সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1044) Sahih Muslim (901)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ لاَ يُخْسَفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَادْعُوا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَكَبِّرُوا وَتَصَدَّقُوا " .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো মৃত্যু এবং জন্মের কারণে সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা তা (সংঘটিত হতে) দেখবে তখন মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট দু‘আ করবে, তাকবীর বলবে এবং সাদাকা করবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1192 — Sunan Abu Dawud 3:32
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2519)
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ بِالْعَتَاقَةِ فِي صَلاَةِ الْكُسُوفِ .
। আসমা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সালাতের সময় গোলাম আযাদ করার আদেশ দিতেন।[1] সহীহ : বুখারী।
। নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি দু’ দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়েছে কিনা তা জিজ্ঞেস করতে থাকেন।[1] মুনকার।
হাদিস 1194 — Sunan Abu Dawud 3:34
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَكَدْ يَرْكَعُ ثُمَّ رَكَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَسْجُدُ ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَسْجُدُ ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ وَفَعَلَ فِي الرَّكْعَةِ الأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ نَفَخَ فِي آخِرِ سُجُودِهِ فَقَالَ " أُفْ أُفْ " . ثُمَّ قَالَ " رَبِّ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لاَ تُعَذِّبَهُمْ وَأَنَا فِيهِمْ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لاَ تُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ " . فَفَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ صَلاَتِهِ وَقَدْ أَمْحَصَتِ الشَّمْسُ وَسَاقَ الْحَدِيثَ .
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়ান। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, রুকূতেই যাচ্ছেন না। আতঃপর রুকূ‘ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অবশ্য পরে উঠালেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, সিজদা্ করার সম্ভাবনাই থাকলো না। অতঃপর সিজদা্ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ সিজদা্ করলেন যে, মাথা উঠানোর সম্ভাবনাই থাকলো না। অবশ্য পরে মাথা উঠালেন এবং প্রথম সিজদার পর এত দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেন যে, দ্বিতীয় সিজদা্ করবেন বলে সম্ভাবনা দেখা গেলো না। অতঃপর সিজদায় গিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সিজদা্ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অতঃপর উঠালেন এবং দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করলেন। পরে তিনি সর্বশেষ সাজদার মধ্যে করলেন উহঃ উহঃ শব্দ করলেন এবং বললেনঃ হে আমার প্রভূ! আপনি কি আমাকে এ প্রতিশ্রুতি দেননি যে, আমার বর্তমানে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? আপনি কি আমার সাথে ওয়াদা করেননি যে, তারা ক্ষমা চাইতে থাকলে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? এ বলে তিনি সালাত হতে অবসর হলে সূর্যও গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। আর এভাবেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে।[1] সহীহ : কিন্তু দুই রুকূ‘ উল্লেখসহ। যেমনটি বুখারী ও মুসলিমে আছে।
হাদিস 1195 — Sunan Abu Dawud 3:35
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (913)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ حَيَّانَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا أَنَا أَتَرَمَّى، بِأَسْهُمٍ فِي حَيَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ كُسِفَتِ الشَّمْسُ فَنَبَذْتُهُنَّ وَقُلْتُ لأَنْظُرَنَّ مَا أُحْدِثَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ الْيَوْمَ فَانْتَهَيْتُ إِلَيْهِ وَهُوَ رَافِعٌ يَدَيْهِ يُسَبِّحُ وَيُحَمِّدُ وَيُهَلِّلُ وَيَدْعُو حَتَّى حُسِرَ عَنِ الشَّمْسِ فَقَرَأَ بِسُورَتَيْنِ وَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ .
। ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’ হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু‘আ পাঠেরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু‘টি সূরার দ্বারা দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন।[1] সহীহ : মুসলিম সংক্ষেপে।
। ‘উবায়দুল্লাহ ইবনুন নাদর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, একদা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সময় একবার (আকাশ) অন্ধকারাচ্ছন্ন হলে আমি আনাস (রাঃ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ হামযাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আপনারা কখনো এরূপ বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন কি? তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহ পানাহ! তখন একটু জোরে বাতাস প্রবাহিত হলেই আমরা ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) হবার আশংকায় দ্রুত দৌড়িয়ে মসজিদে যেতাম।[1] দুর্বল।
হাদিস 1197 — Sunan Abu Dawud 3:37
হাসানহাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي صَفْوَانَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ قِيلَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ مَاتَتْ فُلاَنَةُ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَخَرَّ سَاجِدًا فَقِيلَ لَهُ أَتَسْجُدُ هَذِهِ السَّاعَةَ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا رَأَيْتُمْ آيَةً فَاسْجُدُوا " . وَأَىُّ آيَةٍ أَعْظَمُ مِنْ ذَهَابِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
। ‘ইকরিমাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন এক স্ত্রীর ইন্তেকালের সংবাদ দেয়া হলে তিনি সিজদায় লুটে পড়লেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এ সময় সিজদা্ করার কারণ কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন নির্দশন দেখবে, তখন সিজদা্ করবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীর ইন্তিকালের চেয়ে বড় নির্দশন (বিপদ) আর কি হতে পারে![1] হাসান