। ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং বলেনঃ হে জনমণ্ডলী! তোমাদের হতে আল্লাহ তা'আলা জাহিলিয়াত যুগের দম্ভ ও অহংকার এবং পূর্বপুরুষের গৌরবগাথা বাতিল করেছেন। এখন মানুষ দুই অংশে বিভক্তঃ এক দল মানুষ নেককার, পরহেজগার, আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রিয় ও সম্মানিত এবং অন্য দল পাপিষ্ঠ, দুর্ভাগা, আল্লাহ তা'আলার নিকট অত্যন্ত নিকৃষ্ট, নিচু ও ঘৃণিত। সকল মানুষই আদমের সন্তান। আল্লাহ তা'আলা আদম (আঃ)-কে মাটি দিয়ে তৈরী করেছেন। মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ “হে লোক সকল! তোমাদেরকে আমি একজন পুরুষ ও একজন নারী হতে তৈরী করেছি, তারপর বিভিন্ন বংশ ও গোত্রে তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি, তোমরা যাতে একে অন্যকে চিনতে পার। যে লোক তোমাদের মাঝে বেশি পরহেজগার সেই আল্লাহ তা'আলার নিকট বেশী মর্যাদার অধিকারী। আল্লাহ তা'আলা সবকিছু সম্পর্কে জ্ঞাত, সব খবর রাখেন"- (সূরা ফাত্হ ১৩)। সহীহঃ সহীহাহ (হাঃ ২৭০০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবদুল্লাহ ইবনু দীনার হতে, তিনি ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে, এ সনদেই জেনেছি। আবদুল্লাহ ইবনু জা'ফার হাদীস শাস্ত্রে অত্যন্ত দুর্বল। তাকে ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন প্রমুখ দুর্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু জাফার হলেন ‘আলী ইবনুল মাদীনীর বাবা। এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরাহ ও ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতেও হাদীস উল্লেখিত রয়েছে।
। সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ধন-সম্পদ হল আভিজাত্যের প্রতীক এবং পরহেজগারী হল সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। সহীহঃ ইরওয়াহ (হাঃ ১৮৭০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সামুরাহ (রাযিঃ)-এর উদ্ধৃত হিসেবে হাসান, সহীহ গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র সাল্লাম ইবনু আবী মুত্ত্ব'-এর সনদে জেনেছি।
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “অবিরত জাহান্নাম বলতে থাকবে, আরো আছে কি?” (সূরা কাফ ৩০)। অবশেষে জাহান্নামের উপর মহামহিম আল্লাহ তা'আলা তাঁর পা রাখবেন। তখন সে বলবে, যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে, আপনার ইজ্জতের কসম। তারপর তার এক ভাগ অপর ভাগের সঙ্গে কুঞ্চিত হয়ে যাবে। সহীহঃ জিলালুল জান্নাত (হাঃ ৫৩১, ৫৩৪), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান, সহীহ এবং উপর্যুক্ত সূত্রে গারীব। এ অধ্যায়ে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাবী'আহ গোত্রের এক লোক বলেন, আমি মাদীনায় পৌছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তার নিকট আমি আদ জাতির দূত প্রসঙ্গে বললাম, আমি আদ জাতির দূতের মত হওয়া হতে আল্লাহ তা'আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্ন করেন; আদ জাতির দূতের কি হয়েছিল? আমি বললাম, আপনি ওয়াকিফহাল ব্যক্তিরই সাক্ষাৎ পেয়েছেন। আদ জাতি দুর্ভিক্ষে পতিত হলে তারা কায়ল নামক এক লোককে প্রেরণ করে এবং সে (মাক্কার কাছাকাছি) বাকর ইবনু মু'আবিয়াহর বাড়ীতে উপস্থিত হয়। বাকর তাকে মদ পান করায় এবং তার সম্মুখে দুটি গায়িকা বাদী গান পরিবেশন করে। তারপর সে মাহরা (গোত্রের) অঞ্চলের পর্বতমালায় যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। সে এ বলে প্রার্থনা করেঃ হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি কোন অসুখ হতে নিরাময় পাওয়ার জন্য আসিনি এবং কোন বন্দীকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করার জন্যও আসিনি। অতএব আপনার এ বান্দাকে আপনি যত পারেন বৃষ্টিতে সিক্ত করুন এবং এর সঙ্গে বাকর ইবনু মু'আবিয়াহকেও সিক্ত করুন। বাকর তাকে যে মদ পান করায়, সে তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছিল। অতএব তার জন্য মেঘমালা উত্থিত হল এবং তাকে বলা হল, তুমি এগুলোর