। বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল! জান্নাতে ঘোড়া আছে কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা (যদি) তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তুমি তাতে লাল পদ্মরাগ মনির ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হতে চাও আর তুমি জান্নাতের যেদিকে যেতে ইচ্ছা কর, সেদিকেই উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তিনি (রাবী) বলেন, আরেক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসূল! জান্নাতে উটও আছে কি? তিনি তার সার্থীকে যে উত্তর দিয়েছিলেন তাকেও এরকম উত্তর না দিয়ে বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা যদি তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান, তাহলে তোমার মন যা চাবে এবং চোখে যা ভালো লাগবে সবই পাবে। সুওয়াইদ-আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক হতে তিনি সুফিয়ান হতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উক্ত মর্মে উপরের হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি মাসউদী বর্ণিত হাদীসের চাইতে অনেক বেশী সহীহ। যঈফ, মিশকাত (৫৬৪২), যঈফা
। আবূ আইয়ুব (রাযি) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জনৈক বেদুঈন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো ঘোড়া পছন্দ করি। বেহেশতে ঘোড়া আছে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাকে যদি বেহেশতে প্রবেশ করানো হয় তাহলে মণি-মুক্তার একটি ঘোড়া তোমাকে দেয়া হবে। এর দু’টি ডানা থাকবে এবং তোমাকে এর পিঠে সওয়ার করানো হবে। তারপর তুমি যেদিকে যেতে চাও, সেটি তোমাকে নিয়ে সেদিকে উড়ে যাবে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। আমরা কেবল উপরোক্ত সূত্রেই এটিকে আবূ আইয়ূব (রাযি.)-এর রিওয়ায়াত হিসাবে জানতে পেরেছি। আবূ সাওরা হলেন আবূ আইয়ূব (রাযি.)-এর ভ্রাতুষ্পপুত্র। তিনি হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। ইয়াহইয়া ইবনু মুঈন তাকে অত্যন্ত দুর্বল রাবী বলে আখ্যায়িত করেছেন। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে বলতে শুনেছি, এই আবূ সাওরা মুনকার রাবী এবং আবূ আইয়ূব (রাযি.) হতে বহু মুনকার রিওয়ায়াত বর্ণনা করেছেন যার সমর্থনযোগ্য কোন রিওয়ায়াত বিদ্যমান নেই। (য’ঈফ; মিশকাত— হাঃ নং- ৫৬৪৩; য’ঈফাহ)
। মু'আয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশের সময় তাদের শরীরে লোম থাকবে না, দাঁড়ি-গোফও থাকবে না এবং চোখে সুরমা লাগানো থাকবে। তারা হবে ত্রিশ অথবা তেত্রিশ বছরের যুবক। হাসানঃ দেখুন হাদীস নং (২৫৩৯)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব। উক্ত হাদীসটি কাতাদার কোন কোন শিষ্য তার সূত্রে মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন, মুসনাদরূপে বর্ণনা করেননি।
। বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে, তার মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য সকল উন্মাতের হবে চল্লিশটি। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৪২৮৯)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান। এই হাদীসটি আলকামা ইবনু মারসাদ হতে, তিনি সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত আছে। বর্ণনাকারীগণের মধ্যে কেউ বলেছেন, সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত। আবূ সিনান-মুহারিব ইবনু দিসার সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আবূ সিনানের নাম যিরার ইবনু মুররাহ এবং আবূ সিনান আশ-শাইবানীর নাম সাঈদ ইবনু সিনান, তিনি বাসরাবাসী। আবূ সিনান আশ-শামীর নাম ঈসা ইবনু সিনান আল-কাসমালী।