Qurani·قرآني
বাংলা

বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত (কিতাবুল ইস্তিসকা)

37 হাদিস · #1161–1197

হাদিস 1181 — Sunan Abu Dawud 3:21
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1046) Sahih Muslim (902)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ كَانَ كَثِيرُ بْنُ عَبَّاسٍ يُحَدِّثُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ مِثْلَ حَدِيثِ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
। কাসীর ইবনু ‘আব্বাস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর অবশিষ্ট বর্ণনা ‘উরওয়াহ হতে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেন, তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন এবং প্রতি রাক‘আতে দু‘টি করে রুকূ‘ করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1182 — Sunan Abu Dawud 3:22
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ بْنِ خَالِدٍ أَبُو مَسْعُودٍ الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحُدِّثْتُ عَنْ عُمَرَ بْنِ شَقِيقٍ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، - وَهَذَا لَفْظُهُ وَهُوَ أَتَمُّ - عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِهِمْ فَقَرَأَ بِسُورَةٍ مِنَ الطُّوَلِ وَرَكَعَ خَمْسَ رَكَعَاتٍ وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ الثَّانِيَةَ فَقَرَأَ سُورَةً مِنَ الطُّوَلِ وَرَكَعَ خَمْسَ رَكَعَاتٍ وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ جَلَسَ كَمَا هُوَ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ يَدْعُو حَتَّى انْجَلَى كُسُوفُهَا ‏.‏
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি সাহাবীদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি সালাতে দীর্ঘ সূরাহ তিলাওয়াত করেন। তিনি প্রথম রাক‘আতে পাঁচটি রুকূ‘ ও দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর দ্বিতীয় রাক‘আতে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সূরাহ তিলাওয়াত করেন। তাতেও পাঁচটি রুকূ‘ ও দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে বসে দু‘আ করতে থাকেন। এমতাবস্থায় সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়।[1] দুর্বল।
হাদিস 1183 — Sunan Abu Dawud 3:23
দাঈফMunkarহাসান Sahihসহিহ Muslim (909)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ فَقَرَأَ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ قَرَأَ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ قَرَأَ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ قَرَأَ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ سَجَدَ وَالأُخْرَى مِثْلُهَا ‏.‏
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেন। তিনি তাতে ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, অতঃপর ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, পুনরায় ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, আবার ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, অতঃপর সিজদা্ করেন এবং দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করেন। (অর্থাৎ প্রতি রাক‘আতে চারটি রুকূ‘)।[1] মুনকার।
হাদিস 1184 — Sunan Abu Dawud 3:24
দাঈফদাঈফহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي ثَعْلَبَةُ بْنُ عِبَادٍ الْعَبْدِيُّ، مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ أَنَّهُ شَهِدَ خُطْبَةً يَوْمًا لِسَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ قَالَ قَالَ سَمُرَةُ بَيْنَمَا أَنَا وَغُلاَمٌ مِنَ الأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضَيْنِ لَنَا حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ قِيدَ رُمْحَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةٍ فِي عَيْنِ النَّاظِرِ مِنَ الأُفُقِ اسْوَدَّتْ حَتَّى آضَتْ كَأَنَّهَا تَنُّومَةٌ فَقَالَ أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى الْمَسْجِدِ فَوَاللَّهِ لَيُحْدِثَنَّ شَأْنُ هَذِهِ الشَّمْسِ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أُمَّتِهِ حَدَثًا قَالَ فَدَفَعْنَا فَإِذَا هُوَ بَارِزٌ فَاسْتَقْدَمَ فَصَلَّى فَقَامَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا قَامَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا قَالَ ثُمَّ رَكَعَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا رَكَعَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا ثُمَّ سَجَدَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا سَجَدَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا ‏.‏ ثُمَّ فَعَلَ فِي الرَّكْعَةِ الأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ قَالَ فَوَافَقَ تَجَلِّي الشَّمْسِ جُلُوسَهُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ قَالَ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ قَامَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَشَهِدَ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَشَهِدَ أَنَّهُ عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ سَاقَ أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ خُطْبَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও এক আনসারী যুবক তীর চালনা করছিলাম। এমন সময় সূর্য যখন লোকদের নজরে আনুমানিক দুই বা তিন তীর পরিমাণ উপরে উঠেছিল তখন তা কালোজিরা বা কালো ফলের মত হয়ে যায়। তখন আমাদের একজন তার সাথীকে বললো, চলো মসাজিদে যাই। আল্লাহর শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মাতের উপর এ সূর্যের কারণে নিশ্চয়ই নতুন কিছূ ঘটতে যাচ্ছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা গিয়ে দেখি, তিনি বেরিয়ে এসে সম্মুখে অগ্রসর হয়ে সালাত আরম্ভ করেছেন। তিনি আমাদেরকে নিয়ে সালাতে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, ইতিপূর্বে কখনো তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াননি। তবে (নিঃশব্দে ক্বিরাআত পড়ায়) আমরা সালাতের মধ্যে তাঁর কোন শব্দ শুনতে পাইনি। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি আমাদেরকে নিয়ে রুকূ‘ করলেন এবং এত লম্বা রুকূ‘ করলেন যে, ইতিপূর্বে কখনো এত দীর্ঘ রুকূ‘ করেননি। এতেও আমরা তাঁর (তাসবীহ পাঠের) শব্দ শুনতে পাইনি। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এত দীর্ঘ সিজদা্ করলেন যে, ইতিপুর্বে সালাতে কখনো এরূপ দীর্ঘ সিজদা্ করেননি। এতেও আমরা তাঁর কোন শব্দ শুনতে পাইনি। অতঃপর দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি দ্বিতীয় রাক‘আতে বসা অবস্থায় থাকতেই সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা ও গুন বর্ণনা করে সাক্ষ্য দেন যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দেন যে, তিনি তাঁর বান্দাহ ও রসূল। অতঃপর আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) তার বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষণের বর্ণনা দেন।[1] দুর্বল।
