Qurani·قرآني
বাংলা

নামায

76 হাদিস · #146–221

হাদিস 206 — Muwatta Malik 3:39
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ وَنَافِعًا مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ، دَخَلَ مَعَ الإِمَامِ فِي الصَّلاَةِ وَقَدْ سَبَقَهُ الإِمَامُ بِرَكْعَةٍ أَيَتَشَهَّدُ مَعَهُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَرْبَعِ وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ لَهُ وِتْرًا فَقَالاَ لِيَتَشَهَّدْ مَعَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَهُوَ الأَمْرُ عِنْدَنَا ‏.‏
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ وَنَافِعًا مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ، دَخَلَ مَعَ الإِمَامِ فِي الصَّلاَةِ وَقَدْ سَبَقَهُ الإِمَامُ بِرَكْعَةٍ أَيَتَشَهَّدُ مَعَهُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَرْبَعِ وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ لَهُ وِتْرًا فَقَالاَ لِيَتَشَهَّدْ مَعَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَهُوَ الأَمْرُ عِنْدَنَا ‏.‏
হাদিস 207 — Muwatta Malik 3:40
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ مَلِيحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ وَيَخْفِضُهُ قَبْلَ الإِمَامِ فَإِنَّمَا نَاصِيَتُهُ بِيَدِ شَيْطَانٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৭. মলিহ্ ইবন আবদুল্লাহ্ সাদী (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের পূর্বে মাথা তোলে অথবা ঝোঁকায় তাহার কপাল শয়তানের হাতে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ভুলবশত রুকূ-সিজদায় ইমামের পূর্বে মাথা উঠাইয়াছে তাহার বিষয়ে সুন্নাহ বা নিয়ম হইল, সে পুনরায় রুকূ অথবা সিজদায় ফিরিয়া যাইবে। ইহাতে সে ইমামের অপেক্ষা করিবে না। কেননা যে ব্যক্তি ইহা করিয়াছে, সে ভুল করিয়াছে। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ অনুসরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হইয়াছে। কাজেই তোমরা ইমামের বরখেলাফ করিও না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের পূর্বে মাথা উঠায় অথবা ঝোঁকায় তাহার কপাল শয়তানের হাতে।
হাদিস 208 — Muwatta Malik 3:41
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنَ اثْنَتَيْنِ فَقَالَ لَهُ ذُو الْيَدَيْنِ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ أَمْ نَسِيتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ النَّاسُ نَعَمْ ‏.‏ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ أُخْرَيَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ ثُمَّ رَفَعَ ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ ثُمَّ رَفَعَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) দুই রাকাআত (পড়িয়া) নামায সমাপ্ত করিলেন, তখন যুল-ইয়াদায়ন (সাহাবী) তাহাকে বলিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! নামায সংক্ষিপ্ত করা হইয়াছে, না আপনার ভুল হইয়াছে? ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উপস্থিত মুসল্লিদের সম্বোধন করিয়া) বলিলেনঃ যুল-ইয়াদায়ন ঠিক বলিয়াছেন কি? লোকেরা বললেনঃ হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠিলেন এবং শেষের দুই রাকাআত পড়িলেন, তারপর সালাম ফিরাইয়া আল্লাহু আকবার বলিয়া সিজদা করিলেন, পূর্বের মত (সিজদা) অথবা তাহা হইতে দীর্ঘ সিজদা। অতঃপর (পবিত্র) শির উঠাইলেন, পুনরায় তকবীর বলিয়া সিজদায় গেলেন, পূর্বের (সিজদার) মত অথবা উহা হইতে দীর্ঘ সিজদা, অতঃপর (পবিত্র) শির উঠাইলেন।
হাদিস 209 — Muwatta Malik 3:42