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একটি তাঁবুতে প্রায় চল্লিশজন লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা কি এই কথায় সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হবে? সমবেত সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কি এক-তৃতীয়াংশ সংখ্যক হতে খুশি আছো? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কি অর্ধেক সংখ্যক হলে খুশি আছো? মুসলিম ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তোমরা তো মুশরিকদের তুলনায় কালো ষাড়ের চামড়ায় সাদা লোমসদৃশ অথবা লাল ষাড়ের চামড়ায় কালো লোমসদৃশ। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪২৮৩), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমরান ইবনু হুসাইন ও আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উন্মাতগণ যে দরজা দিয়ে জান্নাতে যাবে, তার প্রস্থ হবে অত্যন্ত দ্রুতগামী অশ্বারোহীর তিন দিনের পথ। তা সত্ত্বেও এতো ভীড় হবে যে, তাদের কাঁধ ঢলে পড়ার উপক্রম হবে। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৫৬৪৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। তিনি আরও বলেন আমি মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেনঃ খালিদ ইবনু আবূ বাকার সালিম ইবনু আব্দুল্লাহর সূত্রে অনেক মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।
। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রাহ.) হতে বর্ণিত আছে, একদা তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-এর সাথে দেখা করলে তিনি বললেন, আমি আল্লাহ তা'আলার নিকটে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমাকে ও তোমাকে জান্নাতের বাজারে একত্র করেন। সাঈদ (রাহ.) প্রশ্ন করেন, জান্নাতে কি বাজারও আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জানিয়েছেন যে, জান্নাতীরা জান্নাতে গিয়ে নিজ নিজ আমলের পরিমাণ ও মর্যাদা অনুযায়ী সেখানে জায়গা (মর্যাদা) পাবে। তারপর দুনিয়ার সময় অনুসারে জুমুআর দিন তাদেরকে (তাদের রবের দর্শনের) অনুমতি দেয়া হবে এবং তারা তাদের রবকে দেখতে আসবে। তাদের জন্য তার আরশ প্রকাশিত হবে। জান্নাতের কোন এক বাগানে তাদের সামনে তার প্রভুর প্রকাশ ঘটবে। তাদের জন্য নূর, মণিমুক্তা, পদ্মরাগ মণি, যমরূদ ও সোনা-রূপা ইত্যাদির মিম্বারসমূহ রাখা হবে। তাদের মধ্যকার সবচাইতে নিম্নস্তরের জান্নাতীও মিশক ও কপূরের স্তুপের উপর আসন গ্রহণ করবে। তবে সেখানে কেউ হীন-নীচ হবে না। মিম্বারে আসীন ব্যক্তিগণকে তারা তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ বা উৎকৃষ্ট ভাববে না। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সূর্য বা পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে তোমাদের কি কোন সন্দেহ হয়? আমরা বললাম, না। তিনি বললেনঃ ঠিক সে রকম তোমাদের রবের দেখাতেও কোন সন্দেহ থাকবে না। আর সে মাজলিসের প্রত্যেক লোক আল্লাহ তা'আলার সাথে কথা বলবে। এমনকি তিনি একে একে তাদের নাম ধরে ডেকে বলবেনঃ হে অমুকের পুত্র অমুক অমুক দিন তুমি এমন কথা বলেছিলে, মনে আছে কি? এভাবে তিনি তাকে দুনিয়ার কিছু নাফারমানী ও বিদ্রোহের কথা মনে করিয়ে দিবেন। লোকটি তখন বলবে, হে আমার রব! আপনি কি আমাকে মাফ করেননি? তিনি বলবেনঃ হ্যাঁ, আমার ক্ষমার বদৌলতেই তুমি এ জায়গাতে পৌছেছ। এই অবস্থায় হঠাৎ তাদের উপর এক খণ্ড মেঘ এসে তাদেরকে ছেয়ে ফেলবে এবং তা হতে তাদের উপর সুগন্ধ (বৃষ্টি) বর্ষিত হবে, যেরূপ সুগন্ধ তারা ইতিপূর্বে কখনো কিছুতে পায়নি। আমাদের রব বলবেনঃ উঠো। আমি তোমাদের সম্মানে যে মেহমানদারি প্রস্তুত করেছি সেদিকে অগ্রসর হও এবং যা কিছু পছন্দ হয় তা গ্রহণ কর। তখন আমরা একটি বাজারে এসে হাযির হব, যা ফিরিশতারা ঘিরে রাখবে। সেখানে এরূপ পণ্যসামগ্রী থাকবে, যা না কোন চোখ দেখেছে, না কোন কান শুনেছে এবং না কখনো অন্তরের কল্পনায় ভেসেছে। আমরা সেখানে যা চাইব, তাই তুলে দেয়া হবে। তবে বেচা-কেনা হবে না। আর সে বাজারেই জান্নাতীরা একে অপরের সাথে দেখা করবে। উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জান্নাতী সামনে এগিয়ে তার চাইতে অল্প মর্যাদাবান জান্নাতীর সাথে দেখা করবে। তবে সেখানে তাদের মধ্যে উচু-নীচু বলতে কিছু থাকবে না। তিনি তার পোশাক দেখে অস্থির হয়ে যাবেন। এ কথা শেষ হতে না হতেই তিনি মনে করতে থাকবেন যে, তার গায়ে আগের চাইতে উত্তম পোশাক দেখা যাচ্ছে। আর এরূপ এজন্যই হবে যে, সেখানে কারো দুঃখ-কষ্ট বা দুশ্চিন্তা স্পর্শ করবে না। তারপর আমরা নিজেদের স্থানে ফিরে আসব এবং নিজ নিজ স্ত্রীদের দেখা পাব। তারা তখন বলবে, মারহাবা, স্বাগতম! কি ব্যাপার! যে রূপ-সৌন্দর্য নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলে, তার চাইতে উত্তম সৌন্দর্য নিয়ে ফিরে এসেছ। আমরা বলব, আজ আমরা আমাদের আল্লাহ তা'আলার সাথে মাজলিসে বসেছিলাম। কাজেই এ পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে। আর এটাই ছিল স্বাভাবিক। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪৩৩৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এই হাদীস জেনেছি। সুয়াইদ ইবনু আমর আওযাঈর সূত্রে এই হাদীসের অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন।
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে যে বাজার আছে, তাতে নারী-পুরুষের প্রতিকৃতি ছাড়া আর কিছুর ক্রয়-বিক্রয় হবে না। যখন কেউ কোন প্রতিকৃতির আকাঙ্ক্ষা করবে, সঙ্গে সঙ্গে তা পেয়ে যাবে। যঈফ, মিশকাত (৫৬৪৬), যঈফা (১৯৮২) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
। জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা এক পূর্ণিমার রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি চাঁদের দিকে দৃষ্টিপাত করে বললেন; তোমাদেরকে খুব শীঘ্রই তোমাদের প্রভুর সামনে উপস্থিত করা হবে। তখন তোমরা অবাধে তার সাক্ষাৎ লাভ করবে, যেমনভাবে এই চাঁদকে দেখতে পাচ্ছে। তাকে দেখার মধ্যে কোন রকম সংশয় থাকবে না। তোমরা দুনিয়ার কাজে পরাভূত না হয়ে সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বের নামায অর্থাৎ- ফজর ও আসরের নামায আদায় কর। তারপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ “সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পরে তোমার প্রভুর সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর”— (সূরা কাফ ৩৯)। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৭৭), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
। সুহাইব (রাযিঃ) হতে আল্লাহ তা'আলার বাণী “যারা মঙ্গলজনক কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে মঙ্গল এবং আরো অধিক”— (সূরা ইউনুস ২৬) প্রসঙ্গে বর্ণিত। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশের পর একজন আহবানকারী (ফেরেশতা) ডেকে তারা (জান্নাতীরা) বলবে, তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাননি? ফেরেশতারা বলবেন, হ্যাঁ। তারপর পর্দা খুলে যাবে (এবং আল্লাহ তা'আলার সাক্ষাৎ সংঘটিত হবে)। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! তিনি মানুষকে তার সাক্ষাতের চেয়ে বেশি পছন্দনীয় ও আকাক্তিক্ষত কোন জিনিসই প্রদান করেননি। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৮৭), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) মুসনাদ ও মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সুলাইমান ইবনুল মুগীরা এই হাদীসটি সাবিত আল বুনানীর বরাতে আব্দুর রহমান ইবনু আবু লাইলার বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।