। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দ্বি-প্রহরে তাঁর বাহনে আরোহিত অবস্থায় কংকর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। আর এর পরের দিনগুলোতে তিনি সূর্য ঢলে পড়ার পর কংকর নিক্ষেপ করেছেন।[1] সহীহ।
। ওয়াবারাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে জামরায় কখন কংকর নিক্ষেপ করবো তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তোমার ইমাম যখন নিক্ষেপ করেন তখন তুমিও নিক্ষেপ করবে। আমি আমার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলে তিনি বলেন, সূর্য ঢলা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করতাম। সুতরাং যখন সূর্য ঢলে পড়লেই আমরা কংকর নিক্ষেপ করতাম।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কুরবানীর দিন) যুহরের সালাত আদায় করে দিনের শেষভাগে ফরয তাওয়াফ সম্পন্ন করেন। এরপর মিনায় আসেন এবং সেখানে তাশরীকের দিন রাতগুলো অতিবাহিত করেন। তিনি সূর্য ঢলার পর জামরায় কংকর মারেন। তিনি প্রত্যেক জামরায় সাতটি কংকর মারেন এবং প্রত্যেক কংকর মারার সময় তাকবীর বলেন। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় জামরায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বিনয়ের সাথে দু‘আ করেন। অবশ্য তৃতীয় জামরাতে কংকর মারার পর সেখানে অবস্থান করেননি।[1] সহীহ; তার ‘‘যুহরের সালাত আদায় করে’’ কথাটি বাদে। কেননা এটি মুনকার।
হাদিস 1974 — Sunan Abu Dawud 11:254
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari (1748) Sahih Muslim (1296)
। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি জামরাতুল কুবরার নিকটবর্তী হয়ে বায়তুল্লাহকে তার বামদিকে এবং মিনাকে তার ডান দিকে রেখে জামরাতে সাতটি কংকর মারলেন এবং বললেনঃ যাঁর উপর সূরা আল-বাকারাহ অবতীর্ণ হয়েছে তিনি এভাবেই (কংকর) নিক্ষেপ করেছেন।[1] সহীহ।
। আবুল বাদ্দাহ ইবনু ‘আসিম (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের রাখালদেরকে মিনার বাইরে রাত যাপনের অনুমতি দেন। তারা কেবল কুরবানীর দিন কংকর মারবে এবং পরের দু‘দিন ও প্রত্যাবর্তনের দিন (তের তারিখ) কংকর নিক্ষেপ করবে।[1] সহীহ।
হাদিস 1976 — Sunan Abu Dawud 11:256
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَمُحَمَّدِ، ابْنَىْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِيهِمَا، عَنْ أَبِي الْبَدَّاحِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ لِلرِّعَاءِ أَنْ يَرْمُوا يَوْمًا وَيَدَعُوا يَوْمًا .
। আবুল বাদ্দাহ ইবনু ‘আদী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের রাখালদেরকে একদিন বাদ দিয়ে একদিন (অর্থাৎ ১১ ও ১২ তারিখ) কংকর মারার বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1977 — Sunan Abu Dawud 11:257
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مِجْلَزٍ، يَقُولُ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ شَىْءٍ، مِنْ أَمْرِ الْجِمَارِ فَقَالَ مَا أَدْرِي أَرَمَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِسِتٍّ أَوْ بِسَبْعٍ .
। আবূ মিজলায (রহ.) বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে (জামরাতে) কয়টি কংকর মারতে হবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি অবহিত নই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছয়টি কংকর মেরেছেন নাকি সাতটি।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি ‘জামরায় আকাবায়’ কংকর নিক্ষেপ করার পর স্ত্রী সহবাস ছাড়া তার জন্য সবই হালাল হয়ে যায়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসটি যঈফ। কারণ যুহরীর সাথে হাজ্জাজের সাক্ষাৎ হয়নি এবং তার থেকে তিনি হাদীসও শুনেননি।[1] সহীহ।
হাদিস 1979 — Sunan Abu Dawud 11:259
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1727) Sahih Muslim (1301)