হাদিস 1185 — Sunan Abu Dawud 3:25
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ قَبِيصَةَ الْهِلاَلِيِّ، قَالَ كُسِفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَجَ فَزِعًا يَجُرُّ ثَوْبَهُ وَأَنَا مَعَهُ يَوْمَئِذٍ بِالْمَدِينَةِ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فَأَطَالَ فِيهِمَا الْقِيَامَ ثُمَّ انْصَرَفَ وَانْجَلَتْ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّمَا هَذِهِ الآيَاتُ يُخَوِّفُ اللَّهُ بِهَا فَإِذَا رَأَيْتُمُوهَا فَصَلُّوا كَأَحْدَثِ صَلاَةٍ صَلَّيْتُمُوهَا مِنَ الْمَكْتُوبَةِ ‏"‏ ‏.‏
। ক্বাবীসাহ আল-হিলালী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কাপড় হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে খুব ভয়ের সাথে বের হলেন। তখন আমি তাঁর সাথে মাদীনায় ছিলাম। তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করালেন এবং এতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর তাঁর সালাত শেষ হলে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। এরপর তিনি বলেন, নিশ্চয় এগুলো হচ্ছে নিদর্শন, মহান আল্লাহ এর মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শন করেন। সতরাং যখন তোমরা এরূপ দেখবে, তখন এর পূর্বে তোমাদের আদায়কৃত (ফজরের) ফারয সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করবে।[1] দুর্বল।
হাদিস 1186 — Sunan Abu Dawud 3:26
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا رَيْحَانُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّ قَبِيصَةَ الْهِلاَلِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ الشَّمْسَ كُسِفَتْ بِمَعْنَى حَدِيثِ مُوسَى قَالَ حَتَّى بَدَتِ النُّجُومُ ‏.‏
। হিলাল ইবনু ‘আমির (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ক্বাবীসাহ আল-হিলালী (রাঃ) তাকে বলেছেন, একদা সূর্যগ্রহণ হয়। অতঃপর মূসা বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেন, গ্রহণের কারণে সূর্য এমনভাবে আচ্ছন্ন হয়েছিল যে, তারকারাজি পর্যন্ত দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল।[1] দুর্বল।
হাদিস 1187 — Sunan Abu Dawud 3:27
হাসানহাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا عَمِّي، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، كُلُّهُمْ قَدْ حَدَّثَنِي عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُسِفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى بِالنَّاسِ فَقَامَ فَحَزَرْتُ قِرَاءَتَهُ فَرَأَيْتُ أَنَّهُ قَرَأَ بِسُورَةِ الْبَقَرَةِ - وَسَاقَ الْحَدِيثَ - ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَأَطَالَ الْقِرَاءَةَ فَحَزَرْتُ قِرَاءَتَهُ فَرَأَيْتُ أَنَّهُ قَرَأَ بِسُورَةِ آلِ عِمْرَانَ ‏.‏
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সূর্যগ্রহণ হওয়ায় রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেরিয়ে এসে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি দাঁড়িয়ে এত দীর্ঘক্ষণ ক্বিরাআত পাঠ করেন যে, আমি অনুমান করে দেখেছি যে, তিনি সূরাহ বাক্বারাহ তিলাওয়াত করেছেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকী অংশ বর্ণনা করেন। এরপর তিনি দু‘টি সিজদা্ করেছেন। তারপর দাঁড়িয়ে এত দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠ করেন যে, আমি অনুমান করেছি যে, তিনি সূরাহ আলে-‘ইমরান তিলাওয়াত করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1188 — Sunan Abu Dawud 3:28
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ مَزْيَدٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ قِرَاءَةً طَوِيلَةً فَجَهَرَ بِهَا يَعْنِي فِي صَلاَةِ الْكُسُوفِ ‏.‏
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূর্যগ্রহণের সালাতে) স্বরবে অত্যধিক দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠ করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1189 — Sunan Abu Dawud 3:29
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1052) Sahih Muslim (907)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - كَذَا عِنْدَ الْقَاضِي وَالصَّوَابُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - قَالَ خُسِفَتِ الشَّمْسُ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسُ مَعَهُ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلاً بِنَحْوٍ مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ ثُمَّ رَكَعَ وَسَاقَ الْحَدِيثَ ‏.‏
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত এবং তাঁর সাথের লোকেরা সালাত আদায় করেন। তিনি (সালাতে) সূরাহ আল-বাক্বারাহ পড়ার সমপরিমাণ সময় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। তারপর রুকূ‘ করেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকী অংশটি বর্ণনা করেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1190 — Sunan Abu Dawud 3:30
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1066) Sahih Muslim (901)
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَمِرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ الزُّهْرِيَّ فَقَالَ الزُّهْرِيُّ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُسِفَتِ الشَّمْسُ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً فَنَادَى أَنَّ الصَّلاَةَ جَامِعَةٌ ‏.‏
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ করেন যে, সালাতের জামা‘আত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে (কাজেই তোমরা একত্রিত হও)।[1] সহীহ : মুসলি। বুখারী তা‘লীক্বভাবে।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।