। যিয়াদ ইবনু হারিস আস-সুদাঈ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নামাযের আযান দিতে বললেন। আমি আযান দিলাম। বিলাল (রাঃ) ইকামাত দিতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “সুদাঈ আযান দিয়েছে, আর যে আযান দিবে ইকামাতও সে-ই দিবে”। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৭) এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে, আবূ ‘ঈসা বলেনঃ যিয়াদের হাদীসটি আমরা ইফরিকীর হাদীসের মাধ্যমেই জানতে পারি। অথচ ইফরিকী হাদীস বিশারদদের মতে দুর্বল রাবী। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও অন্যরা তাকে দুর্বল মনে করেছেন। আহমাদ বলেছেন, আমি ইফরিকীর হাদীস লিখি না। আবূ ঈসা বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে দেখেছি তিনি তাকে মজবুত রাবী বলে সমর্থন করেছেন এবং তিনি বলেছেন, ইফরিকী একজন প্রিয়ভাজন রাবী। বেশিরভাগ ‘আলিমদের মত হল, যে আযান দিবে সে-ই ইকামাত দিবে।
হাদিস 200 — Jami At Tirmidhi 2:52
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى الصَّدَفِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يُؤَذِّنُ إِلاَّ مُتَوَضِّئٌ " .
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিনা ওযুতে কেউ যেন আযান না দেয়। যঈফ, ইরওয়া
। ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেছেন, বিনা ওযুতে কেউ যেন নামাযের আযান না দেয়। যঈফ, প্রাগুক্ত আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি পূর্বের হাদীস হতে বেশী সহীহ। ইবনু ওয়াহব- আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসটি মারফু হিসাবে বর্ণনা করেননি। এটা ওয়ালীদ ইবনু মুসলিমের হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ। যুহরী কখনও আবূ হুরাইরার নিকট হাদীস শুনেননি। বিনা ওযুতে আযান দেওয়া উচিত কি-না সে সম্পর্কে আলিমদের মাঝে মতের অমিল আছে। ইমাম শাফিঈ এবং ইসহাক এটাকে মাকরূহ বলেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ বিনা ওযুতে আযান দেবার অনুমতি দিয়েছেন।
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন (তার জন্য) প্রতীক্ষা করতে থাকতেন এবং ইকামাত দিতেন না। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (তার ঘর হতে) বেরিয়ে আসতে দেখতেন তখনই নামাযের জন্য ইকামাত দিতেন। -হাসান। সহীহ আবু দাউদ- (৫৪৮), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামুরার এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। এই সনদ ব্যতীত সিমাক হতে ইসরাঈলের কোন হাদীস জানা নেই। বিভিন্ন বিদ্বান এরূপই বলেছেন যে, মুয়াযযিন আযানের অধিকারী এবং ইমাম ইকামাতের অধিকারী (অর্থাৎ আযান মুয়াযযিনের ইচ্ছায় এবং ইমামের ইচ্ছায় ইকামাত দেয়া হবে)।
। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। অতএব তোমরা ইবনু উম্মু মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার কর। —সহীহ। ইরওয়া— (২১৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, আইশা, উনাইসা, আনাস, আবু যার ও সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমর (রাঃ)-এর বর্ণনাকৃত হাদীসটি হাসান সহীহ। রাত থাকতে আযান দেওয়ার ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, মুয়াযযিন রাতে সুবহি সাদিকের আগে আযান দিলে তা জায়িয এবং এটা পুনর্বার দেওয়ার দরকার নেই। ইমাম মালিক, শাফিঈ, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকের এটাই মত। অন্য দল বলেছেন, রাত থাকতে আযান দিলে পুনরায় আযান দিতে হবে। সুফিয়ান সাওরী এই মত প্রকাশ করেছেন। হাম্মাদ আইউবের সূত্রে, তিনি নাফির সূত্রে, তিনি ইবনু উমারের নিকট হতে বর্ণনা করেছেনঃ “একদা বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আবার আযান দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (তিনি বললেন) লোকেরা ঘুমিয়ে পড়েছে।” আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি সুরক্ষিত নয়। উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ও অন্যরা নাফির মাধ্যমে ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন সেটাই সহীহ। বর্ণনাটি নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। অতএব তোমরা (আবদুল্লাহ) ইবনু উম্মে মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক।" আবদুল আযীয ইবনু আবু রাওয়াদ নাফি'র সূত্রে বর্ণনা করেছেনঃ “উমর (রাঃ)-এর মুয়াযযিন রাত থাকতেই আযান দিলেন। উমর (রাঃ) তাকে আবার আযান দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।” এই বর্ণনাটিও সহীহ নয় কেননা নাফি’ এবং উমারের মাঝখানের একজন রাবী ছুটে গেছে। সম্ভবতঃ হাম্মাদ ইবনু সালামা এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমারের বর্ণনাটিই সহীহ। একাধিক রাবী নাফির সূত্রে ইবনু উমারের এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যুহরী সালিমের সূত্রে, তিনি ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" আবু ঈসা বলেনঃ হাম্মাদ হতে বর্ণিত হাদীসটি যদি সহীহ হয় তাহলে এই হাদীসের কোন অর্থ হয় না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" বিলাল (রাঃ) যখনি ফযর উদয় হওয়ার পূর্বে আযান দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি তাকে আবার আযান দেয়ার নির্দেশ দিতেন তাহলে তিনি কখনো এ কথা বলতেন না যে, “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়।" আলী ইবনুল মাদানী বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা হতে, তিনি আইউব হতে, তিনি নাফি' হতে, তিনি ইবনু উমার হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে- বর্ণনাকৃত হাদীসটি সুরক্ষিত নয়। হাম্মাদ ইবনু সালামা তা বর্ণনা করতে গিয়ে গোলমাল করেছেন।
