Qurani·قرآني
বাংলা

নামায সংক্ষেপ করা

102 হাদিস · #326–427

হাদিস 326 — Muwatta Malik 9:1
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي سَفَرِهِ إِلَى تَبُوكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার তাবুক সফরকালে যোহর ও আসরের নামায একত্রে পড়িয়াছিলেন।
হাদিস 327 — Muwatta Malik 9:2
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُمْ، خَرَجُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ تَبُوكَ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ - قَالَ - فَأَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّكُمْ سَتَأْتُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَيْنَ تَبُوكَ وَإِنَّكُمْ لَنْ تَأْتُوهَا حَتَّى يَضْحَى النَّهَارُ فَمَنْ جَاءَهَا فَلاَ يَمَسَّ مِنْ مَائِهَا شَيْئًا حَتَّى آتِيَ ‏"‏ ‏.‏ فَجِئْنَاهَا وَقَدْ سَبَقَنَا إِلَيْهَا رَجُلاَنِ وَالْعَيْنُ تَبِضُّ بِشَىْءٍ مِنْ مَاءٍ فَسَأَلَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَلْ مَسِسْتُمَا مِنْ مَائِهَا شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالاَ نَعَمْ ‏.‏ فَسَبَّهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ لَهُمَا مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ ثُمَّ غَرَفُوا بِأَيْدِيهِمْ مِنَ الْعَيْنِ قَلِيلاً قَلِيلاً حَتَّى اجْتَمَعَ فِي شَىْءٍ ثُمَّ غَسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهِ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ أَعَادَهُ فِيهَا فَجَرَتِ الْعَيْنُ بِمَاءٍ كَثِيرٍ فَاسْتَقَى النَّاسُ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يُوشِكُ يَا مُعَاذُ إِنْ طَالَتْ بِكَ حَيَاةٌ أَنْ تَرَى هَا هُنَا قَدْ مُلِئَ جِنَانًا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. আবুত তুফায়েল আমির ইবন ওয়াসিলা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, মুআয ইবন জবল (রাঃ) তাহাকে বলিয়াছেনঃ তাহারা তাবুকের যুদ্ধের বৎসর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফরে বাহির হইলেন। (সেই সফরে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন। (মুআয) বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামাযে দেরি করিলেন, অতঃপর তিনি আগমন করিলেন এবং যোহর ও আসর একত্রে পড়িলেন। আবার ভিতরে গেলেন, পুনরায় বাহির হইলেন, তারপর মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িলেন। অতঃপর বলিলেনঃ তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ তবুকের ঝর্ণার কাছে পৌছিয়া যাইবে। তোমরা দিনের প্রথমাংশেই সেইখানে পৌছিবে। যে অগ্রে সেই স্থানে পৌছে, আমি না আসা পর্যন্ত সেই ব্যক্তি যেন উহার সামান্যতম পানিও স্পর্শ না করে। অতঃপর আমরা সেখানে পৌছিলাম। কিন্তু আমাদের আগেভাগে সেখানে দুইজন লোক পৌছিয়া গিয়াছিল। আর ঝর্ণা হইতে অতি সামান্য পানি নির্গত হইতেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ তোমরা কি ইহার পানি হইতে কিছু স্পর্শ করিয়াছ? তাহারা উভয়ে হ্যাঁসূচক উত্তর দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাদিগকে অনেক তিরস্কার করিলেন এবং আল্লাহর যতটুকু ইচ্ছা ততটুকু তাহদের সম্পর্কে বলিলেন। তারপর তাহারা আঁজলা ভরিয়া অল্প অল্প করিয়া কিছু পানি কোন এক পাত্রে জমা করিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পানিতে তাহার উভয় হাত ও মুখমণ্ডল ধুইলেন এবং সেই পানি ঝর্ণায় নিক্ষেপ করিলেন যদ্দরুন ঝর্ণ হইতে ফল্গুধারার মত অনেক পানি উঠিতে লাগিল। লোকজন ঝর্ণা হইতে পানি পান করিয়া তৃষ্ণা নিবারণ করিলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে মুআয, সম্ভবত তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করিবে এবং তুমি এ ঝর্ণার পানি দ্বারা এই স্থানের অনেক বাগবাগিচায় পূর্ণভাবে পানি সেচ হইতে দেখিবে।
হাদিস 328 — Muwatta Malik 9:3
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا عَجِلَ بِهِ السَّيْرُ يَجْمَعُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যদি (কোন কারণবশত) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দ্রুত ভ্রমণ করিতে হইত, তবে তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন।
হাদিস 329 — Muwatta Malik 9:4
সহিহ
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا فِي غَيْرِ خَوْفٍ وَلاَ سَفَرٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, ভয়-ভীতিজনিত কোন কারণ ছাড়া এবং সফর ব্যতিরেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহর ও আসর একসঙ্গে এবং মাগরিব ও ইশা এক সঙ্গে পড়াইয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমার মতে ইহা বৃষ্টির জন্য ছিল।
