Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 875 — Muwatta Malik 20:171
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ مَنْ لَمْ يَقِفْ بِعَرَفَةَ مِنْ لَيْلَةِ الْمُزْدَلِفَةِ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَقَدْ فَاتَهُ الْحَجُّ وَمَنْ وَقَفَ بِعَرَفَةَ مِنْ لَيْلَةِ الْمُزْدَلِفَةِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭২. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ মুযদালিফার রাত্রির (১০ তারিখের রাত্রি) কিছু অংশ হইতে আরাফাতে অবস্থান না করিলে হজ্জ হইবে না। আর যে ব্যক্তি ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আরাফাতে অবস্থান করিতে পারবে তাহার হজ্জ হইয়া যাইবে।
হাদিস 876 — Muwatta Malik 20:172
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ أَدْرَكَهُ الْفَجْرُ مِنْ لَيْلَةِ الْمُزْدَلِفَةِ وَلَمْ يَقِفْ بِعَرَفَةَ فَقَدْ فَاتَهُ الْحَجُّ وَمَنْ وَقَفَ بِعَرَفَةَ مِنْ لَيْلَةِ الْمُزْدَلِفَةِ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي الْعَبْدِ يُعْتَقُ فِي الْمَوْقِفِ بِعَرَفَةَ فَإِنَّ ذَلِكَ لاَ يَجْزِي عَنْهُ مِنْ حَجَّةِ الإِسْلاَمِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ لَمْ يُحْرِمْ فَيُحْرِمُ بَعْدَ أَنْ يُعْتَقَ ثُمَّ يَقِفُ بِعَرَفَةَ مِنْ تِلْكَ اللَّيْلَةِ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَإِنْ فَعَلَ ذَلِكَ أَجْزَأَ عَنْهُ وَإِنْ لَمْ يُحْرِمْ حَتَّى طَلَعَ الْفَجْرُ كَانَ بِمَنْزِلَةِ مَنْ فَاتَهُ الْحَجُّ إِذَا لَمْ يُدْرِكِ الْوُقُوفَ بِعَرَفَةَ قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ مِنْ لَيْلَةِ الْمُزْدَلِفَةِ وَيَكُونُ عَلَى الْعَبْدِ حَجَّةُ الإِسْلاَمِ يَقْضِيهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ মুযদালিফার রাত ফজর হওয়া পর্যন্তও যদি কেউ (কিছু সময়ের জন্য) আরাফাতে অবস্থান না করিয়া থাকে তবে তাহার হজ্জ বিনষ্ট হইবে। আর যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফজরের পূর্ব পর্যন্ত ইহরাম বাঁধিয়া (কিছু সময়) আরাফাতে অবস্থান করিতে পারিবে তাহার হজ্জ হইয়া যাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরাফাতে অবস্থানকালে যদি কোন ক্রীতদাস আযাদ হইয়া যায় তবে এই হজ্জ দ্বারা তাহার ফরয হজ্জ আদায় হইবে না। কিন্তু আযাদ হওয়ার পূর্বে সে যদি ইহরাম না বাধিয়া থাকে এবং আযাদ হওয়ার পর ইয়াওমুন-নাহরের ফজরের পূর্বে ইহরাম বাঁধিয়া আরাফাতে অবস্থান করিয়া নিতে পারে তবে তাহার ফরয হজ্জ আদায় হইয়া যাইবে। আর ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সে যদি ইহরাম না বাঁধে তবে তাহার অবস্থা ঐ ব্যক্তির মত হইবে যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাত্রের ফজর পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করে নাই, ফলে তাহার হজ্জ বিনষ্ট হইয়া গিয়াছে। সুতরাং ঐ আযাদ ক্রীতদাসেরও পুনরায় ফরয হজ্জ আদায় করিতে হইবে।
হাদিস 877 — Muwatta Malik 20:173
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سَالِمٍ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ، ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ أَبَاهُمَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُقَدِّمُ أَهْلَهُ وَصِبْيَانَهُ مِنَ الْمُزْدَلِفَةِ إِلَى مِنًى حَتَّى يُصَلُّوا الصُّبْحَ بِمِنًى وَيَرْمُوا قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَ النَّاسُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর পুত্র সলিম (রহঃ) এবং উবায়দুল্লাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহাদের পিতা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) শিশু ও মহিলাদেরকে প্রথম মুযদালিফা হইতে মিনায় পাঠাইয়া দিতেন, মিনায় ফজরের নামায আদায় করার পরপরই অন্যান্য লোক আসিবার পূর্বে যেন তাহারা প্রস্তর নিক্ষেপ করিয়া নিতে পারেন।
