Qurani·قرآني
বাংলা

বিচার-ফয়সালা

56 হাদিস · #1399–1454

হাদিস 1429 — Muwatta Malik 36:31
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي سَيْلِ مَهْزُورٍ وَمُذَيْنِبٍ ‏ "‏ يُمْسَكُ حَتَّى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُرْسِلُ الأَعْلَى عَلَى الأَسْفَلِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৮. আবদুল্লাহ ইবন আবী বকর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাহযুর ও মুযায়ানব নামক দুইটি খাল সম্বন্ধে বলিয়াছেন যে, যাহার ক্ষেত খাল সংলগ্ন সে যেন টাখনু (পায়ের গোড়ালি) পর্যন্ত পানি রাখিয়া নিম্ন এলাকার ক্ষেতসমূহের জন্য পানি ছাড়িয়া দেয়।
হাদিস 1430 — Muwatta Malik 36:32
সহিহ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يُمْنَعُ فَضْلُ الْمَاءِ لِيُمْنَعَ بِهِ الْكَلأُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, দরকারের চাইতে অধিক পানি বন্ধ রাখা উচিত নহে, কেননা তাহার ফলে উক্ত এলাকায় ঘাস জন্মানও বন্ধ হইয়া যাইবে।
হাদিস 1431 — Muwatta Malik 36:33
সহিহ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الرِّجَالِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أُمِّهِ، عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يُمْنَعُ نَقْعُ بِئْرٍ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩০. আমরাহ বিনত আবদির রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, কূপের অবশিষ্ট পানি হইতে মানুষকে নিষেধ করা উচিত নহে।
হাদিস 1432 — Muwatta Malik 36:34
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ ضَرَرَ وَلاَ ضِرَارَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩১. ইয়াহইয়া মাযেনী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করিবে না, তদ্রুপ পরস্পর কাহারও ক্ষতি করিবে না।
হাদিস 1433 — Muwatta Malik 36:35
সহিহ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَمْنَعُ أَحَدُكُمْ جَارَهُ خَشَبَةً يَغْرِزُهَا فى جِدَارِهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ مَا لِي أَرَاكُمْ عَنْهَا مُعْرِضِينَ وَاللَّهِ لأَرْمِيَنَّ بِهَا بَيْنَ أَكْتَافِكُمْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩২. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কোন মুসলিমের পক্ষে তাহার প্রতিবেশীকে স্বীয় ঘরের দেওয়ালে কোন কাঠ গাড়িতে নিষেধ করা উচিত হইবে না। অতঃপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন যে, ব্যাপার কি, এই হাদীস শোনার পর তাহাদিগকে মুখ ফিরাইয়া রাখিতে দেখি কেন? আল্লাহর কসম, আমি এই হাদীস তোমাদের স্কন্ধের উপর ফেলিব অর্থাৎ খুব প্রচার করিব।
হাদিস 1434 — Muwatta Malik 36:36
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ الضَّحَّاكَ بْنَ خَلِيفَةَ، سَاقَ خَلِيجًا لَهُ مِنَ الْعُرَيْضِ فَأَرَادَ أَنْ يَمُرَّ بِهِ فِي أَرْضِ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ فَأَبَى مُحَمَّدٌ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ الضَّحَّاكُ لِمَ تَمْنَعُنِي وَهُوَ لَكَ مَنْفَعَةٌ تَشْرَبُ بِهِ أَوَّلاً وَآخِرًا وَلاَ يَضُرُّكَ ‏.‏ فَأَبَى مُحَمَّدٌ فَكَلَّمَ فِيهِ الضَّحَّاكُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَدَعَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ مُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ فَأَمَرَهُ أَنْ يُخَلِّيَ سَبِيلَهُ فَقَالَ مُحَمَّدٌ لاَ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ لِمَ تَمْنَعُ أَخَاكَ مَا يَنْفَعُهُ وَهُوَ لَكَ نَافِعٌ تَسْقِي بِهِ أَوَّلاً وَآخِرًا وَهُوَ لاَ يَضُرُّكَ ‏.