Qurani·قرآني
বাংলা

তালাক

122 হাদিস · #1150–1271

হাদিস 1260 — Muwatta Malik 29:57
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ لاَ يَعْزِلُ وَكَانَ يَكْرَهُ الْعَزْلَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আযল করিতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানিতেন।
হাদিস 1261 — Muwatta Malik 29:58
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ عَمْرِو بْنِ غَزِيَّةَ، أَنَّهُ كَانَ جَالِسًا عِنْدَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فَجَاءَهُ ابْنُ قَهْدٍ - رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ - فَقَالَ يَا أَبَا سَعِيدٍ إِنَّ عِنْدِي جَوَارِيَ لِي لَيْسَ نِسَائِي اللاَّتِي أُكِنُّ بِأَعْجَبَ إِلَىَّ مِنْهُنَّ وَلَيْسَ كُلُّهُنَّ يُعْجِبُنِي أَنْ تَحْمِلَ مِنِّي أَفَأَعْزِلُ فَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ أَفْتِهِ يَا حَجَّاجُ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ يَغْفِرُ اللَّهُ لَكَ إِنَّمَا نَجْلِسُ عِنْدَكَ لِنَتَعَلَّمَ مِنْكَ ‏.‏ قَالَ أَفْتِهِ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ هُوَ حَرْثُكَ إِنْ شِئْتَ سَقَيْتَهُ وَإِنْ شِئْتَ أَعْطَشْتَهُ ‏.‏ قَالَ وَكُنْتُ أَسْمَعُ ذَلِكَ مِنْ زَيْدٍ فَقَالَ زَيْدٌ صَدَقَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯৯. হাজ্জাজ ইবন আমর ইবন গাযিয়্যা[1] (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবন ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাহার নিকট আসিল এবং বলিল, হে আবূ সাঈদ, আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রহিয়াছে যে, আমার স্ত্রীগণ উহাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নহে।আমার দ্বারা উহাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হউক ইহা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করিতে পারি কি? যায়দ বলিলেন, হে হাজ্জাজ; তুমি ফতোয়া দাও; আমি বলিলাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার নিকট ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বলিলেনঃ হে হাজ্জাজ। ফতোয়া বলিয়া দাও। হাজ্জাজ বলিলেনঃ তারপর আমি বলিলাম-উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুষ্ক করিয়া রাখ। তিনি বলেন, আমি ইহা যায়দ হইতে শুনিয়াছি। অতঃপর যায়দ বলিলেন, (হাজ্জাজ) সত্য বলিয়াছে।
হাদিস 1262 — Muwatta Malik 29:59
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ الْمَكِّيِّ، عَنْ رَجُلٍ، يُقَالُ لَهُ ذَفِيفٌ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ الْعَزْلِ فَدَعَا جَارِيَةً لَهُ فَقَالَ أَخْبِرِيهِمْ ‏.‏ فَكَأَنَّهَا اسْتَحْيَتْ ‏.‏ فَقَالَ هُوَ ذَلِكَ أَمَّا أَنَا فَأَفْعَلُهُ ‏.‏ يَعْنِي أَنَّهُ يَعْزِلُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَعْزِلُ الرَّجُلُ عَنِ الْمَرْأَةِ الْحُرَّةِ إِلاَّ بِإِذْنِهَا وَلاَ بَأْسَ أَنْ يَعْزِلَ عَنْ أَمَتِهِ بِغَيْرِ إِذْنِهَا وَمَنْ كَانَتْ تَحْتَهُ أَمَةُ قَوْمٍ فَلاَ يَعْزِلُ إِلاَّ بِإِذْنِهِمْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০০. যকীফ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল আযল সম্পর্কে। তিনি তাহার জনৈকা দাসীকে ডাকিয়া বলিলেন-ইহাদিগকে বাতলাইয়া দাও। দাসী লজ্জাবোধ করিল। ইবন আব্বাস বলিলেনঃ ইহা তাহাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও উহা করিয়া থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তাহার অনুমতি ছাড়া উহার সহিত আযল করাতে কোন দোষ নাই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করিলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সহিত আযল করিবে না।
হাদিস 1263 — Muwatta Malik 29:60
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ هَذِهِ الأَحَادِيثَ الثَّلاَثَةَ، قَالَتْ زَيْنَبُ دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ تُوُفِّيَ أَبُوهَا أَبُو سُفْيَانَ بْنُ حَرْبٍ فَدَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِطِيبٍ فِيهِ صُفْرَةٌ خَلُوقٌ أَوْ غَيْرُهُ فَدَهَنَتْ بِهِ جَارِيَةً ثُمَّ مَسَحَتْ بِعَارِضَيْهَا ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيْتٍ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০১. যয়নাব বিনত আবু সালমা (রহঃ) নাফি' (রহঃ)-এর নিকট তিনটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে হাবীব (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করিলাম, যখন তাহার পিতা আবু সুফিয়ান ইবন হারব (রাঃ) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি হলুদ বর্ণের কিছু সুগন্ধি চাহিলেন। খুলুক [পাঁচ মিশালী খোশবু যাহাতে কয়েক প্রকারের সুগন্ধি দ্রব্যের সংমিশ্রণ রহিয়াছে যাফরান উহাদের অন্যতম] ছিল বা অন্য কোন সুগন্ধি। তিনি উহা তাহার বাদীকে লাগাইলেন। তারপর তাহার গণ্ডদ্বয়ে (খোশবু মাখা) হাত বুলাইলেন, অতঃপর বলিলেনঃ আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন নাই। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন নারীর পক্ষে কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির বেশি শোক পালন করা হালাল নহে। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন (শোক পালন করিবে)।
হাদিস 1264 — Muwatta Malik 29:61
সহিহ
قَالَتْ زَيْنَبُ ثُمَّ دَخَلْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ تُوُفِّيَ أَخُوهَا فَدَعَتْ بِطِيبٍ فَمَسَّتْ مِنْهُ ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ حَاجَةٌ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ تُحِدُّ عَلَى مَيْتٍ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০৪. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীদ্বয় আয়েশা ও হাফসা (রাঃ) হইতে বর্ণিত-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন স্ত্রীলোকের জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত শোক পালন করা হালাল নহে।
হাদিস 1265 — Muwatta Malik 29:62
সহিহ
قَالَتْ زَيْنَبُ وَسَمِعْتُ أُمِّي أُمَّ سَلَمَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ ابْنَتِي تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَقَدِ اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا أَفَتَكْحُلُهُمَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ ‏"‏ ‏.‏ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا كُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ ‏"‏ لاَ ‏"‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا وَقَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ تَرْمِي بِالْبَعْرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ حُمَيْدُ بْنُ نَافِعٍ فَقُلْتُ لِزَيْنَبَ وَمَا تَرْمِي بِالْبَعْرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ فَقَالَتْ زَيْنَبُ كَانَتِ الْمَرْأَةُ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا دَخَلَتْ حِفْشًا وَلَبِسَتْ شَرَّ ثِيَابِهَا وَلَمْ تَمَسَّ طِيبًا وَلاَ شَيْئًا حَتَّى تَمُرَّ بِهَا سَنَةٌ ثُمَّ تُؤْتَى بِدَابَّةٍ حِمَارٍ أَوْ شَاةٍ أَوْ طَيْرٍ فَتَفْتَضُّ بِهِ فَقَلَّمَا تَفْتَضُّ بِشَىْءٍ إِلاَّ مَاتَ ثُمَّ تَخْرُجُ فَتُعْطَى بَعْرَةً فَتَرْمِي بِهَا ثُمَّ تُرَاجِعُ بَعْدُ مَا شَاءَتْ مِنْ طِيبٍ أَوْ غَيْرِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০৩. যয়নাব বলেন, আমি আমার মাতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, একজন মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলেন এবং বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, তাহার চক্ষুতে ব্যথা, আমি কি তাহার চক্ষুতে সুরমা লাগাইতে পারি? (উত্তরে) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ না, দুইবার অথবা তিনবার বলিলেন; প্রতিবার এইরূপ না বলিলেন। অতঃপর বলিলেনঃ ইদ্দত হইতেছে চার মাস দশ দিন। জাহিলিয়্যা যুগে তোমাদের প্রথা ছিল, একজন এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল ছুড়িয়া মারিত। হুমায়িদ ইবন নাফি' বলেনঃ আমি যয়নাবকে বলিলাম, এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল কেন ছুড়িয়া মারিত? যয়নাব (রাঃ) বলিলেন, কোন মেয়েলোকের স্বামীর মৃত্যু হইলে (নিয়ম এই ছিল যে,) সে একটি কুঠরিতে প্রবেশ করিত এবং নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করিত, খোশবু এবং এই জাতীয় কোন (সাজ-সজ্জার কোন কিছু) বস্তু স্পর্শ করিত না। এইভাবে এক বৎসর অতিবাহিত হইলে পর তাহার নিকট উপস্থিত করা হইত চতুষ্পদ জন্তু গাধা, বকরী অথবা কোন পাখী এবং উহা দ্বারা (তাহার লজ্জাস্থানে) ঘর্ষণ করা হইত, ঘর্ষণ করার পর সেই জীব প্রায় মারা যাইত, তারপর সে বন্ধ ঘর হইতে বাহির হইত। অতঃপর তাহার সম্মুখে উটের মল উপস্থিত করা হইত সে উহাকে ছুড়িয়া মারিত। তারপর যাহা ইচ্ছা খোশবু ইত্যাদি ব্যবহার করিত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হিফশ (حفش) শব্দের অর্থ নিকৃষ্ট ঘর, (تفتض)-এর অর্থ উহাকে দেহের চামড়ায় ঘর্ষণ করিত যেমন করাত।