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، مَوْلَى ابْنِ أَبِي أَحْمَدَ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْعَصْرِ فَسَلَّمَ فِي رَكْعَتَيْنِ فَقَامَ ذُو الْيَدَيْنِ فَقَالَ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْ نَسِيتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كُلُّ ذَلِكَ لَمْ يَكُنْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ بَعْضُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النَّاسِ فَقَالَ ‏"‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا نَعَمْ ‏.‏ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَمَّ مَا بَقِيَ مِنَ الصَّلاَةِ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ بَعْدَ التَّسْلِيمِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৯. আবু আহমদ (রহঃ)-এর পুত্রের মাওলা আবূ সুফইয়ান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আসরের নামায পড়িলেন, তিনি (উহাতে) দুই রাকাআতের পর সালাম ফিরাইলেন। যুল-ইয়াদায়ন দাঁড়াইয়া বলিলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল। নামায কমাইয়া দেওয়া হইয়াছে না আপনি তুলিয়া গিয়াছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইলেন, (আমার মনে হয়) উভয়ের কোনটাই ঘটে নাই। যুল-ইয়াদায়ন বলিলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! একটা কিছু ঘটিয়াছে। (ইহা শোনার পর) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পবিত্র মুখমণ্ডল সাহাবাদের দিকে করিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন , যুল-ইয়াদায়ন কি ঠিক বলিতেছেন? উপস্থিত সাহাবা বলিলেনঃ হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াইলেন এবং অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করিলেন। তারপর সালামের পর বসা অবস্থায় দুইটি সিজদা করিলেন।
হাদিস 210 — Muwatta Malik 3:43
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ مِنْ إِحْدَى صَلاَتَىِ النَّهَارِ - الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ - فَسَلَّمَ مِنَ اثْنَتَيْنِ فَقَالَ لَهُ ذُو الشِّمَالَيْنِ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْ نَسِيتَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا قَصُرَتِ الصَّلاَةُ وَمَا نَسِيتُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ ذُو الشِّمَالَيْنِ قَدْ كَانَ بَعْضُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النَّاسِ فَقَالَ ‏"‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَتَمَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا بَقِيَ مِنَ الصَّلاَةِ ثُمَّ سَلَّمَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬০. আবু বকর ইবন সুলায়মান ইবন আবি হাসমা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের কোন এক নামায- যোহর কিংবা আসরে দুই রাকাআত পড়িয়া সালাম ফিরাইলেন, তখন বনি যোহরা ইবন কিলাব গোত্রের যুশ-শিমালায়ন (রাঃ) নামক জনৈক সাহাবী বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! নামায কি সংক্ষিপ্ত করা হইয়াছে, না আপনি ভুলিয়া গিয়াছেন? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইলেনঃ নামাযও সংক্ষিপ্ত করা হয় নাই, আমিও ভুলি নাই। যুশ-শিমালায়ন (রাঃ) পুনরায় বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (অবশ্যই) কোন একটা হইয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেহারা মুবারক লোকের দিকে করিলেন এবং বলিলেনঃ যুশ-শিমালায়ন ঠিক বলিয়াছে কি? (উপস্থিত) লোকজন বলিলেনঃ হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করিলেন। অতঃপর সালাম ফিরাইলেন।
হাদিস 211 — Muwatta Malik 3:44
