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাবিত আল-বুনানীর সাথে হাঁটছিলাম। তিনি কয়েকজন শিশুর পাশ দিয়ে চলার সময় তাদেরকে সালাম দিলেন এবং বললেন, কোন একদিন আমি আনাস (রাযিঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি শিশুদের পাশ দিয়ে চলার সময় তাদেরকে সালাম দিলেন এবং বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তিনি শিশুদের পাশ দিয়ে চলার সময় তাদেরকে সালাম দিয়েছেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ। এ হাদীসটি সাবিত (রহঃ) হতে একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। অন্য সূত্রেও আনাস (রাযিঃ) হতে এ হাদীস বর্ণিত আছে। কুতাইবা-জাফার ইবনু সুলাইমান হতে, তিনি সাবিত হতে, তিনি আনাস (রাযিঃ) হতে, তিনি নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণিত আছে।
। আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। সেখানে একদল মহিলা বসা ছিল। তিনি হাত উঠিয়ে তাদেরকে সালাম দিলেন। 'আবদুল হামীদ তার হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন। “হাতের ইশারা" ব্যতীত হাদীসটি সহীহঃ জিলবাবুল মারআতিল মুসলিমাহ (১৯৪-১৯৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) বলেন, আবদুল হামীদ ইবনু বাহরাম-শাহর ইবনু হাওশাব সূত্রে বর্ণিত হাদীসে কোন সমস্যা নেই। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (আল-বুখারী) বলেন, শাহর হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে উত্তম পর্যায়ের এবং তিনি (এ কথা বলে) তার বিষয়টি মজবুত করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ইবনু আওন তার সমালোচনা করেছেন, অতঃপর হিলাল ইবনু আবী যাইনাব-শাহর ইবনু হাওশাব সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ বালখী-আন-নাযর ইবনু শুমাইল হতে, তিনি ইবনু ‘আওন হতে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু ‘আওন বলেন, মুহাদ্দীসগণ শাহরকে বাদ দিয়েছেন। আবূ দাউদ (রাহঃ) বলেন, আন-নাযর বলেছেন, “তারা তাকে বাদ দিয়েছেন" অর্থ তারা তাকে তিরস্কার বা অভিযুক্ত করেছেন এ কারণে যে, তিনি শাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।