। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমির হতে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে সালাত আদায়কালে আনসার গোত্রের জনৈক যুবক হাঁচি দিয়ে বলল, ‘‘আলহামদু লিল্লাহে হামদান কাসীরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফীহি হাত্তা ইয়ারদা রব্বুনা ওয়া বা‘দু মা ইয়ারদা মিন আমরিদ্-দুনয়া ওয়াল-আখিরাহ।’’ সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই কথাগুলো কে বলেছে? যুবকটি এ সময় নীরব থাকল। তিনি পুনরায় বললেন, এই কথাগুলো কে বলেছে? সে তো মন্দ কিছু বলেনি। তখন যুবকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! এগুলো আমিই বলেছি এবং আমি ভাল উদ্দেশেই বলেছি। তিনি বললেনঃ এ উক্তিগুলো কোথাও অপেক্ষা করেনি, বরং মহিয়ান রহমানের আরশে পৌঁছে গেছে।[1] দুর্বল।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আরম্ভকালে এই দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।’’ [1] সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি ‘আবদুস সালাম ইবনু হারব সূত্রে প্রসিদ্ধি নয়। আর এটি কেবল ত্বালক্ব ইবনু গান্নাম বর্ণনা করেছেন। অবশ্য একদল বর্ণনাকারী বুদায়ির সূত্রে সালাতের ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তারা তাতে এই দু‘আর কিছুই উল্লেখ করেননি।
। আল-হাসান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সামুরাহ (রাঃ) বলেন, সালাতে নিশ্চুপ থাকার দুটি স্থান (দু’ সাকতা) আমি স্মরণ রেখেছি। প্রথম সাকতা হলো ইমামের তাকবীরে তাহরীমা বলা থেকে কিরাত আরম্ভ করা পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় সাক্তা হলো ইমামের সূরাহ ফাতিহা ও অন্য সূরাহ পড়ার পর রুকু‘তে যাওয়ার পূর্বে। কিন্তু ‘ইমরান ইবনু হুসায়িন (রাঃ) একথা মেনে নিতে অস্বীকার করেন। ফলে তারা এ বিষয়ে জানার জন্য মাদীনাতে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখে পাঠালে তিনি সামুরাহ (রাঃ)-এর বর্ণনাকে সত্যায়িত করেন।[1] দুর্বল। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এই হাদীসে হুমায়িদও অনুরূপভাবে বলেছেন যে, কিরাত শেষে একটি সাকতা রয়েছে।
হাদিস 778 — Sunan Abu Dawud 2:388
দাঈফদাঈফসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَسْكُتُ سَكْتَتَيْنِ إِذَا اسْتَفْتَحَ وَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ كُلِّهَا . فَذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ يُونُسَ .
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দু’ জায়গায় চুপ থাকতেন। সালাত আরম্ভকালে (অর্থাৎ তাকবীরে তাহরীমা বলার পর) এবং কিরাত শেষ করার পর .... অতঃপর ইউনুস সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।[1] দুর্বল।
। আল-হাসান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা সামুরাহ ইবনু জুনদুব ও ‘ইমরান ইবনু হুসায়িন (রাঃ) পরস্পরে আলোচনাকালে প্রসঙ্গক্রমে সামুরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সালাতের দু’ স্থানে চুপ থাকা (দুই সাকতা) সম্পর্কীত জ্ঞান হিফয করেছেন। প্রথম সাকতা হচ্ছে তাকবীরে তাহরীমা বলার পর এবং দ্বিতীয় সাকতা হচ্ছে ‘‘গইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম ওলাযযল্লীন’’ পাঠের পর। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) বিষয়টি স্মরণ রাখলেও ‘ইমরান ইবনু হুসায়িন (রাঃ) তা অস্বীকার করে বসেন। ফলশ্রুতিতে তাঁরা দু’জনেই এ বিষয়ে জানার জন্য উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখেন। তিনি তাঁদের পত্রের জবাবে লিখেন যে, সামুরাহ (রাঃ) বিষয়টি যথাযথ স্মরণ রেখেছেন।[1] দুর্বল : মিশকাত ৮১৮।
। সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতে দু’ স্থানে চুপ থাকা সম্পর্কীত জ্ঞান আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছ থেকে হিফয করেছি। বর্ণনাকারী সাঈদ বলেন, আমরা ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)-কে দু’ স্থানে চুপ থাকা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যখন কেউ সালাত আরম্ভ করবে এবং যখন কিরাত শেষ করবে (তখন চুপ থাকবে)। পরে তিনি বলেন, (কিরাত শেষ করা অর্থ হচ্ছে) যখন কেউ গইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম ওয়ালয্যল্লীন বলবে। [1] দুর্বল।