Qurani·قرآني
বাংলা

নামাযের অধ্যায়

303 হাদিস · #149–451

হাদিস 409 — Jami At Tirmidhi 2:262
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَأَصَابَنَا مَطَرٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ شَاءَ فَلْيُصَلِّ فِي رَحْلِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَسَمُرَةَ وَأَبِي الْمَلِيحِ عَنْ أَبِيهِ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَخَّصَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الْقُعُودِ عَنِ الْجَمَاعَةِ وَالْجُمُعَةِ فِي الْمَطَرِ وَالطِّينِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ يَقُولُ رَوَى عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ حَدِيثًا ‏.‏ وَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ لَمْ نَرَ بِالْبَصْرَةِ أَحْفَظَ مِنْ هَؤُلاَءِ الثَّلاَثَةِ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ وَابْنِ الشَّاذَكُونِيِّ وَعَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ ‏.‏ وَأَبُو الْمَلِيحِ اسْمُهُ عَامِرٌ وَيُقَالُ زَيْدُ بْنُ أُسَامَةَ بْنِ عُمَيْرٍ الْهُذَلِيُّ ‏.‏
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমাদেরকে বৃষ্টিতে পেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার ইচ্ছা নিজের হাওদার মধ্যে নামায আদায় করে নিতে পারে। -সহীহ। ইরওয়া- (২/৩৪০, ৩৪১), সহীহ আবু দাউদ- (৯৭৬)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, সামুরা, আবুল মালীহ নিজ পিতার সূত্রে ও আবদুর রহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিদ্বানগণ বৃষ্টি ও কাদা মাটির কারণে জামা'আত ছেড়ে ঘরে নামায আদায়ের সম্মতি দিয়েছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। আবু যুর'আহ বলেন, 'আফফান ইবনু মুসলিম (রহঃ) আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ)-এর সূত্রে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু যুর'আ আরো বলেন, আমি বসরায় আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনুশ শাযাকুনী ও আমর ইবনু আলী (রহঃ)-এর চেয়ে বড় হাফিজে হাদীস দেখিনি।
হাদিস 410 — Jami At Tirmidhi 2:263
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ الْبَصْرِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، وَعِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَاءَ الْفُقَرَاءُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الأَغْنِيَاءَ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَلَهُمْ أَمْوَالٌ يُعْتِقُونَ وَيَتَصَدَّقُونَ قَالَ ‏"‏ فَإِذَا صَلَّيْتُمْ فَقُولُوا سُبْحَانَ اللَّهِ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ مَرَّةً وَالْحَمْدُ لِلَّهِ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ مَرَّةً وَاللَّهُ أَكْبَرُ أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ مَرَّةً وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ عَشْرَ مَرَّاتٍ فَإِنَّكُمْ تُدْرِكُونَ بِهِ مَنْ سَبَقَكُمْ وَلاَ يَسْبِقُكُمْ مَنْ بَعْدَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ وَأَنَسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَابْنِ عُمَرَ وَأَبِي ذَرٍّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ أَيْضًا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَالْمُغِيرَةِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ خَصْلَتَانِ لاَ يُحْصِيهِمَا رَجُلٌ مُسْلِمٌ إِلاَّ دَخَلَ الْجَنَّةَ يُسَبِّحُ اللَّهَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاَةٍ عَشْرًا وَيَحْمَدُهُ عَشْرًا وَيُكَبِّرُهُ عَشْرًا وَيُسَبِّحُ اللَّهَ عِنْدَ مَنَامِهِ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَيَحْمَدُهُ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَيُكَبِّرُهُ أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, গরীব সাহাবাগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এলেন। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ধনীরা আমাদের মত নামায আদায় করে এবং রোযা রাখে। তাদের সম্পদ আছে, তারা দাস আযাদ করতে পারে এবং দান-খায়রাত করতে পারে। তিনি বললেনঃ যখন তোমরা নামায আদায় করবে তখন (নামায শেষে) তেত্রিশ বার "সুবহানাল্লাহ' তেত্রিশবার "আলহামদু লিল্লাহ,” চৌত্রিশ বার “আল্লাহু আকবার" এবং দশবার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" পাঠ করবে। যারা (সাওয়াবের ক্ষেত্রে) তোমাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে এর দ্বারা তোমরা তাদেরকে ধরে ফেলতে পারবে না। সনদ দুর্বল, তালীকুর রাগীব (২২৬০), তাহলীলের অংশটুকু মুনকার এ অনুচ্ছেদে কাব ইবনু উজরা, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, যাইদ ইবনু সাবিত, আবূ দারদা, ইবনু উমার আবূ যার, আবূ হুরাইরা ও মুগীরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান গারীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ দুটি বৈশিষ্ট্য যে মুসলিমের মধ্যে পাওয়া যাবে সে জান্নাতে যাবে। তার একটি হল, প্রতি ওয়াক্তের নামাযের পর দশবার “সুবহানাল্লাহ,” দশবার "আলহামদু লিল্লাহ" এবং চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা। দ্বিতীয়টি হল, শোয়ার সময় তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ" তেত্রিশবার "আলহামদুলিল্লাহ" এবং চৌত্রিশবার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা।
হাদিস 411 — Jami At Tirmidhi 2:264
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الرَّمَّاحِ الْبَلْخِيُّ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ بْنِ يَعْلَى بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُمْ كَانُوا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي مَسِيرٍ فَانْتَهَوْا إِلَى مَضِيقٍ وَحَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَمُطِرُوا السَّمَاءُ مِنْ فَوْقِهِمْ وَالْبِلَّةُ مِنْ أَسْفَلَ مِنْهُمْ فَأَذَّنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى رَاحِلَتِهِ وَأَقَامَ - أَوْ أَقَامَ - فَتَقَدَّمَ عَلَى رَاحِلَتِهِ فَصَلَّى بِهِمْ يُومِئُ إِيمَاءً يَجْعَلُ السُّجُودَ أَخْفَضَ مِنَ الرُّكُوعِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ تَفَرَّدَ بِهِ عُمَرُ بْنُ الرَّمَّاحِ الْبَلْخِيُّ لاَ يُعْرَفُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِهِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ وَكَذَلِكَ رُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ صَلَّى فِي مَاءٍ وَطِينٍ عَلَى دَابَّتِهِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏
। 'আমর ইবনু উসমান ইবনু ইয়ালা ইবনু মুররাহ (রাযিঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। একবার তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে সফরে ছিলেন। তারা একটি সংকীর্ণ স্থান গিয়ে পৌছালো। নামাযের ওয়াক্ত এসে গেল। উপর থেকে আকাশ বৃষ্টিবৰ্ষণ করছিল এবং নীচে ছিল কর্দমাক্ত মাটি। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্তুযান থেকে আযান দিলেন এবং ইকামাত বললেন অথবা শুধু ইকামাত দিলেন। তিনি আপন সওয়ারীসহ সামনে আগালেন এবং তাদের নামায আদায় করালেন। তিনি ইশারায় রুকূ’ সিজদা করলেন এবং রুকূ’র চেয়ে সিজদায় বেশি ঝুঁকলেন। (সনদ দুর্বল) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি গারীব। কেননা এক পর্যায়ে উমর ইবনু রিমাহ আল-বলখী একা বর্ণনা করেছেন। অবশ্য তার নিকট হতে অনেকেই বর্ণনা করেছেন। এমনিভাবে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, "তিনি পানি কাদার সময় বাহনের পিঠে নামায আদায় করেছেন। বিশেষজ্ঞগণ বাহনের পিঠে বসে নামায আদায় করা জায়িয বলেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন।
হাদিস 412 — Jami At Tirmidhi 2:265
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَبِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى انْتَفَخَتْ قَدَمَاهُ فَقِيلَ لَهُ أَتَتَكَلَّفُ هَذَا وَقَدْ غُفِرَ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ قَالَ ‏ "‏ أَفَلاَ أَكُونُ عَبْدًا شَكُورًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। মুগীরা ইবনু শুবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত সময় ধরে নামায আদায় করলেন যে, তার পা দুটি ফুলে উঠল। তাকে বলা হল, আপনি এতো কষ্ট করছেন, অথচ আপনার পূর্বাপর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে! তিনি বললেনঃ আমি কি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হব না। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১৪১৯, ১৪২০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ মুগীরা ইবনু শু’বার হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 413 — Jami At Tirmidhi 2:266
সহিহসহিহহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ قَبِيصَةَ، قَالَ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَقُلْتُ اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي جَلِيسًا صَالِحًا ‏.‏ قَالَ فَجَلَسْتُ إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ فَقُلْتُ إِنِّي سَأَلْتُ اللَّهَ أَنْ يَرْزُقَنِي جَلِيسًا صَالِحًا فَحَدِّثْنِي بِحَدِيثٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَنْفَعَنِي بِهِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عَمَلِهِ صَلاَتُهُ فَإِنْ صَلُحَتْ فَقَدْ أَفْلَحَ وَأَنْجَحَ وَإِنْ فَسَدَتْ فَقَدْ خَابَ وَخَسِرَ فَإِنِ انْتَقَصَ مِنْ فَرِيضَتِهِ شَيْءٌ قَالَ الرَّبُّ عَزَّ وَجَلَّ انْظُرُوا هَلْ لِعَبْدِي مِنْ تَطَوُّعٍ فَيُكَمَّلَ بِهَا مَا انْتَقَصَ مِنَ الْفَرِيضَةِ ثُمَّ يَكُونُ سَائِرُ عَمَلِهِ عَلَى ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَدْ رَوَى بَعْضُ أَصْحَابِ الْحَسَنِ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ حُرَيْثٍ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ وَالْمَشْهُورُ هُوَ قَبِيصَةُ بْنُ حُرَيْثٍ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوُ هَذَا ‏.‏
। হুরাইস ইবনু কাবীসা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম এবং বললাম, “হে আল্লাহ! আমাকে একজন নেককার সহযোগী দান কর।” রাবী বলেন, আমি আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর নিকট অবস্থান করলাম। আমি (তাকে) বললাম, আমি আল্লাহ তা'আলার নিকট একজন উত্তম সহযোগী চাইলাম। অতএব আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শুনেছেন এমন একটি হাদীস আমাকে বলুন। আশা করা যায় আল্লাহ তা'আলা আমাকে এর মাধ্যমে কল্যাণ দিবেন। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন বান্দার কাজসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেয়া হবে। যদি (নিয়মিতভাবে) ঠিকমত নামায আদায় করা হয়ে থাকে তবে সে নাজাত পাবে এবং সফলকাম হবে। যদি নামায নষ্ট হয়ে থাকে তবে সে ব্যর্থ ও বিপর্যস্ত হবে। যদি ফরয নামাযের মধ্যে কিছু কমতি হয়ে থাকে তবে মহান আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ দেখ, বান্দার কোন নফল নামায আছে কি না। থাকলে তা দিয়ে ফরযের এ ঘাটতি পূরণ করা হবে। তারপর সকল কাজের বিচার পালাক্রমে এভাবে করা হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৪২৫, ১৪২৬)। এ অনুচ্ছেদে তামীম আদ-দারী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি উপরোক্ত সূত্রে হাসান গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। হাসানের কোন কোন সঙ্গী হাসানের সূত্রে কাবীসা ইবনু হুরাইস হতে অন্য হাদীস বর্ণনা করেছেন। আনাস ইবনু হাকীমের সূত্রে ও আবু হুরাইরা হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 414 — Jami At Tirmidhi 2:267
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ ثَابَرَ عَلَى ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ السُّنَّةِ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي مُوسَى وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَمُغِيرَةُ بْنُ زِيَادٍ قَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সবসময় বার রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। এ সুন্নাতগুলো হল, যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত ও পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের (ফরযের) পর দুই রাকাআত, ইশার (ফরযের) পর দুই রাকাআত এবং ফযরের (ফরযের) পূর্বে দুই রাকাআত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪০)। এ অনুচ্ছেদে উম্মু হাবীবা, আবু হুরাইরা, আবু মূসা ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উল্লেখিত সনদে আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি গারীব। একদল বিশেষজ্ঞ মুগীরা ইবনু যিয়াদের স্মরণশক্তির (দুর্বলতার) সমালোচনা করেছেন।
হাদিস 415 — Jami At Tirmidhi 2:268
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ، - هُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْفَجْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ عَنْبَسَةَ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَنْبَسَةَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏
