। মসজিদে ‘উরয়ানের মুয়াজ্জিন আবূ জা‘ফর (রহঃ) বলেন, আমি মাসজিদুল আকবারের মুয়াজ্জিন আবূল মুসান্না হতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে শুনেছি .... অতঃপর পুরো হাদীস বর্ণনা করেন।
হাদিস 512 — Sunan Abu Dawud 2:122
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الأَذَانِ أَشْيَاءَ لَمْ يَصْنَعْ مِنْهَا شَيْئًا قَالَ فَأُرِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ الأَذَانَ فِي الْمَنَامِ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ " أَلْقِهِ عَلَى بِلاَلٍ " . فَأَلْقَاهُ عَلَيْهِ فَأَذَّنَ بِلاَلٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَنَا رَأَيْتُهُ وَأَنَا كُنْتُ أُرِيدُهُ قَالَ " فَأَقِمْ أَنْتَ " .
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযান প্রচলনের জন্য কয়েকটি বিষয়ের ইচ্ছা করেছিলেন। কিন্তু এর কোনটিই করেননি। অতঃপর ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদকে স্বপ্নে দেখানো হলো। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে স্বপ্নের কথা জানালে তিনি বললেনঃ বিলালকে শিখিয়ে দাও। তিনি বিলালকে শেখানোর পর বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি স্বপ্নে আযান দেখেছি, সেজন্য আমিই আযান দিতে চেয়েছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আচ্ছা, তুমি ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দাও।[1] দুর্বল।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ তার দাদা ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে এরূপই বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার দাদা (‘আব্দুল্লাহ) ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিলেন।[1] দুর্বল।
। যিয়াদ ইবনুল হারিস আস-সুদাঈ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফজরের প্রথম আযান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশক্রমে আমি দিয়েছিলাম। আযান শেষে আমি বলতে লাগলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিব? তিনি তখন পূর্ব দিগন্তে ভোরের আভা লক্ষ্য করে বললেনঃ না। ভোরের আলো প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি বাহন থেকে নেমে পেশাব-পায়খানা সেরে আমার দিকে ফিরে এলেন। সাহাবীগণ তাঁর সাথে মিলিত হলেন (চারপাশে উপস্থিত হলেন)। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি অযু করলেন। বিলাল (রাঃ) ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিতে চাইলে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ নিশ্চয় আমাদের ভাই সুদা আযান দিয়েছে। আর যে আযান দেয় সে-ই ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিবে। অতঃপর আমি ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিলাম। [1] দুর্বল : ইরওয়া ২৩৭, যঈফাহ্ ৩৫।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর যতদূর পর্যন্ত যায় তাকে ততদূর ক্ষমা করে দেয়া হয়। তাজা ও শুষ্ক প্রতিটি জিনিসই (কিয়ামতের দিন) তার জন্য সাক্ষী হয়ে যাবে। আর কেউ জামাআতে হাজির হলে তার জন্য পঁচিশ ওয়াক্ত সালাতের সাওয়াব লিখা হয় এবং এক সালাত থেকে আরেক সালাতের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে হাওয়া ছাড়তে ছাড়তে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যায়, যেন আযানের শব্দ তার কানে না পৌঁছে। আযান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে। সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হলে সে আবার পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যায়। ইক্বামাত(ইকামত/একামত) শেষে সে আবার ফিরে আসে এবং মুসল্লীর মনে অহেতুক চিন্তার উদ্রেক করে এবং বলে, উমুক কথা স্মরণ কর। সে এমন কথা স্মরণ করয়ে দেয় যা তার চিন্তায়ই আসেনি। এমনকি মুসল্লী কখনো ভুলেই যায় যে, কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 517 — Sunan Abu Dawud 2:127
সহিহহাসান
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ " .
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম হচ্ছেন যিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন (ওয়াক্তের) আমানাতদার। ‘হে আল্লাহ! ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দিন।’[1] সহীহ।
হাদিস 518 — Sunan Abu Dawud 2:128
দাঈফসহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ نُبِّئْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، - قَالَ وَلاَ أُرَانِي إِلاَّ قَدْ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন...পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।
। বানু নাজ্জারের এক মহিলা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) মসজিদের নিকটবর্তী আমার ঘরটিই ছিল সবচেয়ে উঁচু। বিলাল (রাঃ) ঘরের ছাদে উঠে ফজরের আযান দিতেন। তিনি সাহরীর সময় (শেষ রাতে) সেখানে এসে বসতেন এবং সুবহে সাদিকের প্রতি লক্ষ্য রাখতেন। সুবহে সাদিক হয়ে গেলে তিনি শরীরের আড়মোড় ভেঙ্গে (বা হাই তুলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে) বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা করছি এবং কুরাইশদের ব্যাপারে আপনার কাছে সাহায্য চাইছি যেন তাদের দ্বারা আপনার দ্বীন ক্বায়িম হয়। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি আযান দিতেন। বর্ণনাকারী আরো বলেন, আল্লাহর শপথ! কোন রাতেই আমি বিলালকে এ কথাগুলো ত্যাগ করতে দেখিনি।[1] হাসান।
। ‘আওন ইবনু আবূ জুহায়ফাহ হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাক্কাহতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি তখন লাল চামড়ার তৈরী ছোট তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। এমন সময় বিলাল বের হয়ে এসে আযান দিলেন। আযানের সময় আমি তার মুখের দিকে লক্ষ্য করছিলাম যে, তিনি এদিক ওদিক মুখ ঘুরাচ্ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়ে ডোরাকাটা চাদর জড়িয়ে বেরিয়ে এলেন।[1] সহীহ : মুসলিম, বুখারী সংক্ষেপে। وَقَالَ مُوسَى قَالَ رَأَيْتُ بِلَالاً خَرَجَ إِلَى الأَبْطَحِ فَأَذَّنَ فَلَمَّا بَلَغَ حَىَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَىَّ عَلَى الْفَلَاحِ . لَوَى عُنُقَهُ يَمِينًا وَشِمَالاً وَلَمْ يَسْتَدِرْ ثُمَّ دَخَلَ فَأَخْرَجَ الْعَنَزَةَ وَسَاقَ حَدِيثَهُ . منكر . বর্ণনাকারী মূসা বলেন, আবূ জুহায়ফাহ (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, বিলাল (রাঃ) ‘আবত্বাহ’ নামক স্থানে গিয়ে আযান দিলেন। তিনি ‘হাইয়্যা ‘আলাস্-সলাহ, হাইয়্যা ‘আলাল-ফালাহ’ পর্যন্ত পৌঁছলে স্বীয় ঘাড় ডানে-বামে ঘুরালেন, তবে শরীর ঘুরাননি। অতঃপর তাঁবুতে প্রবেশ করে একটি বর্শা (বা ছড়ি) বের করলেন। .. এরপর বর্ণনাকারী মূসা হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। মুনকার।