Qurani·قرآني
বাংলা

সিয়াম

60 হাদিস · #630–689

হাদিস 680 — Muwatta Malik 18:51
Munkar
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عَائِشَةَ، وَحَفْصَةَ، زَوْجَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَصْبَحَتَا صَائِمَتَيْنِ مُتَطَوِّعَتَيْنِ فَأُهْدِيَ لَهُمَا طَعَامٌ فَأَفْطَرَتَا عَلَيْهِ فَدَخَلَ عَلَيْهِمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ عَائِشَةُ فَقَالَتْ حَفْصَةُ وَبَدَرَتْنِي بِالْكَلاَمِ - وَكَانَتْ بِنْتَ أَبِيهَا - يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصْبَحْتُ أَنَا وَعَائِشَةُ صَائِمَتَيْنِ مُتَطَوِّعَتَيْنِ فَأُهْدِيَ إِلَيْنَا طَعَامٌ فَأَفْطَرْنَا عَلَيْهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اقْضِيَا مَكَانَهُ يَوْمًا آخَرَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫০. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত- নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা ও হাফসা (রাঃ)-এর নফল রোযার নিয়তে ফজর হইল এবং তাহদের উভয়ের জন্য খাদ্যদ্রব্য হাদিয়াস্বরূপ প্রেরণ করা হয়। তাহারা উহা দ্বারা রোযা ভাঙিয়া ফেলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করিলেন। ইবন শিহাব (রহঃ) বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ হাফসা (রাঃ) ছিলেন পিতার মত সাহসী। আর তিনি আমার আগে কথা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এবং আয়েশা আমরা উভয়ের নফল রোযা অবস্থায় ফজর হইল। অতঃপর আমাদের উদ্দেশ্যে খাদ্যদ্রব্য হাদিয়ারূপে প্রেরণ করা হয়। আমরা উহা দ্বারা রোযা ভাঙিয়া ফেলি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার বক্তব্য শোনার পর বলিলেনঃ তোমরা এই রোযার পরিবর্তে অন্য একদিন (রোযা) কাযা করিবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ আমি মালিক (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, যে ভুলবশত নফল রোযা অবস্থায় আহার অথবা পান করে, তাহার উপর কাযা ওয়াজিব নহে। নফল রোযা অবস্থায় যেই দিন আহার বা পান করিয়াছে সেই দিনের রোযা পূর্ণ করিবে এবং রোযা ভঙ্গ করিবে না। আর নফল রোযাদার যদি এমন কোন অসুবিধার সম্মুখীন হয়, যাহার কারণে রোযা ভাঙিতে হয়, তবে তাহাকে কাযা করিতে হইবে না, যদি কোন ওযরবশত রোযা ভাঙিয়া থাকে এবং ইচ্ছা করিয়া রোযা ভঙ্গ না করে। আর আমি সেই ব্যক্তির জন্য নফল নামাযের কাযা জরুরী মনে করি না, যে ব্যক্তি এমন কোন হাদাস-এর (পেশাব-পায়খানার আবেগ, বায়ু নির্গত হওয়ার আবেগ) কারণে নামায ভাঙিয়াছে, যাহাকে বাধা দিয়া রাখা যায় না, যাহাতে ওযুর প্রয়োজন হয়। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ কোন ব্যক্তি নেক আমলসমূহের মধ্যে কোন নেক আমলে প্রবৃত্ত হইলে (নেক আমল বলিতে) যথা নামায, রোযা, হজ্জ বা অনুরূপ কোন নেক আমল, যাহা লোকে নফলস্বরূপ করিয়া থাকে, সেই ব্যক্তির জন্য উহা ছাড়িয়া দেওয়া সমীচীন নহে, যতক্ষণ উহা সুন্নত মুতাবিক পূর্ণ না করে। যদি নামাযের নিয়তে তকবীর বলে তবে দুই রাকাআত না পড়া পর্যন্ত উহা ছাড়িবে না। রোযা রাখিলে সেই দিনের রোযা পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইফতার করিবে না। ইহরাম বাঁধিলে তাহার হজ্জ পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইহরাম ছাড়িবে না। যখন তাওয়াফে প্রবেশ করিবে সাত তাওয়াফ পূর্ণ না করা পর্যন্ত উহা ছাড়িবে না। এই সকলের মধ্যে কোন ইবাদতই আরম্ভ করিয়া ছাড়িয়া দেওয়া উচিত নহে, যতক্ষণ উহা পূর্ণ না করে। তবে কোন ওযরবশত যাহা তাহার জন্য প্রকাশ পায়, যেরূপ লোকের ওযর প্রকাশ পাইয়া থাকে, যেমন পীড়াসমূহ যাহার কারণে মাযুর (অক্ষম) হইয়া যায় অথবা অন্য কোন কারণে অক্ষম বলিয়া গণ্য হয়। ইহা এইজন্য যে, আল্লাহ্ তা'আলা কিতাবে ইরশাদ করিয়াছেনঃ ‘পানাহার করিতে থাক, যতক্ষণ পর্যন্ত সাদা বর্ণের সুতা (সুবহে সাদিক) কালবর্ণের সুতা (সুবহে কাযিব) হইতে প্রকাশিত না হয়। অতঃপর রাত্রি পর্যন্ত রোযা পূর্ণ কর। ফলে তাহার উপর রোযা পূর্ণ করা ওয়াজিব। যেমন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ তোমরা আল্লাহর জন্য হজ্জ ও উমরাহ পূর্ণ কর। অতঃপর যদি কোন ব্যক্তি নফল হজ্জের ইহরাম বাধে যে ইতিপূর্বে ফরয হজ্জ আদায় করিয়াছে, সেই ব্যক্তির জন্য হজ্জ আরম্ভ করার পর উহা ছাড়িয়া দেওয়ার অনুমতি নাই। মাঝপথে ইহরাম ছাড়িয়া দিয়া হালাল হওয়া চলিবে না। যদি কোন ব্যক্তি কোন নফল কাজে প্রবৃত্ত হয়, তাহার জন্য উহা পূর্ণ করা ওয়াজিব, যেমন ফরযকে পূর্ণ করা হয়। আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা অতি উত্তম।
হাদিস 681 — Muwatta Malik 18:52
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، كَبِرَ حَتَّى كَانَ لاَ يَقْدِرُ عَلَى الصِّيَامِ فَكَانَ يَفْتَدِي ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ أَرَى ذَلِكَ وَاجِبًا وَأَحَبُّ إِلَىَّ أَنْ يَفْعَلَهُ إِذَا كَانَ قَوِيًّا عَلَيْهِ فَمَنْ فَدَى فَإِنَّمَا يُطْعِمُ مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مُدًّا بِمُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫১. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি জানিতে পারিয়াছেন যে, আনাস ইবন মালিক (রাঃ) যখন অতি বৃদ্ধ হন, তখন তিনি রোযা রাখিতে পারিতেন না, তাই তিনি ফিদয়া দিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি ফিদয়া দেওয়াকে জরুরী মনে করি না। তবে দেওয়া আমার মতে উত্তম, যদি সামর্থ্য থাকে। যে ব্যক্তি ফিদয়া দিবে সে প্রতিদিনের পরিবর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুদ-এর (এক সের পরিমাণ ওজনের একটি পরিমাপ) সমপরিমাণ এক মুদ আহার করাইবে।
হাদিস 682 — Muwatta Malik 18:53
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، سُئِلَ عَنِ الْمَرْأَةِ الْحَامِلِ، إِذَا خَافَتْ عَلَى وَلَدِهَا وَاشْتَدَّ عَلَيْهَا الصِّيَامُ قَالَ تُفْطِرُ وَتُطْعِمُ مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا مُدًّا مِنْ حِنْطَةٍ بِمُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَأَهْلُ الْعِلْمِ يَرَوْنَ عَلَيْهَا الْقَضَاءَ كَمَا قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ‏}‏ وَيَرَوْنَ ذَلِكَ مَرَضًا مِنَ الأَمْرَاضِ مَعَ الْخَوْفِ عَلَى وَلَدِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে গর্ভবতী স্ত্রীলোক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইল- সে যদি সন্তান সম্বন্ধে আশংকা করে এবং রোযা রাখা তাহার জন্য দুষ্কর হয় (তবে কি করিবে)? তিনি বলিলেনঃ সে রোযা রাখিবে না এবং প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন মিসকিনকে আহার দিবে এক মুদ গম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুদ পরিমাপে। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আহলে ইলম গর্ভবতীর জন্য রোযার কাযা ওয়াজিব মনে করেন না, যেমন আল্লাহ তা'আলা বলিয়াছেন, (‏فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ‏) অর্থাৎ, তোমাদের মধ্যে কেহ পীড়িত হইলে বা সফরে থাকিলে অন্য সময় এই সংখ্যা পূর্ণ করিয়া লইতে হইবে। (বাকারাঃ ১৮৪) গর্ভবতী অবস্থাকে তাহারা রোগের মধ্যে একটি রোগ বলিয়া মনে করেন যাহার সঙ্গে রহিয়াছে সন্তানের আশংকাও।
হাদিস 683 — Muwatta Malik 18:54
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مَنْ كَانَ عَلَيْهِ قَضَاءُ رَمَضَانَ فَلَمْ يَقْضِهِ - وَهُوَ قَوِيٌّ عَلَى صِيَامِهِ - حَتَّى جَاءَ رَمَضَانُ آخَرُ فَإِنَّهُ يُطْعِمُ مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا مُدًّا مِنْ حِنْطَةٍ وَعَلَيْهِ مَعَ ذَلِكَ الْقَضَاءُ ‏.‏ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، مِثْلُ ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৩. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, তাহার পিতা বলিতেনঃ যাহার উপর রমযানের কাযা রহিয়াছে, সে রোযা রাখিতে সক্ষম, তবু কাযা (রোযা) রাখে নাই, এইভাবে পরবর্তী রমযান আসিয়া গিয়াছে, তবে সে প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন মিসকিনকে এক মুদ করিয়া গম দিবে, তদুপরি তাহার উপর কাযাও জরুরী হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সাঈদ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতেও অনুরূপ বর্ণনা তাহার নিকট পৌছিয়াছে।
