حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ امْرَأَتَيْنِ، أَتَتَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَفِي أَيْدِيهِمَا سُوَارَانِ مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ لَهُمَا " أَتُؤَدِّيَانِ زَكَاتَهُ " . قَالَتَا لاَ . قَالَ فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتُحِبَّانِ أَنْ يُسَوِّرَكُمَا اللَّهُ بِسُوَارَيْنِ مِنْ نَارٍ " . قَالَتَا لاَ . قَالَ " فَأَدِّيَا زَكَاتَهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ قَدْ رَوَاهُ الْمُثَنَّى بْنُ الصَّبَّاحِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ نَحْوَ هَذَا . وَالْمُثَنَّى بْنُ الصَّبَّاحِ وَابْنُ لَهِيعَةَ يُضَعَّفَانِ فِي الْحَدِيثِ وَلاَ يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْءٌ .
। আমর ইবনু শুআইব (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সুত্রে বর্ণিত আছে। দুইজন মহিলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসে। তাদের দুজনের হাতে স্বর্ণের বালা ছিল। তিনি তাদের উভয়কে প্রশ্ন করেনঃ তোমরা কি এর যাকাত প্রদান কর? তারা বলল, না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেনঃ তোমরা কি এটা পছন্দ কর যে, আল্লাহ তা'আলা (কিয়ামতের দিন) তোমাদের আগুনের দু'টি বালা পরিয়ে দিবেন? তারা বলল, না। তিনি বললেনঃ তবে তোমরা এর যাকাত প্রদান কর। – অন্য শব্দে হাদীসটি হাসান, ইরওয়া (৩/২৯৬), মিশকাত (১৮০৯), সহীহ আবু দাউদ (১৩৯৬) আবু ঈসা বলেন, মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ ও ইবনু লাহীআও আমর ইবনু শুআইবের নিকট হতে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা উভয়ে হাদীস শাস্ত্রে যঈফ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এ ব্যাপারে কোন হাদীস সহীহ সনদে বর্ণিত হয়নি।(কিন্তু ইমাম আবু দাউদ এ হাদিসটি অপর একটি সুত্রে বর্ণনা করেছেন, যাতে কোন খুঁত নেই)।
হাদিস 638 — Jami At Tirmidhi 7:22
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ مُعَاذٍ، أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُهُ عَنِ الْخُضْرَوَاتِ وَهِيَ الْبُقُولُ فَقَالَ " لَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ " . قَالَ أَبُو عِيسَى إِسْنَادُ هَذَا الْحَدِيثِ لَيْسَ بِصَحِيحٍ وَلَيْسَ يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْءٌ وَإِنَّمَا يُرْوَى هَذَا عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لَيْسَ فِي الْخُضْرَوَاتِ صَدَقَةٌ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَالْحَسَنُ هُوَ ابْنُ عُمَارَةَ وَهُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ شُعْبَةُ وَغَيْرُهُ وَتَرَكَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ .
। মুআয (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সজি অর্থাৎ তরিতরকারির উপর যাকাত ধার্য প্রসঙ্গে জানতে চেয়ে চিঠি লিখেন। তিনি (রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ এতে যাকাত ধার্য হবে না। — সহীহ, ইরওয়া (৩/২৭৯) আবু ঈসা এ হাদীসের সনদ সহীহ নয় বলেছেন। সহীহ সনদসূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এ অনুচ্ছেদে কোন কিছু বর্ণিত হয়নি। এ হাদীসটি মূসা ইবনু তালহা তার সনদসূত্রে মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আলিমগণও এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা বলেন, শাক-সজি ও তরিতরকারির যাকাত আদায় করতে হবে না। আবু ঈসা বলেন, হাসান হলেন উমারার ছেলে। তিনি হাদীস বিশারদদের দৃষ্টিতে যঈফ বর্ণনাকারী। শুবা প্রমুখ তাকে দুর্বল বলেছেন। তাকে আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করেছেন।
হাদিস 639 — Jami At Tirmidhi 7:23
সহিহ LighairihiসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، وَبُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْعُيُونُ الْعُشْرُ وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ الْعُشْرِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ وَبُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً . وَكَأَنَّ هَذَا أَصَحُّ . وَقَدْ صَحَّ حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْبَابِ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ عِنْدَ عَامَّةِ الْفُقَهَاءِ .
