রেওয়ায়ত ১০. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক শীতল রজনীতে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। আযানের পর বললেনঃ (أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ)-তোমরা নিজ নিজ আবাসে নামায পড়। তারপর তিনি বলিলেনঃ শীতল ও বর্ষনশীলা রজনীতে (أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ) বলিবার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াযযিনকে নির্দেশ দিতেন।
রেওয়ায়ত ১১. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) সফরে শুধু ইকামত বলিতেন। অবশ্য ফজরের সময় আযান ও ইকামত উভয়ের ব্যবস্থা করা হইত। তিনি বলিতেনঃ আযান বলিতে হয় সেই ইমামের বেলায় যাহার সহিত নামায পড়িবার উদ্দেশ্যে লোকজন একত্রিত হয়।
রেওয়ায়ত ১৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি মাঠে নামায পড়ে তাহার ডাইনে একজন ও বামে একজন ফেরেশতা নামাযে দাঁড়ান। আর যদি সে আযান ও ইকামত দিয়া নামায পড়ে তবে তাহার পিছনে পাহাড় পরিমাণ (বহু) ফেরেশতা নামাযে শামিল হন।
হাদিস 160 — Muwatta Malik 3:15
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ بِلاَلاً يُنَادِي بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُنَادِيَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ " .
রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ বিলাল রাত্রি থাকিতে আযান দেয়। অতএব ইবন উম্মি-মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করিতে পার।
রেওয়ায়ত ১৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আরম্ভ করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলিতেন এবং যখন রুকু হইতে মাথা তুলিতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলিতেন এবং বলতেন (سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ) অবশ্য সিজদার সময় তিনি হাত উঠাইতেন না।
হাদিস 163 — Muwatta Malik 3:18
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُكَبِّرُ فِي الصَّلاَةِ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ فَلَمْ تَزَلْ تِلْكَ صَلاَتَهُ حَتَّى لَقِيَ اللَّهَ .
রেওয়ায়ত ১৭. আলী ইবন হুসায়ন আলী ইবন আবি তালিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে যখন নিচের দিক ঝুঁকিতেন ও মাথা উপরে তুলিতেন তখন তকবীর (আল্লাহু আকবার) বলতেন। তিনি আল্লাহর সহিত মিলিত হওয়া পর্যন্ত এইভাবে নামায পড়িয়াছেন।
হাদিস 164 — Muwatta Malik 3:19
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي الصَّلاَةِ .
রেওয়ায়ত ১৮. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে দুই হাত উপরে উঠাইতেন।
হাদিস 165 — Muwatta Malik 3:20
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، كَانَ يُصَلِّي لَهُمْ فَيُكَبِّرُ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ وَاللَّهِ إِنِّي لأَشْبَهُكُمْ بِصَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
রেওয়ায়ত ১৯. আবি সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আওফ (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন, আবু হুরায়রা (রাঃ) তাহাদের (শিক্ষাদানের) উদ্দেশ্যে নামায পড়িতেন এবং তিনি যতবার নিচের দিকে ঝুঁকিতেন ও মাথা উপরে তুলিতেন ততবার তকবীর (আল্লাহু আকবার) বলতেন। নামায শেষ করার পর তিনি বলিতেনঃ তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামাযের সঙ্গে আমি অধিকতর সামঞ্জস্য-রক্ষাকরী।