মাঝে যে কোন একটি মেঘখণ্ড বেছে নাও। সে মেঘমালার মাঝ হতে একখণ্ড কালো মেঘ বেছে নিল। তাকে বলা হল, কবুল কর, এটা জ্বলে পুড়ে ছাইয়ের ন্যায় করে ফেলবে, যা আদ জাতির কাউকে পরিত্রাণ দিবে না। উল্লেখ্য যে, একটি আংটির বৃত্তের পরিমাণ বাতাসের ঝাপটা তাদের উপর পাঠানো হয়েছিল মাত্র। তারপর এ আয়াতটি তিনি পাঠ করেনঃ (অনুবাদ): “তাদের উপর যখন আমি বিধ্বংসী বায়ু পাঠিয়ে ছিলাম তা তখন যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল সমস্ত কিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল"- (সূরা যারিয়াত ৪১-৪২)। হাসানঃ যঈফ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১২২৮)-এর অংশ। আবূ ঈসা বলেন, একাধিক বর্ণনাকারী এ হাদীসটি আবূল মুনযির সাল্লাম (রহঃ)-এর সূত্রে তিনি আসিম ইবনু আবী নাজুদ হতে, তিনি আবূ ওয়ায়িল হতে, তিনি হারিস ইবনু হাসসান হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই আল-হারিসকে ইবনু ইয়াযীদও বলা হয়।
। আল-হারিস ইবনু ইয়াযীদ আল-বাকরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মাদীনায় পৌছে আমি মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পেলাম যে, তা লোকে পরিপূর্ণ। আর কালো পতাকাগুলো আওয়াজ সৃষ্টি করে উড়ছে এবং বিলাল (রাযিঃ) তার গলায় তরবারি ঝুলিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মুখে উপস্থিত। আমি প্রশ্ন করলাম, এতো লোকজন জড়ো হওয়ার কারণ কি? তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবনুল আস (রাযিঃ)-কে জিহাদের লক্ষ্যে কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। তারপর বর্ণনাকারী সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহর হাদীসের ন্যায় দীর্ঘ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। হাসানঃ দেখুন পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, আল-হারিস ইবনু ইয়াযীদ আল-বাকরীকে আল-হারিস ইবনু ইবনু হাসসানও বলা হয়।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “নক্ষত্রের অস্তগমন” (সূরাঃ আত-তুর- ৪০) অর্থ ফজরের ফরয নামাযের আগেকার দুই রাকাআত এবং “নামাযের পর” (সূরাঃ কাফ- ৪০) অর্থ মাগরিবের ফরযের পর দুই রাকাআত সুন্নাত নামায। যঈফ, যঈফা (২১৭৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু মুহাম্মাদ ইবনু ফুযাইল হতে রিশদীন ইবনু কুরাইব (রহঃ) সূত্রে এ হাদীস মারফু হিসেবে জেনেছি। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলের নিকট মুহাম্মাদ ও রিশদীন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম যে, তাদের মধ্যে কে বেশি নির্ভরযোগ্য? তিনি বলেনঃ তারা দু’জনই সমান, তবে আমার নিকট মুহাম্মাদ শ্রেষ্ঠ। আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানের নিকট আমি একথাটি জানতে চাইলে তিনি বলেনঃ তারা উভয়ে সমান, তবে আমার মতে রিশদীন উল্লেখযোগ্য। রিশদীন ইবনু আব্বাসের সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মি'রাজের রাতে) যখন সিদরাতুল মুন্তাহায় পৌছালেন। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা হল একটি কেন্দ্র যেই পর্যন্ত পৃথিবীর যা কিছু উপরে চলে যায় এবং যেখান হতে নিচের দিকে কোন কিছু অবতরণ হয়ে আসে। এখানে আল্লাহ তা'আলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এমন তিনটি জিনিস উপহার দেন যা তিনি ইতোপূর্বে কোন নবীকেই দেননি। পাঁচ ওয়াক্ত নামায তার উপর ফরয করা হয়, সূরা আল বকারার শেষের কয়েকটি আয়াত তাকে দেয়া হয় এবং তাঁর উম্মাতের কাবীরাহ গুনাহসমূহ (তাওবার মাধ্যমে) ক্ষমা করা হয়, যদি তারা আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কোন কিছু অংশীদার না করে থাকে। তারপর এ আয়াতটি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) পাঠ করেনঃ (অনুবাদ) “যখন কুলগাছটি যা দ্বারা আচ্ছাদিত হওয়ার তা দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল"- (সূরা নাজম ১৬)। তিনি বলেন, ৬ষ্ঠ আকাশে সিদরাতুল মুন্তাহা অবস্থিত। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, এটি সোনার পাখিসমূহ দ্বারা আচ্ছাদিত, এই বলে তিনি তাঁর হাতের ইশারায় তাদের উড়ন্ত অবস্থা বুঝালেন। মালিক ইবনু মিগওয়াল ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা পর্যন্ত পৌছালে সৃষ্টির জ্ঞান শেষ হয়ে যায়, এর ঊর্ধ্বজগৎ সম্পর্কে সৃষ্টির কোন জ্ঞান নেই। সহীহঃ মুসলিম (হাঃ ১/১০৯)। আবূ ঈসা বলেন, এটি হাসান সহীহ হাদীস।
