Qurani·قرآني
বাংলা

শিকারের অধ্যায়

29 হাদিস · #1464–1492

হাদিস 1474 — Jami At Tirmidhi 18:13
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ وَهْبٍ أَبِي خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَتْنِي أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ الْعِرْبَاضِ، وَهُوَ ابْنُ سَارِيَةَ عَنْ أَبِيهَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ لُحُومِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السَّبُعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنَ الطَّيْرِ وَعَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ وَعَنِ الْمُجَثَّمَةِ وَعَنِ الْخَلِيسَةِ وَأَنْ تُوطَأَ الْحَبَالَى حَتَّى يَضَعْنَ مَا فِي بُطُونِهِنَّ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى سُئِلَ أَبُو عَاصِمٍ عَنِ الْمُجَثَّمَةِ قَالَ أَنْ يُنْصَبَ الطَّيْرُ أَوِ الشَّىْءُ فَيُرْمَى ‏.‏ وَسُئِلَ عَنِ الْخَلِيسَةِ فَقَالَ الذِّئْبُ أَوِ السَّبُعُ يُدْرِكُهُ الرَّجُلُ فَيَأْخُذُهُ مِنْهُ فَيَمُوتُ فِي يَدِهِ قَبْلَ أَنْ يُذَكِّيَهَا ‏.‏
। উম্মু হাবীবা বিনতু ইরবায ইবনু সারিয়া (রহঃ) হতে তার বাবার সুত্রে বর্ণিত আছে, খাইবার যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নের পশুগুলো খাওয়া অবৈধ ঘোষণা করেছেনঃ শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু, নখর ও থাবাযুক্ত হিংস্র পাখি, গৃহপালিত গাধা, মুজাসসামা এবং খালীসা। তিনি (সদ্য হস্তগত) গর্ভবতী বাদীর সাথে সন্তান প্রসব না করা পর্যন্ত সহবাস করতেও বারণ করেছেন। সহীহ, খালীসা ব্যতীত অন্যগুলি পৃথক পৃথকভাবে সহীহ, সহীহা (৪/২৩৮-২৩৯), (১৬৭৩), (২৩৫৮), (২৩৯১), ইরওয়া (২৪৮৮), সহীহ আবূ দাউদ (১৮৮৩, ২৫০৭) মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া বলেন, মুজাসসামার ব্যাপারে আবূ আসিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে পাখি অথবা পশুকে চাদমারির নিশানা বানিয়ে তীর ছুড়ে মেরে ফেলা হয় তাকে মুজাসসামা’ বলে। ‘খালীসা’ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাঘ অথবা কোন হিংস্র পশু কোন প্রাণী ধরে নিলে কোন মানুষ তা ছিনিয়ে আনল, কিন্তু তা যবেহ করার আগেই তার হাতে মারা গেলে এটাকে ‘খালীসা’ বলে।
হাদিস 1475 — Jami At Tirmidhi 18:14
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُتَّخَذَ شَيْءٌ فِيهِ الرُّوحُ غَرَضًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন জীবন্ত পশুকে তীর ছুড়ে মারার জন্য লক্ষ্যবস্তু (চাদমারি) বানাতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৮৭), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করার কথা বলেছেন।
হাদিস 1476 — Jami At Tirmidhi 18:15
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَأَبُو الْوَدَّاكِ اسْمُهُ جَبْرُ بْنُ نَوْفٍ ‏.‏
। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জানীন (গর্ভস্থ ভ্রুণ)-এর মাকে যবেহ করাই এর জন্য যথেষ্ট। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৯৯) জাবির, আবূ উমামা, আবূদ দারদা ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এই মত ব্যক্ত করেছেন (গর্ভবতী পশু যবেহ করলে তার গর্ভস্থ বাচ্চা আলাদা করে যবেহ করার দরকার হবে না)। আবূল ওয়াদাক-এর নাম জাবর, পিতা নাওফ।
হাদিস 1477 — Jami At Tirmidhi 18:16
সহিহসহিহহাসান Sahih
হাদিস 1478 — Jami At Tirmidhi 18:18
সহিহসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ حَرَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - يَعْنِي يَوْمَ خَيْبَرَ - الْحُمُرَ الإِنْسِيَّةَ وَلُحُومَ الْبِغَالِ وَكُلَّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ وَذِي مِخْلَبٍ مِنَ الطَّيْرِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, খাইবারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম ঘোষণা করেছেন গৃহপালিত গাধা, খচ্চরের গোশত, প্রত্যেক শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু এবং পাঞ্জাধারী শিকারী পাখিকে (খাওয়াকে)। সহীহ, ইরওয়া (৮/১৩৮) আবূ হুরাইরা, ইরবায ইবনু সারিয়া ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।
হাদিস 1479 — Jami At Tirmidhi 18:19
হাসান Sahihহাসান SahihহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَرَّمَ كُلَّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক শিকারী দাঁতওয়ালা হিংস্র পশু (খাওয়া) অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৩৩), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীস অনুসারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। এই কথা বলেছেন, (এসব পশুর গোশত হারাম) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও।
হাদিস 1480 — Jami At Tirmidhi 18:20
সহিহসহিহহাসান