‏ فَقَالَ مُحَمَّدٌ لاَ وَاللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ وَاللَّهِ لَيَمُرَّنَّ بِهِ وَلَوْ عَلَى بَطْنِكَ ‏.‏ فَأَمَرَهُ عُمَرُ أَنْ يَمُرَّ بِهِ فَفَعَلَ الضَّحَّاكُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৩. ইয়াহইয়া মাযেনী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যাহহাক ইবন খলীফা, আরীট নামক স্থান হইতে একটি ছোট খাল কাটিয়া আনিলেন এবং মুহাম্মদ ইবন মাসলামা (রাঃ) এর জমির উপর দিয়া লইয়া যাইবেন বলিয়া মনস্থ করিলেন। কিন্তু তিনি তাহাতে অসম্মতি জানাইলেন। যাহহাক (রাঃ) বলিলেন, আপনি নিষেধ করিতেছেন কেন? তাহাতে আপনার জমিরও উপকার সাধিত হইবে, আপনি প্রথম হইতে শেষ পর্যন্ত জমিতে পানি সেচ করিতে পারবেন। আপনার কোন অসুবিধাই হইবে না। কিন্তু ইবন মাসলামা (রাঃ) কিছুতেই সম্মত হইতেছেন না দেখিয়া যাহহাক (রাঃ) উমর (রাঃ)-এর সাথে আলাপ করিলেন। উমর (রাঃ) ইবন মাসলামাকে ডাকাইয়া বলিলেন, তুমি খালটি তোমার জমির উপর দিয়া লইয়া যাইতে দাও। ইবন মাসলামা (রাঃ) বলিলেন, আল্লাহর কসম, এইরূপ হইবে না। উমর (রহঃ) বলিলেন, তুমি কেন নিষেধ করিতেছ? ইহার দ্বারা তোমার ভাইয়ের ও তোমার উপকার হইবে। তুমিও তোমার জমিতে পানি সেচ করিতে পারিবে অথচ তোমার কোন ক্ষতিই হইবে না। মুহাম্মদ ইবন মাসলাম (রাঃ) বলিলেন, আল্লাহর কসম, তাহা হইবে না। উমর (রাঃ) বলিলেন, আল্লাহর কসম, খাল প্রবাহিত করা হইবে যদিও তোমার পেটের ভিতর দিয়া হয়। অতঃপর উমর (রাঃ) ইবন মাসলামার জমির উপর দিয়া খাল খননের নির্দেশ দিলেন। যাহহাক (রাঃ) তাহাই করিলেন।
হাদিস 1435 — Muwatta Malik 36:37
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ فِي حَائِطِ جَدِّهِ رَبِيعٌ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فَأَرَادَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ أَنْ يُحَوِّلَهُ إِلَى نَاحِيَةٍ مِنَ الْحَائِطِ هِيَ أَقْرَبُ إِلَى أَرْضِهِ فَمَنَعَهُ صَاحِبُ الْحَائِطِ فَكَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِي ذَلِكَ فَقَضَى لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ بِتَحْوِيلِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৪. ইয়াহইয়া ইবন মাযেনী (রাঃ) বলেনঃ আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর একটি ছোট খাল আমার দাদার জমির উপর দিয়া প্রবাহিত হইতেছিল। আবদুর রহমান (রাঃ) চাহিলেন যেন খালটি অন্যত্র দিয়া প্রবাহিত হয়, যেন তাহার জমির নিকটবর্তী হয়। অতঃপর আমার দাদা নিষেধ করিলেন। আবদুর রহমান (রাঃ) উমর (রাঃ)-এর নিকট এই বিষয়ে আলাপ করিলেন। উমর (রাঃ) পরে তাহাকে অনুমতি দান করিলেন।
হাদিস 1436 — Muwatta Malik 36:38
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ، أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ أَيُّمَا دَارٍ أَوْ أَرْضٍ قُسِمَتْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَهِيَ عَلَى قَسْمِ الْجَاهِلِيَّةِ وَأَيُّمَا دَارٍ أَوْ أَرْضٍ أَدْرَكَهَا الإِسْلاَمُ وَلَمْ تُقْسَمْ فَهِيَ عَلَى قَسْمِ الإِسْلاَمِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِيمَنْ هَلَكَ وَتَرَكَ أَمْوَالاً بِالْعَالِيَةِ وَالسَّافِلَةِ إِنَّ الْبَعْلَ لاَ يُقْسَمُ مَعَ النَّضْحِ إِلاَّ أَنْ يَرْضَى أَهْلُهُ بِذَلِكَ وَإِنَّ الْبَعْلَ يُقْسَمُ مَعَ الْعَيْنِ إِذَا كَانَ يُشْبِهُهَا وَأَنَّ الأَمْوَالَ إِذَا كَانَتْ بِأَرْضٍ وَاحِدَةٍ الَّذِي بَيْنَهُمَا مُتَقَارِبٌ أَنَّهُ يُقَامُ كُلُّ مَالٍ مِنْهَا ثُمَّ يُقْسَمُ بَيْنَهُمْ وَالْمَسَاكِنُ وَالدُّورُ بِهَذِهِ الْمَنْزِلَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ মারা যায় এবং তাহার উঁচু-নীচু অনেক জমি থাকে, তবে যে জমিতে বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় তাহা কূপের পানি দ্বারা যে জমিতে ফসল হয় তাহার সঙ্গে সমভাবে বন্টন হইবে না। অবশ্য সকল অংশীদার রাযী হইলে তবে জায়েয হইবে। আর বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় এমন জমির নিম্ন জমির সাথে বন্টন হইতে পারে। এইরূপে যদি তাহার আরো সম্পদ থাকে এবং সকলই একই রকম দেখায় তবে প্রত্যেকের মূল্য নির্ধারিত করিয়া এক সাথেই বন্টন করবে। ঘর ও বাড়ির একই হুকুম।