হাদিস 878 — Muwatta Malik 20:174
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، أَنَّ مَوْلاَةً، لأَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَخْبَرَتْهُ قَالَتْ، جِئْنَا مَعَ أَسْمَاءَ ابْنَةِ أَبِي بَكْرٍ مِنًى بِغَلَسٍ - قَالَتْ - فَقُلْتُ لَهَا لَقَدْ جِئْنَا مِنًى بِغَلَسٍ ‏.‏ فَقَالَتْ قَدْ كُنَّا نَصْنَعُ ذَلِكَ مَعَ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْكِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৫. আতা ইবন রাবা' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আসমা বিনত আবি বকর (রাঃ)-এর আযাদ দাসী বর্ণনা করেনঃ অন্ধকার থাকিতেই আসমা বিনত আবি বকর (রাঃ)-এর সহিত আমরা মিনায় চলিয়া আসিলাম। আসমাকে তখন আমি বলিলামঃ অন্ধকার থাকিতেই যে মিনায় আমরা চলিয়া আসিলাম? তিনি বলিলেন, তোমাদের হইতে যিনি শ্ৰেষ্ঠ ছিলেন অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার আমলেও আমরা এই ধরনের আমল করিয়াছি।
হাদিস 879 — Muwatta Malik 20:175
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ، كَانَ يُقَدِّمُ نِسَاءَهُ وَصِبْيَانَهُ مِنَ الْمُزْدَلِفَةِ إِلَى مِنًى ‏.‏ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَكْرَهُ رَمْىَ الْجَمْرَةِ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ مِنْ يَوْمِ النَّحْرِ وَمَنْ رَمَى فَقَدْ حَلَّ لَهُ النَّحْرُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৭. মালিক (রহঃ) কতিপয় আলিমের নিকট শুনিয়াছেন যে, তাহারা ইয়াওমুন-নাহরের ফজর হওয়ার পূর্বে প্রস্তর নিক্ষেপ করা মাকরূহ বলিয়া মনে করিতেন। যে ব্যক্তি প্রস্তর নিক্ষেপ করিয়াছে তাহার জন্য নাহর করা হালাল হইয়া গিয়াছে।
হাদিস 880 — Muwatta Malik 20:176
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا، كَانَتْ تَرَى أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ بِالْمُزْدَلِفَةِ تَأْمُرُ الَّذِي يُصَلِّي لَهَا وَلأَصْحَابِهَا الصُّبْحَ يُصَلِّي لَهُمُ الصُّبْحَ حِينَ يَطْلُعُ الْفَجْرُ ثُمَّ تَرْكَبُ فَتَسِيرُ إِلَى مِنًى وَلاَ تَقِفُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বর্ণনা করেন, ফাতিমা বিনত মুনযির বলিয়াছেনঃ মুযদালিফা অবস্থানকালে আসমা বিনতে আবি বকর (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, যে ব্যক্তি তাহাদের নামায পড়াইতেন তাহাকে তিনি বলিতেনঃ সুবহে সাদিক হওয়ামাত্রই যেন নামায পড়াইয়া দেন। পরে নামায পড়ামাত্র আর বিলম্ব না করিয়া তিনি মিনায় চলিয়া আসিতেন।
হাদিস 881 — Muwatta Malik 20:177
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ - وَأَنَا جَالِسٌ، مَعَهُ - كَيْفَ كَانَ يَسِيرُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ حِينَ دَفَعَ قَالَ كَانَ يَسِيرُ الْعَنَقَ فَإِذَا وَجَدَ فَجْوَةً نَصَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ قَالَ هِشَامٌ وَالنَّصُّ فَوْقَ الْعَنَقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭৯. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ উসামা ইবন যায়দ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাহাকে তখন জিজ্ঞাসা করা হইলঃ বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতের ময়দান হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপ গতিতে উট চালাইতেছিলেন? তিনি বলিলেনঃ দ্রুত চালাইয়া ফিরিতেছিলেন। একটু ফাঁক পাইলে তখন খুবই দ্রুতগতিতে চালাইতেন।মালিক (রহঃ) বলেনঃ হিশাম (রহঃ) বলিয়াছেন, ‘নস’ জাতীয় গতি ‘আনাক’ জাতীয় গতি হইতে দ্রুততর।
