حَدَّثَنَا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا غِرْتُ عَلَى أَحَدٍ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا غِرْتُ عَلَى خَدِيجَةَ وَمَا بِي أَنْ أَكُونَ أَدْرَكْتُهَا وَمَا ذَاكَ إِلاَّ لِكَثْرَةِ ذِكْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَهَا وَإِنْ كَانَ لَيَذْبَحُ الشَّاةَ فَيَتَتَبَّعُ بِهَا صَدَائِقَ خَدِيجَةَ فَيُهْدِيهَا لَهُنَّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
حَدَّثَنَا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا غِرْتُ عَلَى أَحَدٍ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا غِرْتُ عَلَى خَدِيجَةَ وَمَا بِي أَنْ أَكُونَ أَدْرَكْتُهَا وَمَا ذَاكَ إِلاَّ لِكَثْرَةِ ذِكْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَهَا وَإِنْ كَانَ لَيَذْبَحُ الشَّاةَ فَيَتَتَبَّعُ بِهَا صَدَائِقَ خَدِيجَةَ فَيُهْدِيهَا لَهُنَّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
হাদিস 3876 — Jami At Tirmidhi 49:276
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا حَسَدْتُ أَحَدًا مَا حَسَدْتُ خَدِيجَةَ وَمَا تَزَوَّجَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ بَعْدَ مَا مَاتَتْ وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَشَّرَهَا بِبَيْتٍ فِي الْجَنَّةِ مِنْ قَصَبٍ لاَ صَخَبَ فِيهِ وَلاَ نَصَبَ . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . مِنْ قَصَبٍ قَالَ إِنَّمَا يَعْنِي بِهِ قَصَبَ اللُّؤْلُؤِ .
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, খাদীজাহ্ (রাযিঃ)-এর প্রতি আমি যতটা ঈর্ষা পোষণ করতাম অপর কোন নারীর প্রতি আমি ততটা ঈর্ষা পোষণ করিনি। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদীজার মৃত্যুবরণের পরই আমাকে বিয়ে করেছেন। আর ঈর্ষার কারণ এই ছিল যে, তিনি তার (খাদীজার) জন্য জান্নাতে এমন একটা মনি-মুক্তা খচিত সুরম্য প্রাসাদের সুখবর দিয়েছেন যাতে না আছে কোন হৈ-হুল্লোড় আর না আছে কোন কষ্টক্লেশ। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। দেখুন পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। মিন কাসাবিন অর্থ- মুক্তার ইট পাথর।
। আলী ইবনু আবী তলিব (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছিঃ খাদীজাহ বিনতু খুয়াইলিদ হলেন এই উন্মাতের নারীদের মাঝে শ্রেষ্ঠা। আর মারইয়াম বিনতু ইমরান ছিলেন (তৎকালীন উম্মাতের) নারীদের মাঝে শ্রেষ্ঠা। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস, ইবনু আব্বাস ও আয়িশাহ (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3878 — Jami At Tirmidhi 49:278
সহিহসহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ زَنْجُويَهْ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، رضى الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " حَسْبُكَ مِنْ نِسَاءِ الْعَالَمِينَ مَرْيَمُ ابْنَةُ عِمْرَانَ وَخَدِيجَةُ بِنْتُ خُوَيْلِدٍ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ وَآسِيَةُ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ .
। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সারা বিশ্বের নারীদের মধ্যে মারিয়াম বিনতু ইমরান, খাদীজাহ্ বিনতু খুয়াইলিদ, ফাতিমাহ বিনতু মুহাম্মাদ এবং ফিরআউনের স্ত্রী আসিয়াহ তোমার জন্য যথেষ্ট। সহীহঃ মিশকাত (৬১৮১)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, লোকেরা তাদের উপটৌকন প্রদানের জন্য আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর পালার দিনের অপেক্ষায় থাকত (যে দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট থাকেন)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমার সতীনেরা উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ)-এর কাছে মিলিত হয়ে বলেন, হে উম্মু সালামাহ! লোকেরা তাদের উপটৌকন আয়িশাহর পালার দিনে পেশ করার অপেক্ষায় থাকে। অথচ আমাদেরও কল্যাণ লাভের আকাংখা আছে, যেমন আয়িশাহর আছে। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আপনি বলুন, তিনি যেন লোকদের বলেন যে, তিনি যেখানেই থাকুন তারা যেন তাদের উপঢৌকন সেখানে পাঠিয়ে দেয়। উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বিষয়টি জানালে তিনি কোন ভ্রুক্ষেপ করলেন না। তিনি পুনরায় আগমন করার পর উম্মু সালামাহ্ বিষয়টি উত্থাপন করে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সতীনেরা আলোচনা করেছে যে, লোকেরা তাদের উপটৌকন আয়িশাহর জন্য নির্দিষ্ট দিনে আপনার নিকট পাঠিয়ে থাকে। সুতরাং আপনি তাদেরকে হুকুম করুন যে, আপনি যেখানেই থাকুন তারা যেন তাদের উপঢৌকন পাঠাতে থাকে। তিনি প্রসঙ্গটি তৃতীয়বার বললে তিনি বললেনঃ হে উম্মু সালামাহ! তুমি আয়িশাহর বিষয়ে আমাকে ব্যথিত করো না। কেননা আয়িশাহ ছাড়া তোমাদের মাঝে অপর কারো লেপের নীচে থাকা অবস্থায় আমার নিকট ওয়াহী আসেনি। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস কেউ কেউ হাম্মাদ ইবনু জাইদ হতে, তিনি হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে মুরসালরূপে রিওয়ায়াত করেছেন। এ হাদীস হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে, তিনি আওফ ইবনু হারিস হতে তিনি রুমাঈসাহ হতে, তিনি উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে এই সনদে আংশিক বর্ণিত হয়েছে। হাদীসটি হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে বর্ণিত হয়েছে এবং তাতে বিভিন্নরূপ মতপার্থক্য আছে। সুলাইমান ইবনু বিলাল (রাহঃ) হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে তিনি তার পিতা হতে, তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে, এই সুত্রে হাম্মাদ ইবনু যাইদের হাদীসের একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, জিবরীল (আঃ) একখানা সবুজ রংয়ের রেশমী কাপড়ে তার (‘আয়িশাহর) প্রতিচ্ছবি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে এসে বলেন, ইনি দুনিয়া ও আখিরাতে আপনার স্ত্রী। সহীহঃ বুখারী (৫১২৫, ৭০১১, ৭০১২), মুসলিম (৭/১৩৪), অনুরূপ আখিরাত শব্দ ব্যতীত। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আলকামার রিওয়ায়াত ছাড়া অপর কোনভাবে আমরা হাদীসটি প্রসঙ্গে জানি না। আবদুর রহমান ইবনু মাহদী এ হাদীস আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আলকামাহ হতে উক্ত সনদে মুরসালরূপে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তাতে আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর উল্লেখ করেননি। আবূ উসামাহ-হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে উক্ত হাদীসের আংশিক রিওয়ায়াত করেছেন।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! এই যে জিবরীল (আঃ), তোমাকে সালাম বলেছেন। আমি বললাম, তার প্রতিও সালাম, আল্লাহ তা'আলার রহমত ও কল্যাণ বর্ষিত হোক। যা আপনি দেখেন আমরা তা দেখতে পাই না। সহীহঃ যঈফাহ (৫৪৩৩) নং হাদীসের অধীনে, বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম বলেছেন। আমি বললাম, তার উপরও শান্তি ও আল্লাহ তা'আলার রহমত বর্ষিত হোক। সহীহঃ ২৬৯৩ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
। আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের– নিকট কোন হাদীসের অর্থ বুঝা কষ্টসাধ্য হলে আয়িশাহ (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করে তার নিকট এর সঠিক জ্ঞাত লাভ করেছি। সহীহঃ মিশকাত (৬১৮৫)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
। মূসা ইবনু ত্বালহা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর তুলনায় বেশি বিশুদ্ধভাষী আমি আর কাউকে দেখিনি। সহীহঃ মিশকাত (৬১৮৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।