Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 775 — Muwatta Malik 20:71
Maqtu Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، سُئِلُوا عَنْ نِكَاحِ الْمُحْرِمِ، فَقَالُوا لاَ يَنْكِحِ الْمُحْرِمُ وَلاَ يُنْكِحْ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ الْمُحْرِمِ إِنَّهُ يُرَاجِعُ امْرَأَتَهُ إِنْ شَاءَ إِذَا كَانَتْ فِي عِدَّةٍ مِنْهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৬. মালিক (রহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ), সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) এবং সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ)-কে মুহরিম ব্যক্তির বিবাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হইলে তাহারা সকলেই বলিয়াছিলেনঃ মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিবাহ করিবে না বা বিবাহ করাইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুহরিম ব্যক্তি ইচ্ছা করিলে এবং ইদ্দতের ভিতর হইলে তাহার স্ত্রীর প্রতি রুজু করিতে পারে। (রজয়ী তালাক দেওয়া স্ত্রীকে গ্রহণ করিতে পারে।)
হাদিস 776 — Muwatta Malik 20:72
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَوْقَ رَأْسِهِ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ بِلَحْيَىْ جَمَلٍ مَكَانٌ بِطَرِيقِ مَكَّةَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৭. সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় মাথায় সিঙ্গা লাগাইয়াছেন এবং সেইদিন তিনি মক্কাগামী পথের উপর উপস্থিত ‘লাহয়াই জমল’ নামক স্থানে ছিলেন।
হাদিস 777 — Muwatta Malik 20:73
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لاَ يَحْتَجِمُ الْمُحْرِمُ إِلاَّ مِمَّا لاَ بُدَّ لَهُ مِنْهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَحْتَجِمُ الْمُحْرِمُ إِلاَّ مِنْ ضَرُورَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৮. নাফি (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলতেনঃ বাধ্য না হইলে মুহরিমের জন্য সিঙ্গা লাগানো উচিত নহে। মালিক (রহঃ)-ও অনুরূপ মত ব্যক্ত করিয়াছেন।
হাদিস 778 — Muwatta Malik 20:74
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ التَّيْمِيِّ عَنْ نَافِعٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ الأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى إِذَا كَانُوا بِبَعْضِ طَرِيقِ مَكَّةَ تَخَلَّفَ مَعَ أَصْحَابٍ لَهُ مُحْرِمِينَ وَهُوَ غَيْرُ مُحْرِمٍ فَرَأَى حِمَارًا وَحْشِيًّا فَاسْتَوَى عَلَى فَرَسِهِ فَسَأَلَ أَصْحَابَهُ أَنْ يُنَاوِلُوهُ سَوْطَهُ فَأَبَوْا عَلَيْهِ فَسَأَلَهُمْ رُمْحَهُ فَأَبَوْا فَأَخَذَهُ ثُمَّ شَدَّ عَلَى الْحِمَارِ فَقَتَلَهُ فَأَكَلَ مِنْهُ بَعْضُ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبَى بَعْضُهُمْ فَلَمَّا أَدْرَكُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَأَلُوهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّمَا هِيَ طُعْمَةٌ أَطْعَمَكُمُوهَا اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৯. উমর ইবনে আবদুল্লাহর মাওলা আবুন নাযর (রহঃ) নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, যিনি ছিলেন আবূ কাতাদার মাওলা। নাফি' (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আবু কাতাদ আনসারী (রাঃ) বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। কতিপয় মুহরিম সঙ্গীসহ তিনি পিছনে থাকিয়া যান। তিনি নিজে অবশ্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিলেন না। হঠাৎ একটা বন্য গাধা সৃষ্টিগোচর হইল, তৎক্ষণাৎ একটি ঘোড়ায় আরোহণ করিয়া তিনি উহা শিকার করিতে ছুটিলেন। সঙ্গীদের নিকট চাবুক চাহিলেন; কিন্তু কেউই দিলেন না, বর্শাখানা চাহিলে তাহাও কেউ দিলেন না। শেষে তিনি নিজে ঘোড়া হইতে নামিয়া আসিয়া বর্শা সংগ্ৰহ করিলেন এবং উক্ত গাধটিকে শিকার করিলেন। সঙ্গিগণের কেউ কেউ ইহার গোশত খাইলেন, আর কেউ কেউ খাইতে অস্বীকৃতি জানাইলেন। পরে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহিত যখন সাক্ষাৎ হইল তখন উক্ত ঘটনা তাহাকে জানাইলে তিনি বলিলেনঃ উহা এমন এক খাদ্য ছিল যাহা আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদিগকে খাওয়াইছেন।
