। মালিক ইবনু নুমাইর আল-খুযাঈ (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করে যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাতে তাঁর ডান হাত ডান উরুর উপর রেখে শাহাদাত আঙুল অর্ধনমিত অবস্থায় উচিয়ে রাখতে দেখেছি। [1] দুর্বল।
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) এর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তি সালাতে হাতের উপর ঠেস দিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন। ইবনু শাব্বুয়াহ এর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি সালাতে কাউকে হাতের উপর ঠেস দিতে নিষেধ করেছেন। ইবনু রাফি‘ এর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি কাউকে হাতের উপর ঠেস দিয়ে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ‘‘আর-রাফ্‘উ মিনাস্-সুজুদ’’ অনুচ্ছেদে। ইবনু ‘আবদুল মালিক বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সালাতে উঠার সময় হাতের উপর ভর দিতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ : তবে শেষ অংশটুকু বাদে। কেননা তা মুনকার।
। ইসমাঈল ইবনু উমাইয়াহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাফি‘ (রহঃ) কে এক হাতের আঙ্গুল অপর হাতে প্রবেশ করিয়ে সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, এটা হলো অভিশপ্ত লোকদের সালাত।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি এক ব্যক্তিকে সালাতে বসা অবস্থায় তার বাম হাতের উপর ভর করে থাকতে দেখলেন। হারুন ইবনু যায়িদ বর্ণনা করেন, সে বাম পাশে পড়ে আছে। হাদীসের বাকী অংশ তারা উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেছেন। (তা হলো) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) লোকটিকে বললেন, এভাবে বসবে না। কারণ যাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে তারাই এভাবে বসে।[1] হাসান।
হাদিস 995 — Sunan Abu Dawud 2:606
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الأُولَيَيْنِ كَأَنَّهُ عَلَى الرَّضْفِ . قَالَ قُلْتُ حَتَّى يَقُومَ قَالَ حَتَّى يَقُومَ .
। আবূ ‘উবায়দাহ (রহঃ) তার পিতা (ইবনু মাস‘উদ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, তিনি সালাতের প্রথম দুই রাক‘আতে এরূপে বসতেন যেন গরম পাথরের উপর বসেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তিনি দাঁড়ানো পর্যন্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ, দাঁড়ানো পর্যন্ত।[1] দুর্বল।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’ বলে ডান দিকে এবং ‘‘আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’ বলে বাম দিকে সালাম ফিরাতেন। এ সময় তাঁর গালের শুভ্রতা দেখা যেতো। সহীহ : মুসলিম সংক্ষেপে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ (রহঃ) আবূ ইসহাক্বের বর্ণনাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস হওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
। ‘আলকামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি ডান দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ‘‘আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’’ এবং বাঁ দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ‘‘আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’।[1] সহীহ : মুসলিম।
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে সালাত আদায়কালে আমাদের কেউ সালাম ফিরাতো এবং হাত দ্বারা তার ডানে ও বামে ইশারা করতো। সালাত শেষে তিনি বললেনঃ তোমাদের কোন এক ব্যক্তির কি হলো যে, সে সালাম ফিরাতে এরূপে হাতের ইশারা করে, যেন তা দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। এটাই তোমাদের প্রত্যেকের জন্য যথেষ্ট অথবা এটাই কি তোমাদের প্রত্যেকের জন্য যথেষ্ট নয় যে, সে তার ডান ও বাম দিকের ভাইকে এভাবে সালাম বলবে। তিনি আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে দেখালেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস মিস‘আর (রহঃ) হতেও বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের কারো জন্য কি যথেষ্ট নয় অথবা তাদের কারো জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, সে উরুর উপর হাত রেখে তার ডান ও বাম দিকের ভাইদের সালাম বলবে?[1] সহীহ : মুসলিম।