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ كُلُّ سَهْوٍ كَانَ نُقْصَانًا مِنَ الصَّلاَةِ فَإِنَّ سُجُودَهُ قَبْلَ السَّلاَمِ وَكُلُّ سَهْوٍ كَانَ زِيَادَةً فِي الصَّلاَةِ فَإِنَّ سُجُودَهُ بَعْدَ السَّلاَمِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) এবং আবি সালামা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ভুলে নামাযে ঘাটতি হয়, উহাতে সালামের পূর্বে সিজদা করিতে হয়। আর যে ভুলে বৃদ্ধি হয় উহাতে সালামের পরে সিজদা করিতে হয়।
হাদিস 212 — Muwatta Malik 3:45
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ فَلَمْ يَدْرِ كَمْ صَلَّى أَثَلاَثًا أَمْ أَرْبَعًا فَلْيُصَلِّي رَكْعَةً وَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ فَإِنْ كَانَتِ الرَّكْعَةُ الَّتِي صَلَّى خَامِسَةً شَفَعَهَا بِهَاتَيْنِ السَّجْدَتَيْنِ وَإِنْ كَانَتْ رَابِعَةً فَالسَّجْدَتَانِ تَرْغِيمٌ لِلشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬২. আতা ইবন ইয়াসার (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের কেউ যদি নামাযের মধ্যে সন্দেহগ্ৰস্ত হয়, তদ্দরুন তিন রাকাআত পড়িয়াছে না চার রাকাআত পড়িয়াছে তাহা স্মরণ করতে না পারে তবে সে আর এক রাকাআত পড়িবে এবং বসা অবস্থায়ই সালামের পূর্বে দুইটি সিজদা করিবে। যে (এক) রাক’আত সে পড়িয়াছে তাহা যদি পঞ্চম রাকাআত হইয়া থাকে, তবে উক্ত দুই সিজদা (ষষ্ঠ রাকাআতের পরিবর্তে গণ্য করা হইবে এবং) ঐ নামাযকে জোড় নামাযে পরিণত করবে। আর যদি উহা চতুর্থ রাকাআত হয়, তবে দুই সিজদা শয়তানের অপমানের কারণ হইবে।
হাদিস 213 — Muwatta Malik 3:46
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ فَلْيَتَوَخَّ الَّذِي يَظُنُّ أَنَّهُ نَسِيَ مِنْ صَلاَتِهِ فَلْيُصَلِّهِ ثُمَّ لِيَسْجُدْ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৩. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ নামাযে (কত রাকাআত পড়া হইল সে বিষয়) সন্দেহে লিপ্ত হইলে সে তাহার ধারণা মত কত রাকাআত নামায ভুলিয়া গিয়াছে, উহা স্থির করিবে এবং (সে মত) নামায পড়িবে। তারপর বসা অবস্থায় ভুলের জন্য দুইটি সিজদা করিবে।
হাদিস 214 — Muwatta Malik 3:47
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَفِيفِ بْنِ عَمْرٍو السَّهْمِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ وَكَعْبَ الأَحْبَارِ عَنِ الَّذِي، يَشُكُّ فِي صَلاَتِهِ فَلاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى أَثَلاَثًا أَمْ أَرْبَعًا فَكِلاَهُمَا قَالَ لِيُصَلِّي رَكْعَةً أُخْرَى ثُمَّ لِيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৪. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আ'স (রাঃ) এবং কা'ব আল-আহবার (রহঃ)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিয়াছি, যে ব্যক্তি নামাযে সংশয়ে লিপ্ত হয়, অতঃপর সে বলিতে পারে না কত রাকাআত পড়িয়াছে – তিন রাকাআত না চারি রাকাআত। তখন তাহারা (উত্তরে) বলিলেন যে, সে আর এক রাকাআত পড়িবে। তারপর বসা অবস্থায়ই দুইটি সিজদা করিবে। মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-কে নামাযে ভুলিয়া যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হইলে (উত্তরে) তিনি বলিতেনঃ যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিছু নামায ভুলিয়া গিয়াছে সে ভাবিয়া ঠিক করিবে, অতঃপর নামায পড়িয়া লইবে।
হাদিস 215 — Muwatta Malik 3:48
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا سُئِلَ عَنِ النِّسْيَانِ، فِي الصَّلاَةِ قَالَ لِيَتَوَخَّ أَحَدُكُمُ الَّذِي يَظُنُّ أَنَّهُ نَسِيَ مِنْ صَلاَتِهِ فَلْيُصَلِّهِ ‏.‏
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا سُئِلَ عَنِ النِّسْيَانِ، فِي الصَّلاَةِ قَالَ لِيَتَوَخَّ أَحَدُكُمُ الَّذِي يَظُنُّ أَنَّهُ نَسِيَ مِنْ صَلاَتِهِ فَلْيُصَلِّهِ ‏.‏
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।