। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দুই রাকাআত (সুন্নাত) নামায ব্যতীত আর কোন নামায নেই। উল্লেখিত হাদীসের অর্থ হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত নামায ছাড়া ফজরের ফরয নামাযের আগে সুবহি সাদিক শুরু হওয়ার পর আর কোন নামায নেই। --সহীহ। ইরওয়া- (৪৭৮), সহীহ আবু দাউদ- (১১৫৯)। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও হাফসা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু মাত্র কুদামা ইবনু মূসার সূত্রেই হাদীসটি জেনেছি। ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ফরয নামাযের আগে দুই রাকাআত সুন্নাত ব্যতীত অন্য কোন নামায আদায় করা মাকরূহ। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিন্নমত রয়েছে।
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করে তখন সে যেন ডান কাতে একটু শুয়ে নেয়। -সহীহ। মিশকাত- (১২০৬), সহীহ আবু দাউদ- (১১৪৬)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا صَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فِي بَيْتِهِ اضْطَجَعَ عَلَى يَمِينِهِ আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নিজের ঘরে ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করতেন তখন ডান কাতে শুয়ে নিতেন।" - কোন কোন বিদ্বান এটাকে মুস্তাহাব বলেছেন।
হাদিস 421 — Jami At Tirmidhi 2:274
সহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ صَلاَةَ إِلاَّ الْمَكْتُوبَةُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ بُحَيْنَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَهَكَذَا رَوَى أَيُّوبُ وَوَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ وَزِيَادُ بْنُ سَعْدٍ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ فَلَمْ يَرْفَعَاهُ . وَالْحَدِيثُ الْمَرْفُوعُ أَصَحُّ عِنْدَنَا . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ أَنْ لاَ يُصَلِّيَ الرَّجُلُ إِلاَّ الْمَكْتُوبَةَ . وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ رَوَاهُ عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيُّ الْمِصْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا .
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হয় তখন ফরয নামায ছাড়া অন্য কোন নামায নেই। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫১), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু বুহাইনা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস, ইবনু আব্বাস ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান। আইউব, ওয়ারাকা ইবনু উমার, যিয়াদ ইবনু সা’দ, ইসমাঈল ইবনু মুসলিম এবং মুহাম্মাদ ইবনু জুহাদা সম্মিলিতভাবে এ হাদীসটি আমর ইবনু দীনার হতে, তিনি আতা হতে, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবনু যায়িদ ও সুফিয়ান ইবনু উআইনা তাদের সনদ পরম্পরায় আমর ইবনু দীনার-এর সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তারা মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেননি। তবে মারফু' হিসাবে বর্ণিত হাদীসটিই আমাদের মতে বেশি সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেছেন, নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হলে কোন ব্যক্তিই ফরয নামায ব্যতীত অন্য কোন নামায আদায় করবে না। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন। আরো কয়েকটি সূত্রে আবু হুরাইরার নিকট হতে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। 'আইয়্যাশ ইবনু আব্বাস আবু সালামা হতে তিনি আবু হুরাইরা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
। মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম হতে তার দাদা কাইস (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (কাইস) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজের ঘর হতে) বেরিয়ে আসলেন, অতঃপর নামাযের ইকামাত দেওয়া হল। আমি তার সাথে নামায আদায় করলাম। নামায হতে অবসর হয়ে তিনি আমাকে নামাযরত অবস্থায় দেখলেন। তিনি বললেনঃ হে কাইস, থামো! তুমি কি দুই নামায একত্রে আদায় করছ? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নাত) আদায় করতে পারিনি। তিনি বললেনঃ তাহলে কোন দোষ নেই (পড়ে নাও)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫১)। আবু ঈসা বলেনঃ সা’দ ইবনু সাঈদের হাদীসের মাধ্যমেই কেবল আমরা মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীমের হাদীসটি এভাবে জেনেছি। সুফিয়ান ইবনু উআইনা বলেন, আতা ইবনু আবু রাবাহ এ হাদীসটি সা’দ ইবনু সাঈদের নিকট শুনেছেন। এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। মক্কাবাসী আলিমদের একদল ফরয নামাযের পর সূর্য উঠার পূর্বে ফাওত হওয়া সুন্নাত দুই রাক’আত আদায় করতে কোন অপরাধ মনে করেন না। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযুক্ত) নয়। মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম কখনও কাইসের নিকট শুনেননি। অপর এক বর্ণনায় আছেঃ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فَرَأَى قَيْسًا “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং কাইসকে দেখতে পেলেন.......।" সাদ ইবনু সাঈদের সূত্রে বর্ণিত আব্দুল আযীযের হাদীসের চেয়ে এটি অধিক সহীহ।
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত (ফরযের পূর্বে) আদায় করতে পারেনি সে সূর্য উঠার পর তা আদায় করবে। -সহীহ। সহীহাহ– (২৩৬১)। আবু ঈসা বলেনঃ আমরা উল্লেখিত সূত্রেই শুধুমাত্র এ হাদীসটি জেনেছি। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) এই হাদীস অনুসারে আমল করতেন। একদল বিশেষজ্ঞ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ, ইসহাক এবং ইবনুল মুবারাক একই রকম মত ব্যক্ত করেছেন। আবু ঈসা আরো বলেনঃ আমর ইবনু আসিম ব্যতীত অন্য কেউ হাম্মাম হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। وَالْمَعْرُوفُ مِنْ حَدِيثِ قَتَادَةَ عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি সূর্য উঠার পূর্বে ফজরের এক রাকাআত ধরতে পারল সে ফজরের ওয়াক্ত পেল।" -উপরোক্ত সূত্রে বর্ণিত এ হাদীসটিই প্রসিদ্ধ।
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের (ফরয) নামাযের পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত (সুন্নাত নামায) আদায় করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬১)। ৪৩০ নং হাদীসে এর বাকী অংশ বর্ণিত হবে। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ ও উম্মু হাবীবা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন- আলী (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ যুহরের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত নামায আদায় করা পছন্দ করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, ইসহাক এবং কুফাবাসীগণ একই রকম কথা বলেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, রাত এবং দিনের (অন্যান্য) নামায দুই দুই রাকাআত। তারা দুই দুই রাকাআত পর সালাম ফিরানোর কথা বলেছেন। ইমাম শাফিঈ এবং আহমাদ একথা বলেছেন।
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যুহরের (ফরয) নামাযের পূর্বে দুই রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করেছি। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৩৮), বুখারী আরো পূর্ণভাবে। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি যুহরের পূর্বে চার রাকাআত না আদায় করতেন তবে যুহরের (ফরযের) পর তা আদায় করতেন। —সহীহ। তামামুল মিন্নাহ। যঈফা— (৪২০৮)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইবনুল মুবারাকের সূত্রেই আমরা এ হাদীসটি জেনেছি। কাইস ইবনু রাবী শুবার সূত্রে খালিদ হাযযা হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কাইস ইবনু রাবী ব্যতীত অন্য কেউ শুবা হতে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলার সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
। উম্মু হাবীব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে চার রাকাআত নামায আদায় করবে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। অন্য সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
। আনবাসা ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার বোন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে চার রাকাআত নামাযের হিফাজাত করবে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। -সহীহ। প্রাগুক্ত। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আবু আবদুর রহমান আল-কাসিম একজন সিকাহ রাবী। তিনি প্রখ্যাত মুহাদিস আবৃ উমামার শাগরিদ।