। উম্মু হাবীবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দিন রাতে বার রাক'আত নামায আদায় করবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। যুহরের নামাযের পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত, মাগরিবের নামাযের পরে দুই রাকাআত, ইশার নামাযের পরে দুই রাকাআত এবং ভোরের ফজরের নামাযের পূর্বে দুই রাকাআত। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪১)। আবু ঈসা বলেনঃ আনবাসার সূত্রে উম্মু হাবীবার হাদীসটি হাসান সহীহ। আনবাসা হতে অন্য সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 416 — Jami At Tirmidhi 2:269
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيِّ حَدِيثَ عَائِشَةَ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের দুই রাক’আত (সুন্নাত) নামায দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম। —সহীহ। ইরওয়া— (৪৩৭), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল সালিহ ইবনু আবদিল্লাহর সূত্রে আয়িশাহ হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 417 — Jami At Tirmidhi 2:270
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، وَأَبُو عَمَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَمَقْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم شَهْرًا فَكَانَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ بِـْ ‏:‏ ‏(‏يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ‏)‏ وَ ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ‏)‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَأَنَسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحَفْصَةَ وَعَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ وَلاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ الثَّوْرِيِّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي أَحْمَدَ وَالْمَعْرُوفُ عِنْدَ النَّاسِ حَدِيثُ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي أَحْمَدَ عَنْ إِسْرَائِيلَ هَذَا الْحَدِيثُ أَيْضًا ‏.‏ وَأَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ ثِقَةٌ حَافِظٌ ‏.‏ قَالَ سَمِعْتُ بُنْدَارًا يَقُولُ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَحْسَنَ حِفْظًا مِنْ أَبِي أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيِّ ‏.‏ وَأَبُو أَحْمَدَ اسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ الْكُوفِيُّ الأَسَدِيُّ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি এক মাস পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পর্যবেক্ষণ করলাম। তিনি ফজরের (ফরযের) পূর্বের দুই রাকাআতে সূরা 'কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন ও কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪৯)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আনাস, আবু হুরাইরা, ইবনু আব্বাস, হাফসা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান। আমরা উল্লেখিত হাদীসটি সুফিয়ান সাওরী হতে আবু ইসহাকের সূত্রে আবু আহমাদ ছাড়া অন্য কারো নিকট থেকে পাইনি। লোকদের নিকট ইসরাঈল হতে আবু ইসহাকের সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি বেশি পরিচিত। ইসরাঈল হতে আবু আহমদের সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবু আহমাদ নির্ভরযোগ্য হাফিজ। বুনদার বলেন, আবূ আহমাদ আয যুবাইরীর চেয়ে উত্তম স্মৃতিসম্পন্ন আর কাউকে দেখিনি। আবু আহমাদের নাম মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আয্‌-যুবাইর আল-কূফী আল-আসাদী।
হাদিস 418 — Jami At Tirmidhi 2:271
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ إِلَىَّ حَاجَةٌ كَلَّمَنِي وَإِلاَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ كَرِهَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمُ الْكَلاَمَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ حَتَّى يُصَلِّيَ صَلاَةَ الْفَجْرِ إِلاَّ مَا كَانَ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ أَوْ مِمَّا لاَ بُدَّ مِنْهُ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করতেন, তারপর আমার সাথে কথা বলার দরকার হলে কথা বলতেন, নতুবা নামাযের জন্য মসজিদে চলে যেতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৪৭, ১১৪৮), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন কোন সাহাবা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর হতে নামায আদায়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে কথাবার্তা বলা মাকরূহ বলেছেন। হ্যাঁ আল্লাহর যিকির ও অতি প্রয়োজনীয় কথা বলা যেতে পারে। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।