। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব হতে অব্যাহতি গ্রহণ করছি। আমি যদি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তাহলে আবূ কুহাফার ছেলে আবূ বাকর সিদ্দীককেই বন্ধু বানাতাম। তোমাদের এই সাথী আল্লাহ তা'আলার অন্তরঙ্গ বন্ধু। সহীহঃ যঈফাহ ৩০৩৪ নং হাদীসের অধীনে, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবূ সাঈদ, আবূ হুরাইরাহ, ইবনুয যুবাইর ও ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাযিঃ) আমাদের নেতা, আমাদের মাঝে সবচাইতে উত্তম, আমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বেশি পছন্দনীয় ব্যক্তি। হাসানঃ মিশকাত (৬০১৮), বুখারী (৩৭৫৪) নং হাদীসে এর প্রথমাংশ উল্লেখ আছে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি সহীহ গারীব।
। আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মাঝে তার কাছে কে সর্বাধিক প্রিয় ছিলেন। তিনি বললেন, আবূ বাকর (রাযিঃ)। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তারপর কে? তিনি বললেন, উমর (রাযিঃ)। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তারপর কে? তিনি বললেন, আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তারপর কে? শাকীক (রহঃ) বলেন, এবার তিনি চুপ থাকলেন। সহীহঃ মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (জান্নাতে) সর্বোচ্চ সম্মাননায় আসীন লোকদেরকে অবশ্যই তাদের নীচের মর্যাদার লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আসমানের দিগন্তে উদিত তারকা দেখতে পাও। আবূ বাকর ও উমার তাদেরই দলভুক্ত, বরং আরো বেশি রহমত ও মর্যাদার অধিকারী। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৯৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীস আতিয়াহ হতে আবূ সাঈদ (রাযিঃ)-এর বরাতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 3659 — Jami At Tirmidhi 49:55
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي الْمُعَلَّى، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ يَوْمًا فَقَالَ " إِنَّ رَجُلاً خَيَّرَهُ رَبُّهُ بَيْنَ أَنْ يَعِيشَ فِي الدُّنْيَا مَا شَاءَ أَنْ يَعِيشَ وَيَأْكُلَ فِي الدُّنْيَا مَا شَاءَ أَنْ يَأْكُلَ وَبَيْنَ لِقَاءِ رَبِّهِ فَاخْتَارَ لِقَاءَ رَبِّهِ " . قَالَ فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَلاَ تَعْجَبُونَ مِنْ هَذَا الشَّيْخِ إِذْ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً صَالِحًا خَيَّرَهُ رَبُّهُ بَيْنَ الدُّنْيَا وَبَيْنَ لِقَاءِ رَبِّهِ فَاخْتَارَ لِقَاءَ رَبِّهِ . قَالَ فَكَانَ أَبُو بَكْرٍ أَعْلَمَهُمْ بِمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ بَلْ نَفْدِيكَ بِآبَائِنَا وَأَمْوَالِنَا . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا مِنَ النَّاسِ أَحَدٌ أَمَنَّ إِلَيْنَا فِي صُحْبَتِهِ وَذَاتِ يَدِهِ مِنِ ابْنِ أَبِي قُحَافَةَ وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلاً لاَتَّخَذْتُ ابْنَ أَبِي قُحَافَةَ خَلِيلاً وَلَكِنْ وُدٌّ وَإِخَاءُ إِيمَانٍ وُدٌّ وَإِخَاءُ إِيمَانٍ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا وَإِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ " وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ بِإِسْنَادٍ غَيْرِ هَذَا . وَمَعْنَى قَوْلِهِ أَمَنَّ إِلَيْنَا يَعْنِي أَمَنَّ عَلَيْنَا . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
। আবূল মুআল্লা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা (ভাষণ) দেবার সময় বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা তার এক বান্দাকে এই ইখতিয়ার দেন যে, সে যতদিন ইচ্ছা দুনিয়ায় জীবন যাপন করবে এবং দুনিয়ার নিয়ামাতরাজি যথেচ্ছা ভোগ করবে অথবা আল্লাহ তা'আলার সাথে মিলিত হবে। ঐ বান্দা আল্লাহ তা'আলার সাথে মিলিত হওয়াকেই ইখতিয়ার করেছে। রাবী বলেন, (এ কথা শুনে) আবূ বাকর (রাঃ) কেঁদে ফেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ বলেন, তোমরা কি এ বৃদ্ধের কাণ্ড দেখে অবাক হবে না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আল্লাহ্ তা'আলার এক পুণ্যবান বান্দা প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন, তাকে দুনিয়ার ভোগ-বিলাস ও আল্লাহ তা'আলার সান্নিধ্য অর্জন, এ দু'টির যে কোন একটি গ্রহণের ইখতিয়ার দিয়েছেন তখন সে বান্দা তার রবের সান্নিধ্য অর্জনকেই ইখতিয়ার করেছেন (এতে কান্নার কি আছে)। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন, তার তাৎপর্য বুঝার ব্যাপারে আবূ বাকর (রাঃ)-ই ছিলেন তাদের মধ্যে বেশি জ্ঞানী। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, বরং আমরা আমাদের পিতা-মাতা ও আমাদের ধন-সম্পদ আপনার জন্য উৎসর্গ করব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ লোকদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে নিজের সাহচর্য ও নিজস্ব সম্পদ দিয়ে ইবনু আবূ কুহাফার চাইতে অধিক আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছে। যদি আমি আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে ইবনু আবূ কুহাফাকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু বড় বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব হচ্ছে ঈমানের (বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব)। এ কথা তিনি দুই অথবা তিনবার বলেন। তোমরা জেনে রাখ! তোমাদের সাথী (মহানবী) আল্লাহ্ তা'আলার একনিষ্ঠ বন্ধু। সনদ দুর্বল এ অনুচ্ছেদে আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মসজিদে নববীর) মিম্বারে বসে বললেনঃ আল্লাহ তার এক বান্দাকে দুনিয়ার ভোগবিলাস ও আল্লাহ তা'আলার কাছে রক্ষিত ভোগবিলাস এ দুইয়ের মাঝে যে কোন একটি গ্রহণ করার এখতিয়ার দান করলে ঐ বান্দা আল্লাহ তা'আলার কাছে রক্ষিত ভোগবিলাসকে এখতিয়ার করেছেন। তখন আবূ বাকর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জন্য আমাদের বাবা-মা উৎসর্গিত হোক। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা (তার কথায়) বিস্মিত হলাম এবং লোকেরা বলল, এই বৃদ্ধ লোকের প্রতি খেয়াল কর, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বান্দা প্রসঙ্গে সংবাদ দিচ্ছেন যে, তাকে আল্লাহ তা'আলা এখতিয়ার দিয়েছেন যে, তিনি ইচ্ছা করলে আল্লাহ তা'আলা তাকে দুনিয়ার ভোগ সামগ্ৰীও দান করতে পারেন কিংবা তিনি ইচ্ছা করলে আল্লাহ তা'আলার নিকট তাকে রক্ষিত ভোগসামগ্ৰীও দান করতে পারেন। অথচ এই লোক বলছেন, আপনার জন্য আমাদের বাবা-মাকে উৎসর্গ করলাম! সেই এখতিয়ারপ্রাপ্ত বান্দা হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আর আবূ বাকর (রাযিঃ) আমাদের মাঝে, তার প্রসঙ্গে সবচেয়ে অধিক জ্ঞানী। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকদের মাঝে স্বীয় মাল ও সাহচর্য দিয়ে আমার প্রতি সবচাইতে উপকার (কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ) করেছেন আবূ বকর। আমি যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে একনিষ্ঠ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে আবূ বাকরকেই একনিষ্ঠ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু ইসলামী ভ্রাতৃত্বই যথেষ্ট। মসজিদে আবূ বাকরের দ্বার (বা জানালা) ছাড়া আর কোন দ্বার (বা জানালা) বাকি থাকবে না। সহীহঃ বুখারী (৩৬৫৪), মুসলিম (৭/১০৮)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবূ বাকর ছাড়া আর কারো যে কোন ধরনের দয়া আমার উপর ছিল আমি তার প্রতিদান দিয়েছি। আমার উপর তার যে দয়া রয়েছে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তাকে তার প্রতিদান দিবেন। আর আমাকে কারো সম্পদ এতটা উপকৃত করেনি, যতটা আবু বাকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে। আমি যদি কাউকে অন্তরঙ্গভাবে গ্রহণ করতাম, তাহলে আবূ বকরকেই একনিষ্ঠ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। অবগত হও! তোমাদের এই সাথী আল্লাহ তা'আলার অন্তরঙ্গ বন্ধু। যঈফঃ তবে “কারো সম্পদ আমাকে এতটা উপকার করেনি....” শেষ পর্যন্ত সহীহঃ তাখরাজু মুশকিলাতিল ফাকর (১৩)। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান গারীব।
। হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার পরে আবূ বাকর ও উমারের অনুসরণ করবে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৯৭)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীস সুফইয়ান সাওরী-আবদুল মালিক ইবনু উমাইর হতে, তিনি রিবাঈর আযাদকৃত গোলাম হতে তিনি, রিব’ঈ হতে, তিনি হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে রিওয়ায়াত করেছেন। আহমাদ ইবনু মানী' প্রমুখ-সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে, তিনি আবদুল মালিক ইবনু উমাইর (রাহঃ) হতে পূর্বোক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসে সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ নিজ শাইখের নাম গোপন (তাদলীস) করেছেন। অতএব কখনও তিনি বর্ণনা করেছেন যাইদা-মালিক ইবনু উমাইর হতে, আবার কখনো যাইদার নাম উল্লেখ করেননি। ইবরাহীম ইবনু সা'দ এ হাদীস সুফইয়ান সাওরী হতে, তিনি আবদুল মালিক ইবনু উমাইর হতে, তিনি রিব’ঈর মুক্তিপ্রাপ্ত দাস হতে, তিনি রিব’ঈ হতে, তিনি হুযাইফাহ (রাযিঃ) হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি সালিম আল-আন উমী রিবাঈ হতে, তিনি হুযাইফাহ হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3663 — Jami At Tirmidhi 49:59
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي الْعَلاَءِ الْمُرَادِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ هَرِمٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، رضى الله عنه قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنِّي لاَ أَدْرِي مَا بَقَائِي فِيكُمْ فَاقْتَدُوا بِاللَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي " . وَأَشَارَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ .
। হুযাইফাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আমরা অবস্থান করছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের মাঝে আমি আর কত দিন বেঁচে থাকব তা আমার জানা নেই। অতএব তোমরা আমার অবর্তমানে দু'জন লোকের অনুসরণ করবে- এ কথা বলে তিনি আবূ বাকর ও উমার (রাযিঃ)-এর দিকে ইশারা করলেন। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।
। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর ও উমার (রাযিঃ) প্রসঙ্গে বলেছেনঃ এরা দু’জন নবী-রাসূলগণ ছাড়া পূর্বাপর জান্নাতের সকল বয়স্কদের নেতা হবেন। সহীহঃ দেখুন পরবর্তী হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান গারীব।