হাদিস 1437 — Muwatta Malik 36:39
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حَرَامِ بْنِ سَعْدِ بْنِ مُحَيِّصَةَ، أَنَّ نَاقَةً، لِلْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ دَخَلَتْ حَائِطَ رَجُلٍ فَأَفْسَدَتْ فِيهِ فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ عَلَى أَهْلِ الْحَوَائِطِ حِفْظَهَا بِالنَّهَارِ وَأَنَّ مَا أَفْسَدَتِ الْمَوَاشِي بِاللَّيْلِ ضَامِنٌ عَلَى أَهْلِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৭. হারাম ইবন সা’আদ ইবন মুহায়্যিসা (রহঃ) ছইত বর্ণিত, বারা ইবন আযিব (রাঃ)-এর উষ্ট্রী কাহারো বাগানে ঢুকিয়া ফসলের খুব ক্ষতি করে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, দিনের বেলায় বাগান হেফাজত করার জিম্মাদার বাগানের মালিক, রাত্রিকালে যদি জন্তু বাগানে ঢুকে ও ক্ষতি করে তবে জন্তুর মালিক তাহার ক্ষতি পূরণের জিম্মাদার হইবে।
হাদিস 1438 — Muwatta Malik 36:40
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ، أَنَّ رَقِيقًا، لِحَاطِبٍ سَرَقُوا نَاقَةً لِرَجُلٍ مِنْ مُزَيْنَةَ فَانْتَحَرُوهَا فَرُفِعَ ذَلِكَ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَأَمَرَ عُمَرُ كَثِيرَ بْنَ الصَّلْتِ أَنْ يَقْطَعَ أَيْدِيَهُمْ ثُمَّ قَالَ عُمَرُ أَرَاكَ تُجِيعُهُمْ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ عُمَرُ وَاللَّهِ لأُغَرِّمَنَّكَ غُرْمًا يَشُقُّ عَلَيْكَ ثُمَّ قَالَ لِلْمُزَنِيِّ كَمْ ثَمَنُ نَاقَتِكَ فَقَالَ الْمُزَنِيُّ قَدْ كُنْتُ وَاللَّهِ أَمْنَعُهَا مِنْ أَرْبَعِمِائَةِ دِرْهَمٍ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ أَعْطِهِ ثَمَانَمِائَةِ دِرْهَمٍ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى سَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ وَلَيْسَ عَلَى هَذَا الْعَمَلُ عِنْدَنَا فِي تَضْعِيفِ الْقِيمَةِ وَلَكِنْ مَضَى أَمْرُ النَّاسِ عِنْدَنَا عَلَى أَنَّهُ إِنَّمَا يَغْرَمُ الرَّجُلُ قِيمَةَ الْبَعِيرِ أَوِ الدَّابَّةِ يَوْمَ يَأْخُذُهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৮. ইয়াহয়া ইবন আবদির রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, একদা হাতিব (রাঃ)-এর এক ক্রীতদাস কাহারো উট চুরি করিয়া জবাই করিয়া ফেলে। ইহার মামলা উমর (রাঃ)-এর দরবারে গেলে তিনি কাসীর ইবন সলত (রাঃ)-কে নির্দেশ দিলেন যে, ঐ ক্রীতদাসের হাত কাটিয়া ফেল। অতঃপর তিনি হাতিব (রাঃ)-এর দিকে তাকাইয়া বলিলেন, আমার মনে হয় যে, তুমি ক্রীতদাসদিগকে অনাহারে রাখ, আল্লাহর কসম, আমি ইহার জন্য তোমার এমন জরিমানা করিব যাহা তোমার জন্য খুব ভারী হইবে। তাহার পর উটের মালিককে উটের মূল্য সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিলেন। সে বলিল, ইহার মূল্য চারিশত দিরহাম। উমর (রাঃ) তাহাকে আরও চারশত দিরহাম, মোট আটশত দিরহাম দিতে বলিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহাদিগের উপর আমাদের আমল নাই কিন্তু আমাদের আমল এই কথার উপর যে, যেদিন উট খরিদ করা হইয়াছে সে দিনের মূল্য দিতে হইবে।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।