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে যমী ঝর্ণা ও বৃষ্টির পানির সাহায্যে সিক্ত হয় সে যমীতে উশর ধার্য হবে। সেচের সাহায্যে যে যমী সিক্ত হয় তাতে অর্ধেক উশর ধার্য হবে। — পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় হাদীসটি সহীহ আনাস ইবনু মালিক, ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, এই হাদীসটি সুলাইমান ইবনু ইয়াসার ও বুসর ইবনু সাঈদ মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। পূর্ববর্তী বর্ণনার তুলনায় সনদের বিচারে এই (মুরসাল) বর্ণনাটি বেশি সহীহ। ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসের উপরই সকল ফিকহবিদ আমল করেন।
। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, এমন ধরণের যমীর উপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উশর ধার্য করেছেন যেটি বৃষ্টির পানি অথবা ঝর্ণার কিংবা নালার পানির সাহায্যে সিক্ত হয়ে থাকে। আর সেচের সাহায্যে যে যমী সিক্ত হয় তাতে অর্ধেক উশর। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮১৭) বুখারী, মুসলিম আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
। আমর ইবনু শুআইব (রাহঃ) হতে পালাক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনতার উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিলেন। তিনি বললেনঃ শুনো! যে লোক কোন সম্পদশালী ইয়াতীমের তত্ত্বাবধায়ক হয়েছে, সে যেন তা ব্যবসায়ে খাটায় এবং ফেলে না রাখে। তা না হলে যাকাতে সেগুলো নিঃশেষ হয়ে যাবে। যঈফ, ইরওয়া (৭৮৮) আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি শুধু উল্লেখিত সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এর সনদ সম্পর্কে সমালোচনা আছে। কেননা মুসান্না ইবনুস সাববাহকে হাদীস শাস্ত্রে যঈফ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেহ কেহ হাদীসটি আমর ইবনু শুয়াইব হতে এই ভাবে বর্ণনা করেছেন যে, উমার ইবনুল খাত্তাব ভাষণ দিলেন পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। ইয়াতীমের মালে যাকাত নির্ধারিত হবে কি না এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতের অমিল আছে। কিছু সাহাবী, যেমন উমার, আলী, আইশা ও ইবনু উমার (রাঃ) ইয়াতীমের মালে যাকাত নির্ধারিত হবে বলে মত দিয়েছেন। ইমাম মালিক শাফিঈ আহমাদ ও ইসহাকের মত এটাই। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, ইয়াতীমের সম্পদে যাকাত নির্ধারিত হবে না। সুফিয়ান সাওরী ও আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাকের এই মত। রাবী আমর ইবনু শুআইব-মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আসের ছেলে। তিনি তার দাদা আবদুল্লাহ ইবনু আমরের নিকট হাদীস শুনেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাহঃ) আমর ইবনু শুআইবের হাদীসের সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, তার হাদীস আমাদের মতে যঈফ। যারাই তাকে যঈফ বলেছেন- তার কারণ উল্লেখ করেছেন, তিনি তার দাদা আবদুল্লাহ ইবনু আমরের খসড়া হতে হাদীস বর্ণনা করেন। অপরদিকে বেশীরভাগ হাদীস বিশারদ তার বর্ণিত হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন এবং একে প্রামাণ্য বলে গণ্য করেছেন। এদের মধ্যে আছেন ইমাম আহমাদ, ইসহাক ও অন্যান্যরা।
