। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘উসমান (রাযি.) মিনাতে চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। কারণ তিনি হজের (হজ্জের) পর সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[1] দুর্বল।
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উসমান (রাযি.) যখন তাদের এলাকায় কিছু সম্পদ পেলেন তখন তিনি সেখানে কিছুদিন অবস্থানের ইচ্ছা করলেন। সেজন্যই তিনি সালাত চার রাক‘আত আদায় করেন। অতঃপর (উমাইয়্যাহ) শাসকগণও সেখানে অনুরূপ করেছেন।[1] দুর্বল।
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.) আরববাসীদের অধিক উপস্থিতির কারণেই মিনাতে পূর্ণ চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। যাতে তারা জানতে পারে যে, (আসলে) সালাত চার রাক‘আতই।[1] হাসান।
হাদিস 1965 — Sunan Abu Dawud 11:245
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari (1083) Sahih Muslim (696)
। হারিসা ইবনু ওয়াহব আল-খুযাঈ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তার মা ছিলেন ‘উমার (রাযি.)-এর স্ত্রী। তার গর্ভে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে জন্ম হয়। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিনায় সালাত আদায় করেছি। সে বছর লোকজনের সংখ্যা অন্যান্য বছরের তুলনায় অধিক ছিলো। সুতরাং বিদায় হজের (হজ্জের) দিন তিনি আমাদেরকে কসর সালাত পড়িয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1966 — Sunan Abu Dawud 11:246
হাসানহাসানহাসান Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، عَنْ أُمِّهِ، قَالَتْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْمِي الْجَمْرَةَ مِنْ بَطْنِ الْوَادِي وَهُوَ رَاكِبٌ يُكَبِّرُ مَعَ كُلِّ حَصَاةٍ وَرَجُلٌ مِنْ خَلْفِهِ يَسْتُرُهُ فَسَأَلْتُ عَنِ الرَّجُلِ فَقَالُوا الْفَضْلُ بْنُ الْعَبَّاسِ وَازْدَحَمَ النَّاسُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا أَيُّهَا النَّاسُ لاَ يَقْتُلْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا وَإِذَا رَمَيْتُمُ الْجَمْرَةَ فَارْمُوا بِمِثْلِ حَصَى الْخَذْفِ " .
। সুলাইমান ইবনু ‘আমর ইবনুল আহওয়াস (রহ.) থেকে তার মাতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সওয়ারী অবস্থায় উপত্যকার কেন্দ্রস্থল থেকে কংকর মারতে দেখেছি। প্রত্যেক কংকর মারার সময় তিনি তাকবীর বলেছেন। এ সময় এক লোক তাঁকে পেছন থেকে আড়াল করে রেখেছিল। আমি লোকটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে লোকেরা বললো, তিনি আল-ফাদল ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)। লোকজনের ভীড় হচ্ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে লোকেরা! তোমরা (বড়) কংকর নিক্ষেপ করে একে অপরকে হত্যা করো। তোমরা জামরায় কংকর নিক্ষেপ করার সময় ছোট পাথর কুচি নিক্ষেপ করবে।[1] হাসান।
। সুলাইমান ইবনু ‘আমর ইবনুল আহওয়াস (রহ.) থেকে তার মাতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জামরাতে আকাবার নিকট বাহনে সওয়ার অবস্থায় দেখেছি এবং দেখেছি তাঁর আঙ্গুলের ফাঁকে কংকর রয়েছে। তিনি নিক্ষেপ করলে লোকেরাও নিক্ষেপ করলো।[1] সহীহ।
। ইয়াযীদ ইবনু আবূ যিয়াদ (রহ.) উক্ত সনদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে আরো রয়েছেঃ তিনি (কংকর মেরে) সেখানে দাঁড়িয়ে থাকেননি।[1] সহীহ।
হাদিস 1969 — Sunan Abu Dawud 11:249
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ - عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَأْتِي الْجِمَارَ فِي الأَيَّامِ الثَّلاَثَةِ بَعْدَ يَوْمِ النَّحْرِ مَاشِيًا ذَاهِبًا وَرَاجِعًا وَيُخْبِرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ .
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি কংকর মারার জন্য (কুরবানীর পরের) তিন দিন জামরাতসমূহে পায়ে হেঁটে আসা-যাওয়া করতেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এরূপ করতেন।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাহনে সওয়ার অবস্থায় কংকর মারতে দেখেছি। এ সময় তিনি বলেছিলেনঃ তোমরা হজের (হজ্জের) নিয়ম-পদ্ধতি শিখে নাও। তিনি আরো বলেনঃ আমি অবহিত নই আমার এই হজের (হজ্জের) পর আবার হজ (হজ্জ) করার সুযোগ পাবো কি না।[1] সহীহ।