। ‘আমর ইবনু ‘শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বরের সালাতে প্রথম রাক‘আতে সাতবার তাকবীর বলতেন, অতঃপর ক্বিরাআত পাঠ করতেন, ক্বিরাআত শেষে তাকবীর বলার পর দ্বিতীয় রাক‘আতের জন্য দন্ডায়মান হয়ে চারবার তাকবীর বলে ক্বিরাআত অরম্ভ করতেন, অতঃপর রুকূ‘ করতেন।[1] হাসান সহীহ, তবে (চার তাকবীর) কথাটি বাদে। সঠিক হচ্ছে (পাঁচ তাকবীর)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেছেন, ওয়াকী‘ ও ইবনুল মুবারক (রহঃ) এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, (প্রথম রাক‘আতে) সাতবার এবং (দ্বিতীয় রাক‘আতে) পাঁচবার তাকবীর বলতে হবে।
। ‘উবাইদু্ল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আবূ ওয়াক্বিদ আল-লাইসী (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বর ও ঈদুল আযহার সালাতে কোন সূরাহ পাঠ করতেন? তিনি বলেন, তিনি সূরাহ ‘কাফ্ ওয়াল-কুরআনিল মাজীদ’ এবং সুরাহ ‘ইক্তারাবাতিস সা‘আতু ওয়ান্-শাক্কাল কামারু’ তিলাওয়াত করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 1155 — Sunan Abu Dawud 2:766
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّيْنَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعِيدَ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ " إِنَّا نَخْطُبُ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ لِلْخُطْبَةِ فَلْيَجْلِسْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَذْهَبَ فَلْيَذْهَبْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا مُرْسَلٌ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সায়িব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ঈদের সালাত আদায় করি। সালাত শেষে তিনি বলেনঃ আমি এখন খুত্ববাহ দিবো। যে খুত্ববাহ শুনার জন্য বসতে চায় সে বসবে, আর কেউ চলে যেতে চাইলে চলে যাবে।[1] সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুরসাল।
হাদিস 1156 — Sunan Abu Dawud 2:767
সহিহসহিহহাসান Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ - عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ يَوْمَ الْعِيدِ فِي طَرِيقٍ ثُمَّ رَجَعَ فِي طَرِيقٍ آخَرَ .
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসতেন।[1] সহীহ : বুখারী। জাবির হতে।
হাদিস 1157 — Sunan Abu Dawud 2:768
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ، عَنْ أَبِي عُمَيْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عُمُومَةٍ، لَهُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَكْبًا جَاءُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَشْهَدُونَ أَنَّهُمْ رَأَوُا الْهِلاَلَ بِالأَمْسِ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يُفْطِرُوا وَإِذَا أَصْبَحُوا أَنْ يَغْدُوا إِلَى مُصَلاَّهُمْ .
। আবূ ‘উমাইর ইবনু আনাস (রহঃ) হতে তার চাচা -যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী ছিলেন- সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একদল আরোহী এসে সাক্ষ্য দিলো যে, গতকাল তারা (ঈদের) চাঁদ দেখেছে। তিনি লোকদেরকে সওম ভঙ্গ করার এবং পরদিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1158 — Sunan Abu Dawud 2:769
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُوَيْدٍ، أَخْبَرَنِي أُنَيْسُ بْنُ أَبِي يَحْيَى، أَخْبَرَنِي إِسْحَاقُ بْنُ سَالِمٍ، مَوْلَى نَوْفَلِ بْنِ عَدِيٍّ أَخْبَرَنِي بَكْرُ بْنُ مُبَشِّرٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ كُنْتُ أَغْدُو مَعَ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمُصَلَّى يَوْمَ الْفِطْرِ وَيَوْمَ الأَضْحَى فَنَسْلُكُ بَطْنَ بَطْحَانَ حَتَّى نَأْتِيَ الْمُصَلَّى فَنُصَلِّيَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ نَرْجِعُ مِنْ بَطْنِ بَطْحَانَ إِلَى بُيُوتِنَا .
। বাকর ইবনু মুবাশশির আল-আনসারী (রাঃ) বলেন, আমি ঈদুল ফিত্বর ও ঈদুল আযহার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সাথে ঈদগাহে যেতাম। আমরা বাতনে বুতহান নামক প্রান্তর অতিক্রম করে ঈদগাহে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতাম। অতঃপর বাতনে বুতহানের পথ ধরেই আমাদের ঘরে ফিরতাম।[1] দুর্বল।
হাদিস 1159 — Sunan Abu Dawud 2:770
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (964) Sahih Muslim (884 After 890)
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈদুল ফিত্বরের দিন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে গিয়ে (ঈদের) দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। ঈদের সালাতের পূর্বে বা পরে তিনি কোন সালাত আদায় করেননি। অতঃপর তিনি বিলালকে সাথে নিয়ে মহিলাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে দান-খয়রাত করতে নসীহত করেন। মহিলারা নিজেদের কানের দুল ও হার (চাদরে) নিক্ষেপ করতে থাকলো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।