Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 885 — Muwatta Malik 20:181
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا قَالَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا شَأْنُ النَّاسِ حَلُّوا وَلَمْ تَحْلِلْ أَنْتَ مِنْ عُمْرَتِكَ فَقَالَ ‏ "‏ إِنِّي لَبَّدْتُ رَأْسِي وَقَلَّدْتُ هَدْيِي فَلاَ أَحِلُّ حَتَّى أَنْحَرَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৩. উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রাঃ) হইতে বর্ণিত-তিনি বাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেনঃ অন্যরা তো উমরা করিয়া ইহরাম খুলিয়া ফেলিয়াছে, কিন্তু আপনি খুলিলেন না? তিনি বলিলেনঃ আমি আমার চুল জমাট করিয়া নিয়াছি আর হাদয়ীর গলায় হার লটকাইয়া দিয়াছি। সুতরাং ‘নাহর’ না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলিব না।
হাদিস 886 — Muwatta Malik 20:182
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحَرَ بَعْضَ هَدْيِهِ وَنَحَرَ غَيْرُهُ بَعْضَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৪. আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় কুরবানীর কিছুসংখ্যক পশু নিজের হাতে নাহর করেন আর বাকিগুলি অন্যরা ‘নাহর’ করেন।
হাদিস 887 — Muwatta Malik 20:183
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ مَنْ نَذَرَ بَدَنَةً فَإِنَّهُ يُقَلِّدُهَا نَعْلَيْنِ وَيُشْعِرُهَا ثُمَّ يَنْحَرُهَا عِنْدَ الْبَيْتِ أَوْ بِمِنًى يَوْمَ النَّحْرِ لَيْسَ لَهَا مَحِلٌّ دُونَ ذَلِكَ وَمَنْ نَذَرَ جَزُورًا مِنَ الإِبِلِ أَوِ الْبَقَرِ فَلْيَنْحَرْهَا حَيْثُ شَاءَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেনঃ হাদয়ীর কুরবানী করার মানত করিলে উহার গলায় একজোড়া জুতা লটকাইয়া দিবে এবং উহার কুঁজ যখমী করিয়া দিবে। পরে দশ তারিখে কা'বা শরীফের নিকট বা মিনা ময়দানে উহা নাহর করিবে। ইহা ছাড়া ‘নাহর’ করার আর কোন স্থান নাই। আর যদি কেউ উট বা গরু ইত্যাদি কুরবানী করার মানত করে, তবে সে যে স্থানে ইচ্ছা কুরবানী করিতে পারে।
হাদিস 888 — Muwatta Malik 20:184
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، كَانَ يَنْحَرُ بُدْنَهُ قِيَامًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَجُوزُ لأَحَدٍ أَنْ يَحْلِقَ رَأْسَهُ حَتَّى يَنْحَرَ هَدْيَهُ وَلاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَنْحَرَ قَبْلَ الْفَجْرِ يَوْمَ النَّحْرِ وَإِنَّمَا الْعَمَلُ كُلُّهُ يَوْمَ النَّحْرِ الذَّبْحُ وَلُبْسُ الثِّيَابِ وَإِلْقَاءُ التَّفَثِ وَالْحِلاَقُ لاَ يَكُونُ شَىْءٌ مِنْ ذَلِكَ يُفْعَلُ قَبْلَ يَوْمِ النَّحْرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৬. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার পিতা উটগুলিকে দাঁড় করাইয়া ঐগুলির নাহর করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নহে। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নহে। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করিতে হইবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নহে।
হাদিস 889 — Muwatta Malik 20:185
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَالْمُقَصِّرِينَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৭. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'আ করিয়াছিলেনঃ হে আল্লাহ, মাথা মুণ্ডনকারীদের উপর আপনি রহম করুন। সাহাবীগণ আরয করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! চুল যাহারা ছাটিবে তাহাদের জন্যও আল্লাহ্‌র রহমতের দু'আ করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে আল্লাহ্! মাথা মুণ্ডনকারীদের রহম করুন। সাহাবীগণ আরয করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! চুল যাহারা ছাঁটিবে তাহদের জন্য আল্লাহর রহমতের দুআ করুন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে আল্লাহ্! চুল যাহারা ছাটিবে তাহদের প্রতিও রহমত করুন।
হাদিস 890 — Muwatta Malik 20:186
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَدْخُلُ مَكَّةَ لَيْلاً وَهُوَ مُعْتَمِرٌ فَيَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَيُؤَخِّرُ الْحِلاَقَ حَتَّى يُصْبِحَ ‏.‏ قَالَ وَلَكِنَّهُ لاَ يَعُودُ إِلَى الْبَيْتِ فَيَطُوفُ بِهِ حَتَّى يَحْلِقَ رَأْسَهُ ‏.‏ قَالَ وَرُبَّمَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَأَوْتَرَ فِيهِ وَلاَ يَقْرَبُ الْبَيْتَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ التَّفَثُ حِلاَقُ الشَّعَرِ وَلُبْسُ الثِّيَابِ وَمَا يَتْبَعُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ نَسِيَ الْحِلاَقَ بِمِنًى فِي الْحَجِّ هَلْ لَهُ رُخْصَةٌ فِي أَنْ يَحْلِقَ بِمَكَّةَ قَالَ ذَلِكَ وَاسِعٌ وَالْحِلاَقُ بِمِنًى أَحَبُّ إِلَىَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الَّذِي لاَ اخْتِلاَفَ فِيهِ عِنْدَنَا أَنَّ أَحَدًا لاَ يَحْلِقُ رَأْسَهُ وَلاَ يَأْخُذُ مِنْ شَعَرِهِ حَتَّى يَنْحَرَ هَدْيًا إِنْ كَانَ مَعَهُ وَلاَ يَحِلُّ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ عَلَيْهِ حَتَّى يَحِلَّ بِمِنًى يَوْمَ النَّحْرِ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ ‏{‏وَلاَ تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ حَتَّى يَبْلُغَ الْهَدْىُ مَحِلَّهُ ‏}‏