হাদিস 330 — Muwatta Malik 9:5
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا جَمَعَ الأُمَرَاءُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فِي الْمَطَرِ جَمَعَ مَعَهُمْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আমীরগণ বর্ষণকালে মাগরিব ও ইশার নামাযকে একত্রে পড়িলে আবদুল্লাহু ইবন উমর (রাঃ) তাহাদের সঙ্গে (উক্ত দুই ওয়াক্তের) নামায একত্রে পড়িতেন।
হাদিস 331 — Muwatta Malik 9:6
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سَأَلَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ هَلْ يُجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ نَعَمْ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ أَلَمْ تَرَ إِلَى صَلاَةِ النَّاسِ بِعَرَفَةَ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سَأَلَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ هَلْ يُجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ نَعَمْ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ أَلَمْ تَرَ إِلَى صَلاَةِ النَّاسِ بِعَرَفَةَ
হাদিস 332 — Muwatta Malik 9:7
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ أَنْ يَسِيرَ يَوْمَهُ جَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَسِيرَ لَيْلَهُ جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. ইবন শিহাব (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ সফরে যোহর ও আসরকে পর্যায়ক্রমে একত্রে পড়া যায় কিনা? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, ইহাতে কোন দোষ নাই, আরাফাতে লোকজনের নামাযের প্রতি (যাহা এক সঙ্গে পড়া হয়) তুমি কি লক্ষ কর নাই? আলী ইবন হুসায়ন (রাঃ) বলতেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে সফরের ইচ্ছা করিলে যোহর ও আসর একযোগে পড়িতেন। আর রাত্রে সফরের ইচ্ছা করিলে মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন।
হাদিস 333 — Muwatta Malik 9:8
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ آلِ خَالِدِ بْنِ أَسِيدٍ أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّا نَجِدُ صَلاَةَ الْخَوْفِ وَصَلاَةَ الْحَضَرِ فِي الْقُرْآنِ وَلاَ نَجِدُ صَلاَةَ السَّفَرِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ يَا ابْنَ أَخِي إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ بَعَثَ إِلَيْنَا مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم وَلاَ نَعْلَمُ شَيْئًا فَإِنَّمَا نَفْعَلُ كَمَا رَأَيْنَاهُ يَفْعَلُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. খালিদ ইবন আসীদ (রহঃ)-এর বংশের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ হে আবূ আবদুর রহমান। আমরা সালাতুল খওফ (ভয়জনিত অবস্থায় নামায) ও সালাতুল হাযর (মুকীম অবস্থায় নামায)-এর উল্লেখ কুরআনে পাই, কিন্তু সালাতুস সফর (সফরের নামাযের কথা তো কুরআনে) পাই না? আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আমার ভাতিজা আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের নিকট যখন মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করিয়াছেন, তখন আমরা কিছু জানিতাম না, ফলে আমরা তাহাকে যেরূপ করিতে দেখিয়াছি সেরূপ করিয়া থাকি।
হাদিস 334 — Muwatta Malik 9:9
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. নবী করীম রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাকাআতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়।
হাদিস 335 — Muwatta Malik 9:10
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ لِسَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَا أَشَدَّ مَا رَأَيْتَ أَبَاكَ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ فِي السَّفَرِ فَقَالَ سَالِمٌ غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَنَحْنُ بِذَاتِ الْجَيْشِ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ بِالْعَقِيقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিলেনঃ আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামায সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে পড়িতে দেখিয়াছেন? তখন সালিম (রহঃ) বলিলেনঃ আমরা যখন যাতুল-জায়শ নামক স্থানে, তখন সূর্যস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামায আকীক নামক স্থানে গিয়া পড়িয়াছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।