হাদিস 882 — Muwatta Malik 20:178
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُحَرِّكُ رَاحِلَتَهُ فِي بَطْنِ مُحَسِّرٍ قَدْرَ رَمْيَةٍ بِحَجَرٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বাতনে-মুহাসসির হইতে প্রস্তর নিক্ষেপ করার স্থান পর্যন্ত তাহার উটের গতি দ্রুত করিয়া দিতেন।
হাদিস 883 — Muwatta Malik 20:179
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ بِمِنًى ‏"‏ هَذَا الْمَنْحَرُ وَكُلُّ مِنًى مَنْحَرٌ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ فِي الْعُمْرَةِ ‏"‏ هَذَا الْمَنْحَرُ - يَعْنِي الْمَرْوَةَ - وَكُلُّ فِجَاجِ مَكَّةَ وَطُرُقِهَا مَنْحَرٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮১. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনা সম্পর্কে বলিয়াছেনঃ মিনার সারাটা ময়দানই নাহর করার স্থান। আর উমরা সম্পর্কে বলিয়াছেনঃ ইহার জন্য মারওয়াহ্ উত্তম স্থান। মক্কার প্রতিটি পথ এবং গলিও নাহর করার স্থান।
হাদিস 884 — Muwatta Malik 20:180
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ بِنْتُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، تَقُولُ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِخَمْسِ لَيَالٍ بَقِينَ مِنْ ذِي الْقَعْدَةِ وَلاَ نُرَى إِلاَّ أَنَّهُ الْحَجُّ فَلَمَّا دَنَوْنَا مِنْ مَكَّةَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْىٌ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ أَنْ يَحِلَّ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَدُخِلَ عَلَيْنَا يَوْمَ النَّحْرِ بِلَحْمِ بَقَرٍ فَقُلْتُ مَا هَذَا فَقَالُوا نَحَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَزْوَاجِهِ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ فَذَكَرْتُ هَذَا الْحَدِيثَ لِلْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ فَقَالَ أَتَتْكَ وَاللَّهِ بِالْحَدِيثِ عَلَى وَجْهِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮২. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) বলেন, তখন যিলকা'দ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট ছিল, যখন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহিত রওয়ানা হইলাম। আমাদের এই ধারণাই ছিল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জের উদ্দেশ্যেই যাইতেছেন। যখন আমরা মক্কার নিকটবর্তী হইলাম তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাহাদের নিকট হাদয়ী ছিল না তাহাদিগকে তাওয়াফ ও সায়ী করিয়া ইহরাম খুলিয়া ফেলিতে বলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ ইয়াওমুন্নাহরের দিন আমাদের কাছে গরুর গোশত আনা হইল। ইহা দেখিয়া বলিলামঃ ইহা কোথা হইতে আসিয়াছে? লোকেরা বলিলঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীগণের তরফ হইতে কুরবানী দিয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ আমি কাসিম ইবন মুহাম্মদের নিকট উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করিলে তিনি বলিলেনঃ আল্লাহর কসম, আমরাহ বিনত আবদুর রহমান এই হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করিয়াছেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।