حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَصَلَّى فَبَدَأَ بِالصَّلاَةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ خَطَبَ النَّاسَ فَلَمَّا فَرَغَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فَأَتَى النِّسَاءَ فَذَكَّرَهُنَّ وَهُوَ يَتَوَكَّأُ عَلَى يَدِ بِلاَلٍ وَبِلاَلٌ بَاسِطٌ ثَوْبَهُ تُلْقِي فِيهِ النِّسَاءُ الصَّدَقَةَ قَالَ تُلْقِي الْمَرْأَةُ فَتَخَهَا وَيُلْقِينَ وَيُلْقِينَ وَقَالَ ابْنُ بَكْرٍ فَتَخَتَهَا .
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্বরের দিন দাঁড়িয়ে খুত্ববাহর পূর্বেই সালাত আদায় করলেন। তারপর লোকদের উদ্দেশে খুত্ববাহ দিলেন এবং খুত্ববাহ শেষে মহিলাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে নসীহত করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বিলালের হাতের উপর ভর করেছিলে এবং বিলাল (রাঃ) তার কাপড় বিছিয়ে রেখেছিলেন। মহিলারা তাতে দানের বস্তু নিক্ষেপ করছিলেন। কোন কোন মহিলা তাতে নিজেদের গহনা তাতে ছুড়ে দিচ্ছিলো এবং অন্যরা আরো অনেক কিছু নিক্ষেপ করছিলো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি আর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বরের দিন রওয়ানা হয়ে সালাত আদায়ের পর খুত্ববাহ দিলেন। অতঃপর নারীদের নিকট গেলেন। তাঁর সাথে বিলাল (রাঃ) ছিলেন। ইবনু কাসীর বলেন, হাদীস বর্ণনাকারী শু‘বাহর দৃঢ় ধারণা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে সাদাকা করতে আদেশ করলে তারা নিজেদের অলংকারাদী ছুড়ে দিতে লাগলেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করলেন যে, (দূরে অবস্থানের কারণে) মহিলারা তাঁর কথা শুনতে পাননি। কাজেই তিনি বিলালকে সাথে নিয়ে মহিলাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাদেরকে নসীহত প্রদান করেন ও সাদাকা করতে আদেশ করেন। মহিলারা তাদের কানের রিং ও হাতের আংটি খুলে বিলালের কাপড়ের মধ্যে নিক্ষেপ করতে লাগলেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি আরো বলেন, মহিলারা তাদের কানের রিং ও হাতের আংটি খুলে দিতে লাগলেন এবং বিলাল (রাঃ) স্বীয় চাদরে সেগুলো তুলে রাখলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলো অভাবী মুসলিমদের মাঝে বিতরণ করে দিলেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 1145 — Sunan Abu Dawud 2:756
হাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي جَنَابٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْبَرَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نُوِّلَ يَوْمَ الْعِيدِ قَوْسًا فَخَطَبَ عَلَيْهِ .
। ইয়াযীদ ইবনুল বারাআ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ঈদের দিন একটি ধনুক দেয়া হলে তিনি তাতে ভর করে খুত্ববাহ দেন।[1] হাসান।
হাদিস 1146 — Sunan Abu Dawud 2:757
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (863)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عَبَّاسٍ أَشَهِدْتَ الْعِيدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ وَلَوْلاَ مَنْزِلَتِي مِنْهُ مَا شَهِدْتُهُ مِنَ الصِّغَرِ فَأَتَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَلَمَ الَّذِي عِنْدَ دَارِ كَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ فَصَلَّى ثُمَّ خَطَبَ وَلَمْ يَذْكُرْ أَذَانًا وَلاَ إِقَامَةً قَالَ ثُمَّ أَمَرَ بِالصَّدَقَةِ - قَالَ - فَجَعَلَ النِّسَاءُ يُشِرْنَ إِلَى آذَانِهِنَّ وَحُلُوقِهِنَّ قَالَ فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَتَاهُنَّ ثُمَّ رَجَعَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবিস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কোন ঈদের সালাত আদায় করেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ। তাঁর সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা না থাকলে শিশু হওয়ার কারণে আমি হয়ত তাঁর সাথে সালাতে শরীক হতে পারতাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন কাসীর ইবনুল সলত-এর বাড়ির পাশে স্থাপিত ঝান্ডার নিকটে এসে সালাত আদায় করার পর খুত্ববাহ দেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের কথা উল্লেখ করেননি। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকা করতে আদেশ করলে মহিলারা তাদের কান ও গলার দিকে ইশারা করেন, ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে তাদের নিকট পাঠান। বিলাল (রাঃ) তাদের কাছে গিয়ে (সাদাকা সংগ্রহ করে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে আসেন।[1] সহীহ : বুখারী।
হাদিস 1147 — Sunan Abu Dawud 2:758
সহিহসহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْعِيدَ بِلاَ أَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ أَوْ عُثْمَانَ شَكَّ يَحْيَى .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর এবং ‘উমার অথবা ‘উসমান (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়াই ‘ঈদের সালাত আদায় করেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1148 — Sunan Abu Dawud 2:759
হাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ Lighairihiসহিহ Muslim (887)
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দুই ঈদের সালাত আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়া এক দুইবার নয়, বরং অনেকবার আদায় করেছি।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 1149 — Sunan Abu Dawud 2:760
সহিহসহিহহাসান Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُكَبِّرُ فِي الْفِطْرِ وَالأَضْحَى فِي الأُولَى سَبْعَ تَكْبِيرَاتٍ وَفِي الثَّانِيَةِ خَمْسًا .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বর ও ঈদুল আযহার সালাতে প্রথম রাক‘আতে সাতবার এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে পাচঁবার তাকবীর বলতেন।[1] সহীহ।