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশুর আঘাতে, খনিতে, এবং কূপে পড়াতেও কোন দণ্ড নেই। রিকাযে পাঁচ ভাগের এক ভাগ (যাকাত) নির্ধারিত হবে। -সহীহ ইবনু মা-জাহ (২৬৭৩) বুখারী, মুসলিম আনাস ইবনু মালিক, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, উবাদা ইবনু সামিত, আমর ইবনু আওফ ও জা-বির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। আবদুর রহমান ইবনু মাসউদ (রহঃ) বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) আমাদের এক মজলিসে হাযির হয়ে বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ যখন তোমরা কোন ফলের পরিমাণ আন্দাজ কর তখন (সে অনুযায়ী যাকাত) নিয়ে নাও। তা আন্দাজে নিৰ্দ্ধারিত মোট পরিমাণ) হতে তিনভাগের এক অংশ বাদ দাও। যদি তিনভাগের এক অংশ না বাদ দাও তবে অন্তত চারভাগের এক অংশ বাদ দাও। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (২৮১) এ অনুচ্ছেদে আইশা, আত্তাব ইবনু উসাইদ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেছেন, বেশিরভাগ আলিম এ হাদীস অনুসারে আমল করার পক্ষপাতী। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এই হাদীসের সমর্থক। অনুমান করার তাৎপর্য হল, খেজুর অথবা আঙ্গুর পাকার সময় হলে রাষ্ট্রপ্রধান (অথবা তার প্রতিনিধি) একজন ফল বিশেষজ্ঞকে উৎপাদিত ফল আন্দাজ করার জন্য পাঠাবেন। তিনি অনুমান করে বলবেন, গাছের খেজুর বা আঙ্গুর শুকানোর পরে কতটুকু হতে পারে। সেই অনুযায়ী তিনি উশরের পরিমাণ ঠিক করবেন। একইভাবে অন্যান্য ফলের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। ফল আন্দাজ করে বাগান মালিকের হিফাযাতে ছেড়ে দেবে। তারপর ফল পেকে শুকানোর পর আগের নির্ধারিত দশ ভাগের এক অংশ উশর নিবে। একদল আলিম হাদীসের এই মৰ্মাৰ্থ বর্ণনা করেছেন। ইমাম শাফিঈ, মালিক, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম ব্যাখ্যাই করেছেন।
আত্তাব ইবনু উসাইদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যক্তিদের নিকটে তাদের আঙ্গুর এবং অন্যান্য ফল আন্দাজ (পরিমাণ নির্ধারণ) করার জন্য লোক পাঠাতেন। একই সনদে এও বর্ণিত আছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুরের যাকাত প্রসঙ্গে বলেছেনঃ যেভাবে (গাছে থাকতেই) খেজুর আন্দাজ করা হয় ঠিক সেভাবে আঙ্গুরও আন্দাজ করা হবে। তারপর যেভাবে খেজুরের যাকাত শুকনো খেজুর দিয়ে আদায় করা হয় সেভাবে আঙ্গুরের ক্ষেত্রেও কিশমিশ দিতে হবে। যঈফ, ইরওয়া (৮০৭), যঈফ আবূ দাউদ (২৮০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইবনু জুরাইজ এ হাদীসটি ইবনু শিহাবের সূত্রে, তিনি উরওয়ার সূত্রে এবং তিনি আইশা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আমি মুহাম্মাদকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ইবনু জুরাইজের হাদীস সুরক্ষিত নয়, বরং আত্তাবের হাদীসই অনেক বেশী সহীহ।
। রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ ন্যায়নিষ্ঠার সাথে যাকাত আদায়কারী আল্লাহ্ তা'আলার পথে জিহাদকারী সৈনিকের সমান (মর্যাদা সম্পন্ন) যে পর্যন্তনা সে বাড়িতে ফিরে আসে। — হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮০৯) এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান বলেছেন। ইয়াযীদ ইবনু ইয়ায একজন দুর্বল বর্ণনাকারী। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাকের হাদীসটি অনেক বেশি সহীহ।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকাত সংগ্রহে সীমা লংঘনকারী যাকাত আদায়ে বাধা দানকারীর (অস্বীকারকারীর) মতই। – হাসান, ইবনু মা-জাহ (১৮০৮) ইবনু উমার, উম্মু সালামা ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে উল্লেখিত সনদে গারীব বলেছেন। আহমাদ ইবনু হাম্বাল এ হাদীসের এক বর্ণনাকারী সা’দ ইবনু সিনানের সমালোচনা করেছেন। লাইস ইবনু সা’দ হাদীসের সনদ এভাবে বলেছেনঃ ইয়াযীদ ইবনু আবী হাবীব সা’দ ইবনু সিনান হতে তিনি আনাস ইবনু মালিক হতে। আর আমর ইবনুল হারিস সনদ বর্ণনা করেছেন এভাবে, ইবনু লাহীআ ইয়াযীদ ইবনু আবী হাবীব হতে, তিনি সিনান ইবনু সা’দ হতে তিনি আনাস হতে। ইমাম বুখারী বলেছেন, সা’দ ইবনু সিনান সঠিক নয়; বরং সিনান ইবনু সা'দ হবে। তিনি আরো বলেন, যে লোক যাকাত আদায় করে না তার যে গুনাহ হবে, অনুরূপ যে লোক যাকাত আদায় করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে সে লোকেরও একইরকম গুনাহ হবে।