। আশ-শায়বানী (রহঃ) বলেন, আমি যির ইবনু হুবাইশ (রাযিঃ)-এর নিকট আল্লাহ তা'আলার বাণী “তারপর তাদের মাঝে দুই ধনুক অথবা তারও কম পার্থক্য থাকল”— (সূরা নাজম ৯) প্রসঙ্গে জানতে চাইলাম। তিনি বলেন, ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছেন এবং তার ছয়শ ডানা ছিল। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এটি হাসান সহীহ গারীব হাদীস।
। আশ-শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ) আরাফাতের মায়দানে কা'ব (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে একটি কথা (আল্লাহ তা'আলার দেখা প্রসঙ্গে) জিজ্ঞেস করেন। এতে তিনি এত উচ্চ স্বরে তাকবীর ধ্বনি দিলেন যে, পাহাড় পর্যন্ত উচ্চ গম্ভীর আওয়াজ করে উঠল (প্রতিশব্দ ভেসে এলো)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমরা হাশিম গোত্রীয়। কাব (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা তার দীদার (দর্শন) ও কালাম (সরাসরি সংলাপ) মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মূসা আলাইহিস সালামের মাঝে বাটোয়ারা করেছেন। সুতরাং মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার সাথে দু’বার কথা বলেছেন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার তার দেখা পেয়েছেন। মাসরূক (রহঃ) বলেনঃ এ কথা শুনে আমি আইশা (রাঃ)-এর নিকটে গিয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আল্লাহ তা'আলাকে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ তুমি এমন একটি বিষয়ে কথা বললে যার ফলে আমার শরীরের লোম পর্যন্ত খাড়া হয়ে গেছে। আমি বললাম, একটু অপেক্ষা করুন। তারপর আমি এ আয়াত তিলাওয়াত করলামঃ “তিনি তো স্বীয় রবের মহান নিদর্শনসমূহ দৰ্শন করেছেন। (সূরাঃ আন-নাজম- ১৮)। তিনি বললেনঃ তোমার বুদ্ধি তোমাকে কোথায় নিয়ে গেছে। তিনি হলেন জিবরীল (যাকে তিনি দেখেছেন)। যে ব্যক্তি তোমাকে বলেছে যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রবকে দেখেছেন বা এমন কোন বিষয় তিনি লুকায়িত করেছেন যার (প্রচারের) হুকুম তাকে দেয়া হয়েছে অথবা সেই পাঁচটি বিষয়ে তার জ্ঞান আছে, যে প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “কিয়ামতের জ্ঞান শুধু আল্লাহ তা'আলার নিকট আছে, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন.... ” (সূরাঃ লুকমান- ৩৪), তাহলে সে একটি সাংঘাতিক অসত্য রটনা করেছে। বরং তিনি জিবরীল (আঃ)-কে তার আসল চেহারায় দু’বার দেখেছেনঃ একবার সিদরাতুল মুন্তাহার সামনে, আর একবার জিয়াদ নামক জায়গায় (মক্কার একটি জায়গা)। তার ছয় শত ডানা আকাশের দিগন্ত ঢেকে ফেলেছিল। সনদ দুর্বল, হাদীসটি কা'ব ইবনু আব্বাসের ঘটনা ব্যতীত নাসাঈ সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, দাউদ ইবনু আবূ হিন্দ (রহঃ) শাবী হতে তিনি মাসরুক হতে তিনি আইশা (রাঃ) হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। দাউদের রিওয়ায়াত মুজালিদের রিওয়ায়াতের তুলনায় সংক্ষিপ্ততর।
ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রবকে দেখেছেন। আমি বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, “চোখের দৃষ্টি তাকে পরিবেষ্টন করতে পারে না, কিন্তু তিনি পরিবেষ্টন করেন সকল দৃষ্টি" (সূরাঃ আল-আনআম- ১০৩)? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! তা তো সেই অবস্থায় যখন তিনি তার সত্তাগত নূরে আলোকিত হবেন। আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রভুকে দু’বার দেখেছেন। যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ (১৯০/৪৩৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।