। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের দুর্বল লোকদেরকে রাতের অন্ধকারেই মিনায় প্রেরণ করেন এবং তাদেরকে নির্দেশ দেন, তারা যেন সূর্যোদয়ের পূর্বে জামরায় কংকর নিক্ষেপ না করে।[1] সহীহ।
হাদিস 1942 — Sunan Abu Dawud 11:222
দাঈফদাঈফদাঈফIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ، - يَعْنِي ابْنَ عُثْمَانَ - عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ أَرْسَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِأُمِّ سَلَمَةَ لَيْلَةَ النَّحْرِ فَرَمَتِ الْجَمْرَةَ قَبْلَ الْفَجْرِ ثُمَّ مَضَتْ فَأَفَاضَتْ وَكَانَ ذَلِكَ الْيَوْمُ الْيَوْمَ الَّذِي يَكُونُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - تَعْنِي - عِنْدَهَا .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর রাতেই উম্মু সালামাহ (রাযি.)-কে মিনায় প্রেরণ করেন এবং তিনি ফজরের পূর্বেই কংকর নিক্ষেপ করেন। অতঃপর তিনি (বায়তুল্লাহ) যিয়ারাতে গিয়ে ‘তাওয়াফে ইফাদা’ সম্পন্ন করেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, ঐ দিনটি ছিলো এমন দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন তার কাছে অবস্থান করবেন।[1] দুর্বল।
হাদিস 1943 — Sunan Abu Dawud 11:223
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، أَخْبَرَنِي مُخْبِرٌ، عَنْ أَسْمَاءَ، أَنَّهَا رَمَتِ الْجَمْرَةَ قُلْتُ إِنَّا رَمَيْنَا الْجَمْرَةَ بِلَيْلٍ . قَالَتْ إِنَّا كُنَّا نَصْنَعُ هَذَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
। আসমা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ‘জামরাতুল আকাবায়’ কংকর মেরেছেন। বর্ণনাকারী বললেন, আমরা রাতেই জামরায় কংকর মেরেছি। আসমা (রাযি.) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে এরূপ করেছি।[1] সহীহ।
হাদিস 1944 — Sunan Abu Dawud 11:224
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ أَفَاضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ السَّكِينَةُ وَأَمَرَهُمْ أَنْ يَرْمُوا بِمِثْلِ حَصَى الْخَذْفِ وَأَوْضَعَ فِي وَادِي مُحَسِّرٍ .
। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফা থেকে শান্তভাবে রওয়ানা হলেন এবং লোকদেরকে ছোট কংকর মারার নির্দেশ দিলেন। তিনি দ্রুত গতিতে মুহাসসির উপত্যকা অতিক্রম করেন।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, আবূ বাকর (রাযি.) নহরের দিন আমাকে এরূপ ঘোষণা দিতে পাঠালেন যে, ‘এ বছরের পর আর কোনো মুশরিক হজ (হজ্জ) করতে পারবে না এবং কেউ উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না।’ আর এই কুরবানীর দিনই হচ্ছে হজে (হজ্জে) আকবার এবং হজে (হজ্জে) আকবার হলো হজ (হজ্জ)।[1] সহীহ।
হাদিস 1947 — Sunan Abu Dawud 11:227
সহিহIsnaad Sahih Sahih Bukhari (4406) Sahih Muslim (1679)
। আবূ বাকরাহ সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বিদায় হজের (হজ্জের) ভাষণে বলেনঃ মহান আল্লাহ যেদিন আকাশসমূহ এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে কালচক্র একইভাবে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। এ চারটি মাসের মধ্যে যুল-কা‘দাহ, যুল-হিজ্জা ও মুহাররাম এ তিনটি মাস পরপর রয়েছে। চতুর্থ মাসটি হলো রজবে মুদার, যা জুমাদা ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।[1] সহীহ।
হাদিস 1948 — Sunan Abu Dawud 11:228
দাঈফসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4406) Sahih Muslim (1679)
। আবূ বাকরাহ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যদিও পূর্বের হাদীসে ‘ইবনু আবূ বাকরাহ বলা হয়েছে’ তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু এ হাদীসের ইবনু ‘আওন তার নাম উল্লেখ করেছেন ‘আব্দুর রহমান ইবনু আবূ বাকরাহ।[1] আমি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
। ‘আব্দুর রহমান ইবনু ইয়া‘মুর আদ-দীলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন সময় এলাম যখন তিনি আরাফায় ছিলেন। এ সময় নাজদ এলাকার কতিপয় লোক বা একদল লোক এলো। তারা তাদের একজনকে নির্দেশ দিলে সে উচ্চস্বরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলো, হজ (হজ্জ) কেমন? এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দেয়া হলে সেও উচ্চস্বরে বললো, ‘হজ (হজ্জ)-হচ্ছে (নয় তারিখ) আরাফার ময়দানে উপস্থিত হওয়া। যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফজরের সালাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আরাফায় উপস্থিত হতে পেরেছে সে তার হজ্জকে পূর্ণ করেছে। মিনায় তিন দিন অবস্থান করতে হয়। কেউ সেখানে দুই দিনে কাজ সমাপ্ত করতে চাইলে করতে পারে, এতে দোষ নেই। আর কেউ বিলম্ব করতে চাইলে করতে পারে, এতেও দোষ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে তাঁর পেছনে সওয়ারীর উপর বসালেন এবং সে উক্ত কথাগুলো ঘোষণা দিতে থাকলো। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, মিহরান সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল-হাজ্জ আল-হাজ্জ শব্দটি দু‘বার উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান সুফিয়ান থেকে আল-হাজ্জ শব্দটি শুধু একবার উচ্চারণ করেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1950 — Sunan Abu Dawud 11:230
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَامِرٌ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ مُضَرِّسٍ الطَّائِيُّ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَوْقِفِ - يَعْنِي بِجَمْعٍ قُلْتُ جِئْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مِنْ جَبَلِ طَيِّئٍ أَكْلَلْتُ مَطِيَّتِي وَأَتْعَبْتُ نَفْسِي وَاللَّهِ مَا تَرَكْتُ مِنْ جَبَلٍ إِلاَّ وَقَفْتُ عَلَيْهِ فَهَلْ لِي مِنْ حَجٍّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَدْرَكَ مَعَنَا هَذِهِ الصَّلاَةَ وَأَتَى عَرَفَاتٍ قَبْلَ ذَلِكَ لَيْلاً أَوْ نَهَارًا فَقَدْ تَمَّ حَجُّهُ وَقَضَى تَفَثَهُ " .
। ‘উরওয়াহ ইবনু মুদাররিস আত্-তায়ী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ‘তায়ী’ পাহাড় থেকে আগমন করেছি। আমার সওয়ারী ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং আমি নিজেও ক্লান্ত। আল্লাহর শপথ! আমি চলার পথে যে পাহাড়ই পেয়েছি, তার উপর ক্ষনিক অবস্থান করেছি। আমার হজের (হজ্জের) কিছুটা অবশিষ্ট আছে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের সাথে (কুরবানীর দিন) এ স্থানে ফজরের সালাত আদায় করেছে এবং এর পূর্ব রাতে বা দিনে আরাফায় উপস্থিত হয়েছে, তার হজ (হজ্জ) পরিপূর্ণ হয়েছে এবং সে তার অবাঞ্চিত জিনিসগুলো দূর করেছে।[1] সহীহ।