হাদিস 684 — Muwatta Malik #684
Maqtu Daif
হাদিস 685 — Muwatta Malik 18:1
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ إِنْ كَانَ لَيَكُونُ عَلَىَّ الصِّيَامُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَصُومُهُ حَتَّى يَأْتِيَ شَعْبَانُ
রেওয়ায়ত ৫৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি আহলে ইলমকে যেই দিনে সন্দেহ হয় সেই দিনে রোযা রাখিতে নিষেধ করিতে শুনিয়াছেন; যদি উহাতে রমযানের রোযার নিয়ত করা হয়। আর তাহারা মনে করেন, যে ব্যক্তি এইরূপ (সন্দেহের) দিনে রোযা রাখিয়াছে চাঁদ না দেখিয়া, অতঃপর সেই দিন রমযান বলিয়া প্রমাণিত হইয়াছে, তাহার উপর সেই রোযার কাযা ওয়াজিব হইবে। তবে (সন্দেহের দিনে) নফল রোযা রাখিতে তাহারা কোন দোষ মনে করেন না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মাসআলা আমাদের নিকট এইরূপই এবং আমি ইহার উপর আমাদের শহরের আহলে ইলমকে একমতাবলম্বী পাইয়াছি।
হাদিস 686 — Muwatta Malik 18:2
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ لاَ يُفْطِرُ وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ لاَ يَصُومُ وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ قَطُّ إِلاَّ رَمَضَانَ وَمَا رَأَيْتُهُ فِي شَهْرٍ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِي شَعْبَانَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৬. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযা রাখতেন একাধারে, এমনকি আমরা বলিতাম, তিনি আর রোযা ছাড়িবেন না, আর যখন তিনি রোযা রাখতেন না, আমরা তখন বলিতাম, তিনি আর রোযা রাখবেন না। রমযান ব্যতীত কোন পূর্ণ মাসের রোযা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাখেন নাই এবং শা'বান মাসের চাইতে বেশি অন্য কোন মাসে রোযা রাখিতেও তাঁহাকে দেখি নাই।
হাদিস 687 — Muwatta Malik 18:3
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الصِّيَامُ جُنَّةٌ فَإِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَجْهَلْ فَإِنِ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ إِنِّي صَائِمٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, রোযা (একটি) ঢাল, কাজেই তোমাদের যে কেউ রোযাদার হও, সে বাজে কথা বলিবে না এবং বর্বরতার কাজ করিবে না। যদি কোন ব্যক্তি তাহাকে গালি দেয় অথবা কাটাকাটি-মারামারি করিতে আসে, তবে সে যেন বলে, আমি রোযাদার, আমি রোযাদার।
হাদিস 688 — Muwatta Malik 18:4
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ إِنَّمَا يَذَرُ شَهْوَتَهُ وَطَعَامَهُ وَشَرَابَهُ مِنْ أَجْلِي فَالصِّيَامُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ كُلُّ حَسَنَةٍ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ إِلاَّ الصِّيَامَ فَهُوَ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা বলিয়াছেনঃ সেই সত্তার কসম, যাহার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মৃগনাভীর ঘ্রাণ হইতেও উত্তম; নিঃসন্দেহে রোযাদার তাহার প্রবৃত্তি ও পানাহারকে ত্যাগ করে আমার জন্য। তাই রোযা আমারই এবং আমি উহার প্রতিদান দিব। প্রতিটি নেকীর প্রতিদান দশ হইতে সাত শত পর্যন্ত, আর রোযা আমার জন্য, আমিই উহার প্রতিদান দিব।
হাদিস 689 — Muwatta Malik 18:5
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ রমযান মাস যখন প্রবেশ করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলিয়া দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করিয়া দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।