Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 905 — Muwatta Malik 20:201
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الصَّلاَةَ الرُّبَاعِيَّةَ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَنَّ أَبَا بَكْرٍ صَلاَّهَا بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ صَلاَّهَا بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَنَّ عُثْمَانَ صَلاَّهَا بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ شَطْرَ إِمَارَتِهِ ثُمَّ أَتَمَّهَا بَعْدُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০৪. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় দুই রাকাআত কসর নামায আদায় করিয়াছিলেন। আবু বকর (রাঃ) এবং উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তাঁহাদের আমলে দুই রাকাআত করিয়া পড়িয়াছিলেন। এমন কি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-ও তাহার খিলাফতের কিছুকাল দুই রাকাআত করিয়া পড়িয়াছেন, কিন্তু পরে তিনি চার রাকাআত করিয়া পড়িতে শুরু করেন।
হাদিস 906 — Muwatta Malik 20:202
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، ‏.‏ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، لَمَّا قَدِمَ مَكَّةَ صَلَّى بِهِمْ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفَ فَقَالَ يَا أَهْلَ مَكَّةَ أَتِمُّوا صَلاَتَكُمْ فَإِنَّا قَوْمٌ سَفْرٌ ‏.‏ ثُمَّ صَلَّى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَكْعَتَيْنِ بِمِنًى وَلَمْ يَبْلُغْنَا أَنَّهُ قَالَ لَهُمْ شَيْئًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০৫. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) যখন মক্কায় আসেন তখন দুই রাকাআত নামায আদায় করিলেন। অতঃপর বলিলেনঃ হে মক্কাবাসিগণ, তোমরা স্ব স্ব নামায পূর্ণ করিয়া নাও। কারণ আমরা মুসাফির (তাই আমাদিগকে কসর পড়িতে হইয়াছে)। পরে তিনি মিনায় গিয়া দুই রাকাআতই আদায় করিলেন। তবে সেখানেও তিনি নামাযের পর কিছু বলিয়াছিলেন বলিয়া আমরা সংবাদ পাই নাই।
হাদিস 907 — Muwatta Malik 20:203
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، صَلَّى لِلنَّاسِ بِمَكَّةَ رَكْعَتَيْنِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ يَا أَهْلَ مَكَّةَ أَتِمُّوا صَلاَتَكُمْ فَإِنَّا قَوْمٌ سَفْرٌ ‏.‏ ثُمَّ صَلَّى عُمَرُ رَكْعَتَيْنِ بِمِنًى وَلَمْ يَبْلُغْنَا أَنَّهُ قَالَ لَهُمْ شَيْئًا ‏.‏ سُئِلَ مَالِكٌ عَنْ أَهْلِ مَكَّةَ كَيْفَ صَلاَتُهُمْ بِعَرَفَةَ أَرَكْعَتَانِ أَمْ أَرْبَعٌ وَكَيْفَ بِأَمِيرِ الْحَاجِّ إِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ أَيُصَلِّي الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ بِعَرَفَةَ أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ أَوْ رَكْعَتَيْنِ وَكَيْفَ صَلاَةُ أَهْلِ مَكَّةَ فِي إِقَامَتِهِمْ فَقَالَ مَالِكٌ يُصَلِّي أَهْلُ مَكَّةَ بِعَرَفَةَ وَمِنًى مَا أَقَامُوا بِهِمَا رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ يَقْصُرُونَ الصَّلاَةَ حَتَّى يَرْجِعُوا إِلَى مَكَّةَ ‏.‏ قَالَ وَأَمِيرُ الْحَاجِّ أَيْضًا إِذَا كَانَ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ قَصَرَ الصَّلاَةَ بِعَرَفَةَ وَأَيَّامَ مِنًى وَإِنْ كَانَ أَحَدٌ سَاكِنًا بِمِنًى مُقِيمًا بِهَا فَإِنَّ ذَلِكَ يُتِمُّ الصَّلاَةَ بِمِنًى وَإِنْ كَانَ أَحَدٌ سَاكِنًا بِعَرَفَةَ مُقِيمًا بِهَا فَإِنَّ ذَلِكَ يُتِمُّ الصَّلاَةَ بِهَا أَيْضًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০৬. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, মক্কায় উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) দুই রাকাআত নামায পড়াইয়া বলিয়াছিলেনঃ হে মক্কাবাসিগণ! আমরা মুসাফির! তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ করিয়া নাও। পরে মিনায়ও তিনি দুই রাকাআত নামায পড়েন। কিন্তু সেখানেও কিছু বলিয়াছিলেন বলিয়া আমরা সংবাদ পাই নাই। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিলঃ মক্কাবাসিগণ আরাফাতের ময়দানে চার রাকাআত পড়িবে, না দুই রাকাআত পড়িবে? অনুরূপভাবে আমীরে-হজ্জ যদি মক্কাবাসী হন তবে তিনি এই ব্যাপারে কি করিবেন? মক্কাবাসিগণ মিনায় থাকাকালে কসর (দুই রাক’আত) পড়িবে কিনা ? উত্তরে তিনি বলিলেনঃ মক্কাবাসিগণ যতক্ষণ মিনা ও আরাফাতে অবস্থান করিবে মক্কায় প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত কসরই পড়িবে। আমীরে-হজ্জও যদি মক্কাবাসী হন তিনিও কসর পড়িবেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মিনা এবং আরাফাতের বাসিন্দাগণ কসর পড়িবেন না, পূর্ণ নামায পড়িবেন।
হাদিস 908 — Muwatta Malik 20:204
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، خَرَجَ الْغَدَ مِنْ يَوْمِ النَّحْرِ حِينَ ارْتَفَعَ النَّهَارُ شَيْئًا فَكَبَّرَ فَكَبَّرَ النَّاسُ بِتَكْبِيرِهِ ثُمَّ خَرَجَ الثَّانِيَةَ مِنْ يَوْمِهِ ذَلِكَ بَعْدَ ارْتِفَاعِ النَّهَارِ فَكَبَّرَ فَكَبَّرَ النَّاسُ بِتَكْبِيرِهِ ثُمَّ خَرَجَ الثَّالِثَةَ حِينَ زَاغَتِ الشَّمْسُ فَكَبَّرَ فَكَبَّرَ النَّاسُ بِتَكْبِيرِهِ حَتَّى يَتَّصِلَ التَّكْبِيرُ وَيَبْلُغَ الْبَيْتَ فَيُعْلَمَ أَنَّ عُمَرَ قَدْ خَرَجَ يَرْمِي ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ التَّكْبِيرَ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ دُبُرَ الصَّلَوَاتِ وَأَوَّلُ ذَلِكَ تَكْبِيرُ الإِمَامِ وَالنَّاسُ مَعَهُ دُبُرَ صَلاَةِ الظُّهْرِ مِنْ يَوْمِ النَّحْرِ وَآخِرُ ذَلِكَ تَكْبِيرُ الإِمَامِ وَالنَّاسُ مَعَهُ دُبُرَ صَلاَةِ الصُّبْحِ مِنْ آخِرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ ثُمَّ يَقْطَعُ التَّكْبِيرَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَالتَّكْبِيرُ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ عَلَى الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ مَنْ كَانَ فِي جَمَاعَةٍ أَوْ وَحْدَهُ بِمِنًى أَوْ بِالآفَاقِ كُلِّهَا وَاجِبٌ وَإِنَّمَا يَأْتَمُّ النَّاسُ فِي ذَلِكَ بِإِمَامِ الْحَاجِّ وَبِالنَّاسِ بِمِنًى لأَنَّهُمْ إِذَا رَجَعُوا وَانْقَضَى الإِحْرَامُ ائْتَمُّوا بِهِمْ حَتَّى يَكُونُوا مِثْلَهُمْ فِي الْحِلِّ فَأَمَّا مَنْ لَمْ يَكُنْ حَاجًّا فَإِنَّهُ لاَ يَأْتَمُّ بِهِمْ إِلاَّ فِي تَكْبِيرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَيَّامُ الْمَعْدُودَاتُ أَيَّامُ التَّشْرِيقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০৮. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) ১০ তারিখ একটু বেলা হইয়া আসিলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাহার সঙ্গিগণও তাকবীর বলিতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হইয়া আসিলে তাকবীর পড়া শুরু করেন এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলিয়া যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বলিলেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বলিলেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়া পৌছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝিতে পারে যে, উমর (রাঃ) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামর) জন্য রওয়ানা হইয়া গিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট হুকুম হইল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়িতে হইবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলিবেন, মুকতাদিগণ তাহার অনুসরণ করবেন। বিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হইতে তাকবীর বলা শুরু করিবে এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তাহা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করিবে। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করিতে হইবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করিবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তাহারা যখন মিনা হইতে প্রত্যাবর্তন করিবে ও ইহরাম ভঙ্গ করিবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যাহারা নাই) অনুসরণ করিবে যাহাতে তাহাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নাই। আর যাহারা হজ্জ সম্পাদনকারী নহে, তাহারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ কুরআনে উল্লিখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হইল আইয়্যামে তাশরীক।