হাদিস 1266 — Muwatta Malik 29:63
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، وَحَفْصَةَ، زَوْجَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، وَحَفْصَةَ، زَوْجَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ
হাদিস 1267 — Muwatta Malik 29:64
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ لاِمْرَأَةٍ حَادٍّ عَلَى زَوْجِهَا اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا فَبَلَغَ ذَلِكَ مِنْهَا اكْتَحِلِي بِكُحْلِ الْجِلاَءِ بِاللَّيْلِ وَامْسَحِيهِ بِالنَّهَارِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ), স্বামীর জন্য শোক পালন করিতেছিল এমন এক মহিলাকে, যাহার চক্ষুতে পীড়া হইয়াছিল এবং চক্ষুপীড়া চরমে পৌছিয়াছিল, বলিয়াছিলেন, ইসমিদ সুরমা রাত্রিতে চক্ষুতে লাগাও, দিনের বেলায় সুরমা মুছিয়া ফেল।
হাদিস 1268 — Muwatta Malik 29:65
Maqtu Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُمَا كَانَا يَقُولاَنِ فِي الْمَرْأَةِ يُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا إِنَّهَا إِذَا خَشِيَتْ عَلَى بَصَرِهَا مِنْ رَمَدٍ أَوْ شَكْوٍ أَصَابَهَا إِنَّهَا تَكْتَحِلُ وَتَتَدَاوَى بِدَوَاءٍ أَوْ كُحْلٍ وَإِنْ كَانَ فِيهِ طِيبٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِذَا كَانَتِ الضَّرُورَةُ فَإِنَّ دِينَ اللَّهِ يُسْرٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গিয়াছে (সে ইদ্দত পালনরতা) সেই স্ত্রীলোক সম্পর্কে সালিম ইবন আবদিল্লাহ ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিতেনঃ যদি চক্ষুর প্রতি কোন আশংকা দেখা দেয় চক্ষু উঠা বা অন্য কোন চক্ষুপীড়ার দরুন সে সুরমা লাগাইবে এবং সুরমা অথবা অন্য কোন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করিবে যদিও উহাতে সুগন্ধ থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আবশ্যক হইলে উহা করিবে, কারণ আল্লাহর দীন সহজ।
হাদিস 1269 — Muwatta Malik 29:66
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ، اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا وَهِيَ حَادٌّ عَلَى زَوْجِهَا عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَلَمْ تَكْتَحِلْ حَتَّى كَادَتْ عَيْنَاهَا تَرْمَصَانِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ تَدَّهِنُ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا بِالزَّيْتِ وَالشَّبْرَقِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ إِذَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ طِيبٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ تَلْبَسُ الْمَرْأَةُ الْحَادُّ عَلَى زَوْجِهَا شَيْئًا مِنَ الْحَلْىِ خَاتَمًا وَلاَ خَلْخَالاً وَلاَ غَيْرَ ذَلِكَ مِنَ الْحَلْىِ وَلاَ تَلْبَسُ شَيْئًا مِنَ الْعَصْبِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ عَصْبًا غَلِيظًا وَلاَ تَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا بِشَىْءٍ مِنَ الصِّبْغِ إِلاَّ بِالسَّوَادِ وَلاَ تَمْتَشِطُ إِلاَّ بِالسِّدْرِ وَمَا أَشْبَهَهُ مِمَّا لاَ يَخْتَمِرُ فِي رَأْسِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সফিয়া বিন্‌ত আবী উবাইদ-এর চক্ষুতে রোগ দেখা দিল। তিনি তখন তাহার স্বামী আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর মৃত্যুর শোক পালন করিতেছিলেন। তাহার চক্ষু পীড়িত হইয়া চক্ষুদ্বয়ে ছানি পড়িয়াছে, তবুও তিনি সুরমা ব্যবহার করেন নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে স্ত্রীর স্বামী মারা গিয়াছে সে স্ত্রী ইদ্দতের সময় যায়তুন তৈল এবং এই জাতীয় অন্য তৈল, যাহাতে খোশবু নাই, ব্যবহার করিতে পারিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্বামীর জন্য শোক পালনরতা স্ত্রী গহনা পরিধান করিবে না, যেমন আংটি, পায়ের চুড়ি বা অন্য কোন গহনা এবং য়ামানী নামক বস্ত্রও পরিধান করিবে না। যদি উহা মোটা হয় তবে পরিধান করিতে পারবে। কেবলমাত্র কাল রঙ ব্যতীত কোন প্রকার রঙ্গীন কাপড় পরিধান করিবে না। কুল পাতা বা সেই জাতীয় বস্তু যাহাতে বর্ণ ও গন্ধ নাই এবং যাহা সুগন্ধিস্বরূপ ব্যবহৃত হয় না। তাহা ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য দ্বারা মাথা ধুইবে না এবং চিরুনী ব্যবহার করিবে না।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।