। যায়িদ ইবনু ওয়াহাব সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ যার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। মুয়াজ্জিন যুহরের আযানের জন্য প্রস্তুত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ থাম, ঠান্ডা হোক (রোদ্রতাপ হালকা হোক)। মুয়াজ্জিন আবার আযান দিতে প্রস্তুত হলে তিনি বললেনঃ থাম, ঠান্ডা হোক! বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার অথবা তিনবার এরূপ বললেন। এমনকি আমরা টিলা সমূহের ছায়া দেখতে পেলাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ গ্রীষ্মের খরতাপ জাহান্নামেরই অংশ বিশেষ। কাজেই প্রচন্ড গরমে ঠান্ডা করে (বিলম্বে) সালাত আদায় করবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আয-যুহরী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আওয়ালীর দূরত্ব মাদীনাহ থেকে দুই অথবা তিন মাইল। বর্ণনাকারী বলেন, সম্ভবত তিনি (যুহরী) চার মাইলের কথাও বলেছেন।[1] সহীহ মাক্বতূ।
। খায়সামাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্যের জীবন্ত হওয়ার অর্থ হলো, তার তাপ অবশিষ্ট থাকা বা অনুভূত হওয়া।[1] সহীহ মাক্বতূ।
হাদিস 407 — Sunan Abu Dawud 2:17
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (522) Sahih Muslim (611)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ عُرْوَةُ وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ .
। ‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ ‘আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যখন রোদ তার ঘরের মধ্যে থাকত এবং দেয়ালে রোদ প্রকাশ পাওয়ার পূর্বেই এরূপ হত।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘আলী ইবনু শায়বান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা মদীনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলাম। সে সময় তিনি সূর্যের রং উজ্জল থাকা পর্যন্ত ‘আসরের সালাত বিলম্ব করে আদায় করেছেন।[1] দুর্বল।
হাদিস 409 — Sunan Abu Dawud 2:19
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2931) Sahih Muslim (627)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ " حَبَسُونَا عَنْ صَلاَةِ الْوُسْطَى صَلاَةِ الْعَصْرِ مَلأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا " .
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খন্দকের যুদ্ধের দিন বলেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত অর্থাৎ ‘আসরের সালাত আদায় করা হতে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তাদের ঘর ও কবরগুলোকে জাহান্নামের আগুনে পরিপূর্ণ করে দিন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর মুক্ত দাস আবূ ইউনুস সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) আমাকে তার জন্য এক জিলদ কুরআন লিখে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে বললেন, যখন তুমি ‘‘তোমরা সালাত সমূহের হিফাযাত কর, বিশেষ করে মধ্যবর্তী সালাতের। আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াও’’- (সূরাহ বাক্বারাহ, ২৩৮) এই আয়াত পর্যন্ত পৌঁছবে তখন আমাকে অবহিত করে অনুমতি চাইবে। অতঃপর আমি উক্ত আয়াত পর্যন্ত পৌঁছে তাঁকে অবহিত করে অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, তুমি এভাবে লিখ, ‘‘তোমরা সালাতসমূহের হিফাযাত কর, বিশেষ করে মধ্যবর্তী সালাতের এবং ‘আসরের সালাতের।’’ অতঃপর ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি।[1] সহীহ : মুসলিম।