হাদিস 779 — Muwatta Malik 20:75
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ، كَانَ يَتَزَوَّدُ صَفِيفَ الظِّبَاءِ وَهُوَ مُحْرِمٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَالصَّفِيفُ الْقَدِيدُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮০. উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) বর্ণনা করেন, যুবায়র ইবন আওয়াম (রাঃ) ইহরাম অবস্থায় পাথেয় হিসাবে হরিণের ভুনা গোশত সঙ্গে লইতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সকীফ অর্থ হইল ‘কাদীদ’ অর্থাৎ শুকনা গোশত।
হাদিস 780 — Muwatta Malik 20:76
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، فِي الْحِمَارِ الْوَحْشِيِّ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي النَّضْرِ إِلاَّ أَنَّ فِي، حَدِيثِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ هَلْ مَعَكُمْ مِنْ لَحْمِهِ شَىْءٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮১. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) আবু কাতাদা (রাঃ)-র বন্য গাধা শিকার সম্পর্কে আবুন্‌ নাযরের হাদীসটির মতই বর্ণনা করিয়াছেন। তবে যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে শিকার সংক্রান্ত ঘটনায় নিম্নোক্ত বাক্যটি রহিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বলিয়াছেনঃ উহার কোন গোশত অবশিষ্ট আছে কি?
হাদিস 781 — Muwatta Malik 20:77
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيُّ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ سَلَمَةَ الضَّمْرِيِّ، عَنِ الْبَهْزِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ يُرِيدُ مَكَّةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ حَتَّى إِذَا كَانَ بِالرَّوْحَاءِ إِذَا حِمَارٌ وَحْشِيٌّ عَقِيرٌ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ دَعُوهُ فَإِنَّهُ يُوشِكُ أَنْ يَأْتِيَ صَاحِبُهُ ‏"‏ ‏.‏ فَجَاءَ الْبَهْزِيُّ وَهُوَ صَاحِبُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ شَأْنَكُمْ بِهَذَا الْحِمَارِ ‏.‏ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَا بَكْرٍ فَقَسَمَهُ بَيْنَ الرِّفَاقِ ثُمَّ مَضَى حَتَّى إِذَا كَانَ بِالأَثَايَةِ - بَيْنَ الرُّوَيْثَةِ وَالْعَرْجِ - إِذَا ظَبْىٌ حَاقِفٌ فِي ظِلٍّ فِيهِ سَهْمٌ فَزَعَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ رَجُلاً أَنْ يَقِفَ عِنْدَهُ لاَ يَرِيبُهُ أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ حَتَّى يُجَاوِزَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮২. ঈসা ইবন তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) উমায়র ইবন সালমা জমরী (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, উমায়র তাহাকে খবর দিয়াছেন যে, বাহযী[1] (রাঃ) বর্ণনা করেন- ইহরাম বাঁধিয়া রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইলেন, রওহা নামক স্থানে পৌছিয়া একটি বন্য গাধা দেখিতে পাওয়া গেল। ইহা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আলোচনা করিলে তিনি বলিলেনঃ ছাড়িয়া দাও, এখন হয়তো উহার মালিক আসিবে। ততক্ষণে বাহযী আসিয়া পৌছিলেন, আর