রেওয়ায়ত ১৯৫. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ (ইহরাম বাঁধার সময়) যে চুল খোপা বানাইয়া নেয় বা বেণী গাঁথিয়া নেয় বা আঠালো কিছু দ্বারা জমাইয়া নেয় তাহার জন্য (ইহরাম খোলার সময়) মুণ্ডন করা ওয়াজিব।
হাদিস 898 — Muwatta Malik 20:194
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْكَعْبَةَ هُوَ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَبِلاَلُ بْنُ رَبَاحٍ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ الْحَجَبِيُّ فَأَغْلَقَهَا عَلَيْهِ وَمَكَثَ فِيهَا . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَسَأَلْتُ بِلاَلاً حِينَ خَرَجَ مَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ جَعَلَ عَمُودًا عَنْ يَمِينِهِ وَعَمُودَيْنِ عَنْ يَسَارِهِ وَثَلاَثَةَ أَعْمِدَةٍ وَرَاءَهُ - وَكَانَ الْبَيْتُ يَوْمَئِذٍ عَلَى سِتَّةِ أَعْمِدَةٍ - ثُمَّ صَلَّى .
রেওয়ায়ত ১৯৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) বিলাল ইবন রাবাহ (রাঃ) এবং উসমান ইবন তালহা হাযাবী (রাঃ)-কে লইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা'বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং দরওয়াজা বন্ধ করিয়া দেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে কিছুক্ষণ রহিয়া গেলেন। আবদুল্লাহ্ বলেনঃ বিলাল যখন বাহির হইয়া আসিলেন তখন তাহাকে আমি জিজ্ঞাসা করিলামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে কি করিয়াছেন? তিনি বলিলেনঃ একটি স্তম্ভ ডাইনে এবং তিনটি স্তম্ভ পিছনে রাখিয়া তিনি সেখানে নামায পড়িয়াছেন। তখনকার সময়ে কা'বার ভিতর মোট ছয়টি স্তম্ভ ছিল।
রেওয়ায়ত ১৯৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামায মিনা ময়দানে পড়িতেন এবং সকালে সূর্যোদয়ের পর আরাফাতের দিকে যাত্রা করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হইল, আরাফাত দিবসে ইমাম যুহরের নামাযে কিরাআত জোরে পড়িবেন না। হ্যাঁ, আরাফাতের দিন ইমাম খুতবা দিবেন। মূলত আরাফাতের নামায যুহরেরই নামায। তবে সফরের কারণে উহা কসর বা সংক্ষিপ্ত করিয়া দেওয়া হইয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইয়াওমে-আরাফা বা ইয়াওমুন্নাহার বা আইয়্যামে তাশরীকের দিন যদি জুম'আর দিন হয় তবে ঐ সমস্ত দিনে ইমামুল-হজ্জ জুম'আর নামায পড়াইবেন না।
হাদিস 901 — Muwatta Malik 20:197
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُزْدَلِفَةِ جَمِيعًا .
রেওয়ায়ত ২০০. উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, আরাফাত হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গিরিবর্তে পৌছিয়া প্রস্রাব করার জন্য নামিলেন এবং পরে ওযু করিলেন, কিন্তু পূর্ণভাবে করিলেন না। আমি তাহাকে বলিলামঃ হে আল্লাহর রাসূল, নামাযের কি হইবে? তিনি বলিলেনঃ আরও আগাইয়া আমরা নামায পড়িব। তিনি মুযদালিফায় পৌছিয়া পূর্ণভাবে ওযু করিলেন। তখন নামাযের তকবীর হইল। তিনি মাগরিবের নামায আদায় করিলেন। প্রত্যেকেই স্ব স্ব উট স্ব স্ব স্থানে বাঁধিয়া রাখিলেন। অতঃপর আবার ইশার নামাযের তকবীর হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামায আদায় করিলেন। তখন এই উভয় নামাযের মধ্যে আর কোন (নফল) নামায তিনি পড়েন নাই।
রেওয়ায়ত ২০১. আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ তিনি বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহিত মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করিয়াছিলেন।