। আবু শাসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘আসরের নামাযের আযান হয়ে যাওয়ার পর এক ব্যক্তি মাসজিদ হতে বেরিয়ে চলে গেল। আবু হুরাইরা (রাঃ) বললেন, এই ব্যক্তি আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ অমান্য করল। —হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৩৩), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে উসমান (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাদের পরবর্তীদের মতে আযান হয়ে যাওয়ার পর কোন ব্যক্তির মাসজিদ হতে বেরিয়ে যাওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। হ্যাঁ, যদি ওযু না থাকে কিংবা খুব দরকারী কাজ থাকে তবে ভিন্ন কথা। ইবরাহীম নাখঈ বলেন, মুয়াযযিনের ইকামাতের আগ পর্যন্ত বের হওয়া জায়িয। আবু ঈসা বলেনঃ আমাদের মতে, যার প্রয়োজন রয়েছে শুধু সে বের হতে পারে। আবু শা'সার নাম সুলাইম ইবনু আসওয়াদ। আর তিনি আশ'আস ইবনু আবী শা'সার পিতা। এই হাদীস আশ'আস ও তার পিতা আবু শা'সা হতে বর্ণনা করেছেন।
। মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি এবং আমার এক চাচাত ভাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে আসলাম। তিনি আমাদের বললেনঃ “যখন তোমরা উভয়ে সফর করবে তখন আযান দেবে, ইকামাত বলবে, অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে তোমাদের ইমামতি করবে"। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৭৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ আলিম এ হাদীস অনুযায়ী সফর অবস্থায় আযান দেওয়ার কথা বলেছেন এবং এটা পছন্দনীয় মনে করেছেন। কিছু সংখ্যক আলিম বলেছেন, শুধু ইকামাতই যথেষ্ট। আযান তো সে ব্যক্তিই দেবে যে মানুষকে সমবেত করতে চায়। প্রথম মতটিই বেশি সহীহ। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এ মতেরই প্রবক্তা।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি নেকীর আকাঙ্ক্ষায় একাধারে সাত বছর আযান দেবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হতে নাজাত নির্ধারিত আছে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭২৭) এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, সাওবান, মুআবিয়া, আনাস, আবূ হুরাইরা ও আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি গারীব। আবূ তুমাইলা এর নাম ইয়াহইয়া ইবনু ওয়াযিহ, আবূ হামযার নাম মুহাম্মাদ ইবনু মাইমূন। হাদীসের একজন রাবী জাবির ইবনু ইয়াযীদকে মুহাদ্দিসগণ হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে পরিত্যাগ করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, আমি জারূদের সূত্রে এবং তিনি ওয়াকীর সূত্রে শুনেছেন, যদি জাবির আল-জুকী না হত তাহলে কূফাবাসীরা (আবূ হানীফা ও তার মতানুসারীগণ) হাদীসবিহীন অবস্থায় এবং যদি হাম্মাদ না হতেন তাহলে ফিকহবিহীন অবস্থায় থাকতেন।
হাদিস 207 — Jami At Tirmidhi 2:59
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَحَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الأَعْمَشِ قَالَ حُدِّثْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম হলো (নামাযের) যামিন এবং মুয়াযযিন হল আমানাতদার। হে আল্লাহ! ইমামকে সৎপথ দেখাও এবং মুয়াযযিনকে মাফ কর। সহীহ। মিশকাত- (৬৬৩), ইরওয়া- (২১৭), সহীহ আবু দাউদ- (৫৩০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ সাহল ইবনু সা’দ ও উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু হুরাইরার হাদীসটি আমাশের সূত্রে একাধিক রাবী বর্ণনা করেছেন। এটা আবু সালিহ হতে আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আমি আবৃ যুর'আকে বলতে শুনেছি, আবু হুরাইরার নিকট হতে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ। কিন্তু ইমাম বুখারী আয়িশাহ নিকট হতে বর্ণিত হাদীসটিকে বেশি সহীহ বলেছেন। কিন্তু ‘আলী ইবনুল মাদীনী এর কোনটিকেই শক্তিশালী মনে করেন না।
। আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাবে, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও তাই বল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭২০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু রাফি, আবু হুরাইরা, উম্মু হাবীবা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবদুল্লাহ ইবনু রাবী'আহ, আয়িশাহ, মুআয ইবনু আনাস ও মু'আবিয়া (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তার মধ্যে মালিকের বর্ণনাটিই বেশি সহীহ।