হাদিস 909 — Muwatta Malik 20:205
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَصَلَّى بِهَا ‏.‏ قَالَ نَافِعٌ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০৯. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলায়ফা ময়দানের প্রস্তুরাকীর্ণ স্থানে স্বীয় উট বসাইয়া নামায পড়িয়ছিলেন। নাফি’ (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তদ্রুপ করিতেন।মালিক (রহঃ) বলেনঃ হজ্জ সমাধা করিয়া মদীনা ফেরার পথে ‘মাআররাস’ নামক স্থানে প্রত্যেকে যেন নামায পড়ে। আর নামাযের ওয়াক্ত না হইলে ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত যেন অপেক্ষা করে এবং যত রাকাআত পড়া সহজ তাহা যেন পড়িয়া নেয়। কারণ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে শেষরাতে অবস্থান করিয়াছিলেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-ও সেখানে স্বীয় উট বসাইতেন এবং অবস্থান করিতেন।
হাদিস 910 — Muwatta Malik 20:206
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُحَصَّبِ ثُمَّ يَدْخُلُ مَكَّةَ مِنَ اللَّيْلِ فَيَطُوفُ بِالْبَيْتِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১০. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামায মুহাসসাব নামক স্থানে পড়িতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করিতেন।
হাদিস 911 — Muwatta Malik 20:207
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ قَالَ زَعَمُوا أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَبْعَثُ رِجَالاً يُدْخِلُونَ النَّاسَ مِنْ وَرَاءِ الْعَقَبَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১১. মালিক (রহঃ) নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ লোকেরা আমার নিকট বলিয়াছেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) জামরা-এ-আকাবা বা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের পশ্চাৎ হইতেই লোকদিগকে মিনার দিকে ফিরাইয়া দেওয়ার জন্য কিছুসংখ্যক লোক নিযুক্ত করিয়া রাখিতেন।
হাদিস 912 — Muwatta Malik 20:208
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لاَ يَبِيتَنَّ أَحَدٌ مِنَ الْحَاجِّ لَيَالِيَ مِنًى مِنْ وَرَاءِ الْعَقَبَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১২. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ মিনার রাত্রিসমূহে কেউ যেন জামরা-এ-আকাবার পিছনে অবস্থান না করে।
হাদিস 913 — Muwatta Malik 20:209
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ فِي الْبَيْتُوتَةِ بِمَكَّةَ لَيَالِيَ مِنًى لاَ يَبِيتَنَّ أَحَدٌ إِلاَّ بِمِنًى ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ মিনায় অবস্থানের রাত্রিসমূহে কেউ যেন মিনা ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন না করে।
হাদিস 914 — Muwatta Malik 20:210
দাঈফ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَقِفُ عِنْدَ الْجَمْرَتَيْنِ الأُولَيَيْنِ وُقُوفًا طَوِيلاً حَتَّى يَمَلَّ الْقَائِمُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১৪. মালিক (রহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন, জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুসতার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমর (রাঃ) (দু'আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়াইয়া থাকিতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হইয়া যাইত।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।