রেওয়ায়ত ১৮৮. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি (কাসিম ইবন মুহাম্মদ) উমরার ইহরাম বাধিয়া রাত্রে মক্কায় আসিতেন, তাওয়াফ ও সায়ী করার পর ভোর পর্যন্ত মাথা মুণ্ডন করার জন্য অপেক্ষা করিতেন। মাথা না কামানো পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করিতেন না। নিকটবর্তী মসজিদে আসিয়া কখনও কখনও বিতরের নামায আদায় করিতেন বটে তবে বায়তুল্লাহর নিকটবর্তী হইতেন না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ‘তাফাস' অর্থ হইল, হজ্জের পর মাথা কামানো এবং কাপড়-চোপড় বদলান ইত্যাদি। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়ঃ হজ্জের সময় একজন মাথা কামাইতে ভুলিয়া গেলে সে কি মক্কায় আসিয়া মাথা মুণ্ডন করিতে পারিবে? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, পারবে। তবে মিনাতে অবস্থানকালে উহা করা ভাল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় এই—যতক্ষণ পর্যন্ত হাদয়ী যবেহ করে নাই ততক্ষণ কেউ মাথা মুণ্ডন করিবে না বা চুল ছাঁটিবে না। আর যতক্ষণ মিনায় পৌছিয়া যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ইহরাম না খুলিবে, ততক্ষণ তাহার হারাম বিষয়সমূহ হালাল হইবে না। কারণ আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ কুরবানী যতক্ষণ তাহার নিজ স্থলে না পৌছাইবে ততক্ষণ তোমরা মাথা মুণ্ডন করিও না।
হাদিস 891 — Muwatta Malik 20:187
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا أَفْطَرَ مِنْ رَمَضَانَ وَهُوَ يُرِيدُ الْحَجَّ لَمْ يَأْخُذْ مِنْ رَأْسِهِ وَلاَ مِنْ لِحْيَتِهِ شَيْئًا حَتَّى يَحُجَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لَيْسَ ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮৯. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করিতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করিতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটিতেন না ও দাড়ি ছাঁটিতেন না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এ বিষয়টি ওয়াজিব নহে।
হাদিস 892 — Muwatta Malik 20:188
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا حَلَقَ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ أَخَذَ مِنْ لِحْيَتِهِ وَشَارِبِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯০. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) হজ্জ ও উমরার পরে যখন মাথা মুণ্ডন করিতেন তখন দাঁড়ি ও গোফ ছাঁটিয়া নিতেন।
হাদিস 893 — Muwatta Malik 20:189
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ فَقَالَ إِنِّي أَفَضْتُ وَأَفَضْتُ مَعِي بِأَهْلِي ثُمَّ عَدَلْتُ إِلَى شِعْبٍ فَذَهَبْتُ لأَدْنُوَ مِنْ أَهْلِي فَقَالَتْ إِنِّي لَمْ أُقَصِّرْ مِنْ شَعَرِي بَعْدُ فَأَخَذْتُ مِنْ شَعَرِهَا بِأَسْنَانِي ثُمَّ وَقَعْتُ بِهَا فَضَحِكَ الْقَاسِمُ وَقَالَ مُرْهَا فَلْتَأْخُذْ مِنْ شَعَرِهَا بِالْجَلَمَيْنِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ أَسْتَحِبُّ فِي مِثْلِ هَذَا أَنْ يُهْرِقَ دَمًا وَذَلِكَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ قَالَ مَنْ نَسِيَ مِنْ نُسُكِهِ شَيْئًا فَلْيُهْرِقْ دَمًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯১. রবী'আ ইবন আবু আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-এর নিকট আসিয়া বলিলঃ আমি ও আমার স্ত্রী তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করার পর সহবাস করার ইচ্ছায় আমার স্ত্রীকে এক নির্জন স্থানে লইয়া গেলাম। আমার স্ত্রী তখন বলিলঃ হজ্জের পর আমি এখনও আমার চুল ছাঁটাই নাই। আমি তখন দাঁত দিয়া তাহার চুল কাটিয়া তাহার সহিত মিলিত হই। এখন কি করিব? কাসিম (রহঃ) হাসিয়া বলিলেনঃ যাও, স্ত্রীকে কাচির সাহায্যে চুল ছাঁটিয়া নিতে বল।। মালিক (রহঃ) বলেন, এই অবস্থায় স্বামী যদি একটি কুরবানী দেয় তবে উহা ভাল। কেননা আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যে কেউ কোন আমল বা রুকন ভুলিয়া বসিলে সে ইহার পরিবর্তে একটি কুরবানী দিবে।
হাদিস 894 — Muwatta Malik 20:190
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ لَقِيَ رَجُلاً مِنْ أَهْلِهِ يُقَالُ لَهُ الْمُجَبَّرُ قَدْ أَفَاضَ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ جَهِلَ ذَلِكَ فَأَمَرَهُ عَبْدُ اللَّهِ أَنْ يَرْجِعَ فَيَحْلِقَ أَوْ يُقَصِّرَ ثُمَّ يَرْجِعَ إِلَى الْبَيْتِ فَيُفِيضَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯২. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করিয়া গিয়াছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায় নাই বা কামায় নাই। তাহাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) পুনরায় মক্কায় গিয়া চুল কামাইতে বা ছাটাইতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করিতে নির্দেশ দেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।