তিনিই উহার মালিক ছিলেন। তিনি বলিলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ইহা আপনার, সকল ইখতিয়ার আপনারই। শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশে আবু বকর (রাঃ) সঙ্গীদের মধ্যে উহার গোশত বণ্টন করিয়া দেন। পরে সকলেই সম্মুখে অগ্রসর হইলেন। রুয়াইসা ও আরজ নামক স্থানদ্বয়ের মধ্যবর্তী উসায়া নামক স্থানে যখন পৌছিলেন তখন একটি গাছের ছায়ায় একটি তীরবিদ্ধ হরিণ মাথা নিচু করিয়া দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখা গেল। বর্ণনাকারী ধারণা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন এক ব্যক্তিকে হরিণটির নিকট দাঁড়াইয়া পাহারা দিতে নির্দেশ দিলেন, যাহাতে সকলেই উহাকে অতিক্রম করিয়া সম্মুখে চলিয়া না যাওয়া পর্যন্ত কেউ উহার কোন কিছু করিতে না পারে।
হাদিস 782 — Muwatta Malik 20:78
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ أَقْبَلَ مِنَ الْبَحْرَيْنِ حَتَّى إِذَا كَانَ بِالرَّبَذَةِ وَجَدَ رَكْبًا مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ مُحْرِمِينَ فَسَأَلُوهُ عَنْ لَحْمِ صَيْدٍ وَجَدُوهُ عِنْدَ أَهْلِ الرَّبَذَةِ فَأَمَرَهُمْ بِأَكْلِهِ قَالَ ثُمَّ إِنِّي شَكَكْتُ فِيمَا أَمَرْتُهُمْ بِهِ فَلَمَّا قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ ذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ عُمَرُ مَاذَا أَمَرْتَهُمْ بِهِ فَقَالَ أَمَرْتُهُمْ بِأَكْلِهِ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَوْ أَمَرْتَهُمْ بِغَيْرِ ذَلِكَ لَفَعَلْتُ بِكَ يَتَوَاعَدُهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮৩. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বাহরাইন হইতে আসতেছিলেন। রবাজা নামক স্থানে ইহরাম বাঁধা অবস্থায় কতিপয় ইরাকী আরোহীর সঙ্গে তাহার সাক্ষাৎ হইল। তাহারা তাহাকে শিকারের গোশত খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিল। উক্ত শিকার রবাজাবাসীদের ছিল। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ পরে এই ফতওয়া সম্পর্কে আমার মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। মদীনায় আসিয়া উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে তাহা জানাইলাম। তিনি বলিলেনঃ তুমি তাহাদিগকে এই সম্পর্কে কি বলিয়াছিলে? আমি বলিলামঃ তাহাদেরকে উহা খাইতে পারে বলিয়া মত দিয়াছিলাম। তখন তিনি বলিলেনঃ ইহা না বলিয়া অন্য কিছু যদি বলিতে তবে তোমাকে আমি শায়েস্তা করিতাম অর্থাৎ তিনি তাহাকে ভয় দেখাইলেন।
হাদিস 783 — Muwatta Malik 20:79
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يُحَدِّثُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّهُ مَرَّ بِهِ قَوْمٌ مُحْرِمُونَ بِالرَّبَذَةِ فَاسْتَفْتَوْهُ فِي لَحْمِ صَيْدٍ وَجَدُوا نَاسًا أَحِلَّةً يَأْكُلُونَهُ فَأَفْتَاهُمْ بِأَكْلِهِ قَالَ ثُمَّ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ بِمَ أَفْتَيْتَهُمْ قَالَ فَقُلْتُ أَفْتَيْتُهُمْ بِأَكْلِهِ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ لَوْ أَفْتَيْتَهُمْ بِغَيْرِ ذَلِكَ لأَوْجَعْتُكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮৪. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট হাদীস বর্ণনা করিতে শুনিয়াছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলিতেছিলেন, যে রবাজা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় কতিপয় লোকের সহিত তাহার সাক্ষাত হয়। ইহরামবিহীন লোকের শিকারকৃত পশু যাহা তাহারা খাইতেছে সেই পশুর গোশত তাহারা খাইতে পারবে কিনা এই সম্পর্কে তাহার নিকট ফতওয়া জিজ্ঞাসা করা হইল। তিনি তাহাদিগকে উহা খাইতে পারে বলিয়া ফতওয়া দেন। তিনি বলেনঃ পরে মদীনায় আসিয়া উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলিলেন, তুমি কি ফতওয়া দিয়াছিলে? আমি বলিলামঃ ঐ গোশত খাইতে পারে বলিয়া ফতওয়া দিয়াছিলাম। তিনি বলিলেনঃ এই ফতওয়া না দিয়া যদি অন্য কোন ফতওয়া তুমি দিতে তবে তোমাকে আমি শাস্তি দিতাম।
