حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ فَلْيَرْقُدْ حَتَّى يَذْهَبَ عَنْهُ النَّوْمُ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا صَلَّى وَهُوَ نَاعِسٌ لَعَلَّهُ يَذْهَبُ يَسْتَغْفِرُ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ " .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঝিমনি এলে ঝিমনি দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন অবশ্যই শুয়ে থাকে। কেননা কেউ ঘুমের ঘোরে সালাত আদায় করলে হয়ত সে নিজের ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেকে গালি দিবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ (ঘুমের ঘোরে) রাতের সালাতে দন্ডায়মান হলে কুরআন স্বাভাবিকভাবে তার মুখ থেকে বের হয় না, এবং সে কি তিলাওয়াত করছে তাও বুঝতে পারে না। কাজেই এরূপ অবস্থায় সে যেন অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ে।[1] সহীহ : মুসলিম।
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে দু‘টি খুটির মাঝে রশি বাধা দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ রশিটি কিসের? বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! এটা হামনাহ বিনতু জাহশের রশি, তিনি রাতে সালাত আদায়কালে ক্লান্তিবোধ হলে এ রশিতে নিজেকে আটকে রাখেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার উচিত সামর্থ অনুযায়ী সালাত আদায় করা, যখন ক্লান্তিবোধ করবে তখন সালাত ছেড়ে বসে যাবে। যিয়াদের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি? লোকেরা বললো, এটা যাইনাবের রশি, তিনি সালাত আদায়কালে ক্লান্তি বা অলসতাবোধ করলে এতে ঝুলে থাকেন। তিনি বললেনঃ এটা খুলে ফেলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের আনন্দের সাথে সালাত আদায় করা উচিত, যখন ক্লান্তি কিংবা অলসতাবোধ করবে তখন সালাত ছেড়ে বসে পড়বে।[1] সহীহ, হামনাহ’ শব্দ উল্লেখ বাদে : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে রাতের বেলায় তাসবীহ বা কুরআন পূর্ণরূপে পড়তে না পারায় তা ফজর ও যুহরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে পাঠ করে নিয়েছে, এর বিনিময়ে তার জন্য ঐরূপ সওয়াব লিখা হয়, যেন সে রাতেই তা পাঠ করেছে।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 1314 — Sunan Abu Dawud 5:65
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ رَجُلٍ، عِنْدَهُ رَضِيٍّ أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنِ امْرِئٍ تَكُونُ لَهُ صَلاَةٌ بِلَيْلٍ يَغْلِبُهُ عَلَيْهَا نَوْمٌ إِلاَّ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ صَلاَتِهِ وَكَانَ نَوْمُهُ عَلَيْهِ صَدَقَةً " .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের ইচ্ছা করা সত্ত্বেও ঘুম তাকে পরাভূত করে দিলো, তার আমলনামায় রাতে সালাত আদায়ের সওয়াবই লিখা হবে। তার জন্য ঘুম সাদাকা হিসেবে গণ্য হবে।[1] সহীহ।
হাদিস 1315 — Sunan Abu Dawud 5:66
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1145) Sahih Muslim (758)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের মহা মহীয়ান রবব প্রতি রাতের এক তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করে বলেন, আছে কেউ আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিবো? আছে কেউ আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করবো? আছে কি কেউ আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিবো?[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1316 — Sunan Abu Dawud 5:67
হাসানহাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ يَزِيدَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُوقِظُهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ بِاللَّيْلِ فَمَا يَجِيءُ السَّحَرُ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْ حِزْبِهِ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহা মহীয়ান আল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাতে সজাগ করতেন এবং তিনি সাহরীর সময়ে তাঁর নফল সালাত, তাসবীহ ইত্যাদি আদায় করতেন।[1] হাসান।
হাদিস 1317 — Sunan Abu Dawud 5:68
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1132) Sahih Muslim (741)
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، ح وَحَدَّثَنَا هَنَّادٌ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، - وَهَذَا حَدِيثُ إِبْرَاهِيمَ - عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ لَهَا أَىُّ حِينٍ كَانَ يُصَلِّي قَالَتْ كَانَ إِذَا سَمِعَ الصُّرَاخَ قَامَ فَصَلَّى .
। মাসরূক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলি, তিনি কোন সময় সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, তিনি মোরগের ডাক শুনে উঠে সালাতে দাঁড়াতেন।[1] সহীহ: বুখারী ও মুসলিম এ শব্দেঃ ( الصارخ)।
হাদিস 1318 — Sunan Abu Dawud 5:69
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1133) Sahih Muslim (742)
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ : مَا أَلْفَاهُ السَّحَرُ عِنْدِي إِلاَّ نَائِمًا، تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট যখনই ভোর করেছেন, (আমি তাকে) নিদ্রাবস্থায় পেয়েছি।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1319 — Sunan Abu Dawud 5:70
হাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدُّؤَلِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَخِي، حُذَيْفَةَ عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ صَلَّى .
। হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হলে সালাত আদায় করতেন।[1] হাসান।