। আবূ মা‘মার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে কিরাত পাঠ করতেন কি না এ বিষয়ে আমরা খাববাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, (পাঠ করতেন)। আমরা তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা তা কিভাবে জানতেন (বা বুঝতেন)? তিনি বলেন, আমরা তাঁর দাড়ি আন্দোলিত হতে দেখে বুঝে ফেলতাম। [1] সহীহ : বুখারী।
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার ‘উমার (রাঃ) সা‘দ (রাঃ)-কে বলেন, লোকেরা আপনার প্রতিটি বিষয়ে অভিযোগ করেছে, এমনকি আপনার সালাত সম্পর্কেও। সা‘দ (রাঃ) বলেন, আমি সালাতের প্রথম দু‘ রাক‘আতে কিরাত দীর্ঘ করি এবং শেষের দু‘ রাক‘আতে কেবল সূরাহ ফাতিহা পাঠ করি। তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে যেভাবে সালাত আদায় করেছি- তার কোন ব্যতিক্রম করিনি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আপনার ব্যাপারে আমার ধারণাও তা-ই।[1] সহীহ : বুখরী ও মুসলিম।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন, আমরা তা নির্ণয় করেছি। আমরা নির্ণয় করি যে, তিনি যুহর সালাতে প্রথম দু‘ রাক‘আতে ত্রিশ আয়াত পড়ার পরিমান দাঁড়াতেন- যেমন সূরাহ ‘‘আলিফ লাম মীম আস্-সিজদা্’’ ইত্যাদি এবং শেষের দু‘ রাক‘আতে তিনি প্রথম দু‘ রাক‘আতের চেয়ে অর্ধেক পরিমাণ সময় দাঁড়াতেন। তিনি যুহরের শেষ দু‘ রাক‘আতে যতক্ষণ দাঁড়াতেন ‘আসরের প্রথম দু‘ রাক‘আতেও ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। তিনি ‘আসরের শেষ দু‘ রাক‘আতে তার প্রথম দু‘ রাক‘আতে চেয়ে অর্ধেক পরিমাণ সময় দাঁড়াতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 805 — Sunan Abu Dawud 2:415
হাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ وَنَحْوِهِمَا مِنَ السُّوَرِ .
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে সূরাহ ‘‘ওয়াস-সামায়ি ওয়াত-ত্বারিক’’ এবং ‘‘ওয়াস-সামায়ি যাতিল-বুরূজ’’ এর অনুরূপ সূরাহ পড়তেন।[1] হাসান সহীহ।
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) হতে। তিনি বলেন, সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ছেলে পড়ত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করতেন এবং তাতে সূরাহ ‘‘ওয়াল-লাইলি ইযা ইয়াগশা’’ এর অনুরূপ সূরাহ পড়তেন। তিনি ‘আসর ও অন্যান্য সালাতেও অনুরূপ সূরাহ পড়তেন। তবে তিনি ফজর সালাতে দীর্ঘ সূরাহ পড়তেন। [1] সহীহ : মুসলিম।
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর সালাতে (তিলাওয়াতে সিজদা্ পাঠ করে) সিজদা্ দিয়ে দাঁড়ালেন, তারপর রুকু‘ করলেন। আমরা তাঁকে সূরাহ ‘‘তানযীল আস-সিজদা্’’ পাঠ করতে দেখেছি। ইবনু ঈসা বলেন, মু‘তামির ছাড়া কেউই এ হাদীস উমাইয়্যাহ হতে বর্ণনা করেননি।[1] দুর্বল : মিশকাত ১০৩১।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি বনু হাশিমের কয়েকজন যুবকের সাথে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। আমি আমাদের মধ্যকার এক যুবককে বললাম, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে কিরাত করতেন কি? ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, না, না। তাঁকে বলা হলো, তিনি সম্ভবত মনে মনে পড়তেন। তিনি রেগে বললেন, মনে মনে পড়ার চেয়ে না পড়াই উত্তম। তিনি ছিলেন আল্লাহর পক্ষ হতে নির্দেশিত ব্যক্তি, তাঁর প্রতি অবতীর্ণ বিষয় তিনি অকপটে প্রচার করেছেন। আমরা তিনটি বিষয়ে অন্যদের চেয়ে ব্যতিক্রম। (তা হলো) আমাদেরকে পরিপূর্ণরূপে উযু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আমাদের জন্য সাদাকা খাওয়া নিষেধ, এবং আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে গাধাকে ঘোড়ার সাথে সংগম করাতে।[1] সহীহ।
হাদিস 809 — Sunan Abu Dawud 2:419
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لاَ أَدْرِي أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ أَمْ لاَ .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে কিরাত করতেন কিনা আমি তা অবহিত নই। সহীহ।