হাদিস 784 — Muwatta Malik 20:80
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ كَعْبَ الأَحْبَارِ، أَقْبَلَ مِنَ الشَّامِ فِي رَكْبٍ حَتَّى إِذَا كَانُوا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ وَجَدُوا لَحْمَ صَيْدٍ فَأَفْتَاهُمْ كَعْبٌ بِأَكْلِهِ قَالَ فَلَمَّا قَدِمُوا عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بِالْمَدِينَةِ ذَكَرُوا ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ مَنْ أَفْتَاكُمْ بِهَذَا قَالُوا كَعْبٌ ‏.‏ قَالَ فَإِنِّي قَدْ أَمَّرْتُهُ عَلَيْكُمْ حَتَّى تَرْجِعُوا ثُمَّ لَمَّا كَانُوا بِبَعْضِ طَرِيقِ مَكَّةَ مَرَّتْ بِهِمْ رِجْلٌ مِنْ جَرَادٍ فَأَفْتَاهُمْ كَعْبٌ أَنْ يَأْخُذُوهُ فَيَأْكُلُوهُ فَلَمَّا قَدِمُوا عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ذَكَرُوا لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ مَا حَمَلَكَ عَلَى أَنْ تُفْتِيَهُمْ بِهَذَا قَالَ هُوَ مِنْ صَيْدِ الْبَحْرِ ‏.‏ قَالَ وَمَا يُدْرِيكَ قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ - وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ - إِنْ هِيَ إِلاَّ نَثْرَةُ حُوتٍ يَنْثُرُهُ فِي كُلِّ عَامٍ مَرَّتَيْنِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৫. কা’ব আহবার (রহঃ) যখন সিরিয়া হইতে আসেন কতিপয় ইহরাম বাঁধা আরোহীও তখন তাহার সঙ্গী হয় পথে তাহারা কিছু শিকারের গোশত পাইলেন। কা’ব (রহঃ) তাহাদিগকে উহা খাইতে অনুমতি দিলেন। ঐ আরোহী দল মদীনায় আসিয়া উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে উক্ত ঘটনা জানাইলেন। তিনি বললেন, তোমাদিগকে উক্ত গোশত খাইতে কে ফতওয়া দিয়াছিলেন? তাহারা বললেনঃ কাব (রহঃ)। তিনি বলিলেনঃ ফিরিয়া না আসা পর্যন্ত কা'বকে আমি তোমাদের আমীর বানাইয়া দিলাম। পরে মক্কার পথে তাহারা অনেক পঙ্গপাল দেখিতে পাইলেন। কা'ব তাহাদিগকে উহা খাইতে বলিয়া দিলেন। তাহারা ফিরিয়া উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে উহা জানাইলেন। তিনি কা’বকে বলিলেনঃ কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করিয়া তুমি এই ধরনের ফতওয়া দিলে? কা’ব বলিলেনঃ এই জাতীয় পঙ্গপাল (টিড্ডী) সামুদ্রিক প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত (আর মুহরিমের জন্য সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া জায়েয) । উমর (রাঃ) বলিলেনঃ ইহা কেমন করিয়া? কা'ব বলিলেন, আমীরুল মু'মিনীন! সেই সত্তার কসম যাহার হাতে আমার প্রাণ, এই জাতীয় পঙ্গপাল এক প্রকার সামুদ্রিক মাছের হাঁচি হইতে জন্ম হইয়া থাকে। উহা বৎসরে মাত্র দুইবারই হাঁচি দিয়া থাকে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল, পথে শিকারের গোশত পাওয়া গেলে মুহরিম ব্যক্তি উহা ক্রয় করিতে পারে কি? তিনি বলিলেনঃ হজ্জযাত্রীদের নিয়তে শিকার করিয়া থাকিলে উহা আমার কাছে মাকরূহ বলিয়া মনে হয়, তবে সাধারণভাবে বিশেষ কোন নিয়ত ব্যতিরেকে শিকার করা হইয়া থাকিলে উহা ক্রয় করায় দোষের কিছুই নাই। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় কোন ব্যক্তির নিকট তৎকর্তৃক শিকারকৃত কোন পশু ছিল অথবা শিকারকৃত কোন পশু ক্রয় করিল। তবে উহা ছাড়িয়া দেওয়া তাহার জন্য জরুরী নহে, বরং বাড়িতে তাহা রাখিয়া যাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সমুদ্র, নদী-নালা এবং পুকুর ইত্যাদির মাছ মুহরিমগণ শিকার করিতে পরিবে।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।