হাদিস 1481 — Jami At Tirmidhi 18:22
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، ح وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْعُشَرَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمَا تَكُونُ الذَّكَاةُ إِلاَّ فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ قَالَ ‏ "‏ لَوْ طَعَنْتَ فِي فَخِذِهَا لأَجْزَأَ عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ قَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ هَذَا فِي الضَّرُورَةِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيِبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُ لأَبِي الْعُشَرَاءِ عَنْ أَبِيهِ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ وَاخْتَلَفُوا فِي اسْمِ أَبِي الْعُشَرَاءِ فَقَالَ بَعْضُهُمُ اسْمُهُ أُسَامَةُ بْنُ قِهْطِمٍ وَيُقَالُ اسْمُهُ يَسَارُ بْنُ بَرْزٍ وَيُقَالُ ابْنُ بَلْزٍ وَيُقَالُ اسْمُهُ عُطَارِدٌ نُسِبَ إِلَى جَدِّهِ ‏.‏
। আবূল উশারা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (পিতা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। যবেহ কি শুধু কণ্ঠনালী ও বক্ষস্থলের উপরিভাগেই (কণ্ঠনালীর শুরু এবং শেষ অংশের মধ্যবর্তী স্থানে) করতে হবে? তিনি বললেনঃ তুমি যদি তার উরুতে আঘাত করতে পার তবে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩১৮৪) আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হারূন বলেছেন, উরুতে যবেহ করা শুধুমাত্র জরুরী অবস্থায় প্রযোজ্য। এ অনুচ্ছেদে রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। হাম্মাদ ইবনু সালামার সূত্রেই শুধুমাত্র আমরা এ হাদীস জেনেছি। আবূল উশারা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত উপরোক্ত হাদীস ব্যতীত আর কোন হাদীস বর্ণিত আছে কি না তা আমাদের জানা নেই। বিশেষজ্ঞগণ আবূল উশারার নামে মতভেদ করেছেন। কেউ বলেছেন তার নাম উসামা ইবনু কিহতাম, তিনি আবার ইয়াসার ইবনু বারয বা ইবনু বালয বলেও কথিত। ভিন্নমতে তার নাম উতারিদ, তার দাদার সাথে সম্পর্কিত।
হাদিস 1482 — Jami At Tirmidhi 18:23
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَتَلَ وَزَغَةً بِالضَّرْبَةِ الأُولَى كَانَ لَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً فَإِنْ قَتَلَهَا فِي الضَّرْبَةِ الثَّانِيَةِ كَانَ لَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً فَإِنْ قَتَلَهَا فِي الضَّرْبَةِ الثَّالِثَةِ كَانَ لَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَسَعْدٍ وَعَائِشَةَ وَأُمِّ شَرِيكٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রথম আঘাতেই যে লোক একটি গিরগিটি (টিকটিকি) মারতে পারে তার জন্য এই এই পরিমাণ সাওয়াব। সে এটাকে দ্বিতীয় আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য এই এই পরিমাণ সাওয়াব। সে তা তৃতীয় আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য এত এত সাওয়াব। সহীহ, মুসলিম (৭/৪২) ইবনু মাসউদ, সা’দ, আইশা ও উম্মু শারীক (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
হাদিস 1483 — Jami At Tirmidhi 18:24
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اقْتُلُوا الْحَيَّاتِ وَاقْتُلُوا ذَا الطُّفْيَتَيْنِ وَالأَبْتَرَ فَإِنَّهُمَا يَلْتَمِسَانِ الْبَصَرَ وَيُسْقِطَانِ الْحَبَلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَعَائِشَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِي لُبَابَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى بَعْدَ ذَلِكَ عَنْ قَتْلِ حَيَّاتِ الْبُيُوتِ وَهِيَ الْعَوَامِرُ وَيُرْوَى عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَيْضًا ‏.‏ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ إِنَّمَا يُكْرَهُ مِنْ قَتْلِ الْحَيَّاتِ قَتْلُ الْحَيَّةِ الَّتِي تَكُونُ دَقِيقَةً كَأَنَّهَا فِضَّةٌ وَلاَ تَلْتَوِي فِي مِشْيَتِهَا ‏.‏
। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাপ মার। পিঠে দু'টি দাগ বিশিষ্ট সাপ ও লেজকাটা সাপকে তোমরা মেরে ফেল। কেননা এ দু'টি সাপ দৃষ্টিশক্তি ধ্বংস করে এবং (মহিলাদের) গর্ভপাত ঘটায়। সহীহ, নাসা-ঈ ইবনু মাসউদ, আইশা, আবূ হুরাইরা ও সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ লুবাবা (রাঃ)-এর সূত্রে ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, “পরবর্তীতে ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন"। এ ধরণের সাপকে ‘আওয়ামির' বলা হয়। এ সম্পর্কিত হাদীস যাইদ ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতেও ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, হালকা ধরণের সাদা সাপ যা চলার সময় কুঁকড়ায় না তা মারা নিষিদ্ধ।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।