Qurani·قرآني
বাংলা

তাহাজ্জুদ

33 হাদিস · #254–286

হাদিস 264 — Muwatta Malik 7:11
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، بَاتَ لَيْلَةً عِنْدَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - وَهِيَ خَالَتُهُ - قَالَ فَاضْطَجَعْتُ فِي عَرْضِ الْوِسَادَةِ وَاضْطَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَهْلُهُ فِي طُولِهَا فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى إِذَا انْتَصَفَ اللَّيْلُ - أَوْ قَبْلَهُ بِقَلِيلٍ أَوْ بَعْدَهُ بِقَلِيلٍ - اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَلَسَ يَمْسَحُ النَّوْمَ عَنْ وَجْهِهِ بِيَدِهِ ثُمَّ قَرَأَ الْعَشْرَ الآيَاتِ الْخَوَاتِمَ مِنْ سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ ثُمَّ قَامَ إِلَى شَنٍّ مُعَلَّقٍ فَتَوَضَّأَ مِنْهُ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي - قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ - فَقُمْتُ فَصَنَعْتُ مِثْلَ مَا صَنَعَ ثُمَّ ذَهَبْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى رَأْسِي وَأَخَذَ بِأُذُنِي الْيُمْنَى يَفْتِلُهَا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَوْتَرَ ثُمَّ اضْطَجَعَ حَتَّى أَتَاهُ الْمُؤَذِّنُ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الصُّبْحَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি তাঁহার খালা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ)-এর নিকট রাত্রি যাপন করিতেছিলেন। তিনি বলিয়াছেনঃ আমি বিছানার প্রস্থে শুইয়াছিলাম আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাহার পরিবার শুইয়াছিলেন বিছানার দৈর্ঘে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাইয়া পড়িলেন। তারপর অর্ধ রাত্রি অতিবাহিত হওয়ার কিছু পূর্বে অথবা পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত হইলেন এবং বসিলেন, তারপর চেহারা (মুবারক)-এ হাত সঞ্চালন করিয়া ঘুমের আমেজ দূর করিলেন। অতঃপর সূরা আল-ইমরানের শেষের দশটি আয়াত তিলাওয়াত করিলেন। পরে একটি ঝুলানো পুরাতন মশক বা পাত্রের দিকে দণ্ডায়মান হইলেন, সেখান থেকে পানি লইয়া ওযু করিলেন। এবং উত্তমরূপে ওযু করিলেন, অতঃপর নামায পড়িতে দাঁড়াইলেন। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ (ইহা দেখিয়া) আমিও দাঁড়াইলাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে মত ওযু করিয়াছিলেন সেই মত ওযু করিলাম। অতঃপর তাহার পার্শ্বে দাঁড়াইলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার ডান হাত আমার মাথার উপর রাখিলেন এবং আমার ডান কান ধরিয়া উহাকে মলিতে আরম্ভ করিলেন, অতঃপর তিনি দুই রাকাআত পড়িলেন, তারপর দুই রাকাআত, আবার দুই রাকাআত, আবার দুই রাকাআত, আবার দুই রাকাআত, আবার দুই রাকাআত পড়িলেন। তারপর বিতর পড়িয়া বিশ্রাম করিলেন মুয়াযযিন আসা পর্যন্ত। (মুয়াযযিন আযান দিলেন) তিনি সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত (নামায) পড়িলেন, তারপর বাহির হইয়া ফজরের নামায পড়িলেন।
হাদিস 265 — Muwatta Malik 7:12
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ لأَرْمُقَنَّ اللَّيْلَةَ صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَتَوَسَّدْتُ عَتَبَتَهُ - أَوْ فُسْطَاطَهُ - فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ أَوْتَرَ فَتِلْكَ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২. যায়দ ইবন খালিদ জুহানি (রাঃ) বলিয়াছেনঃ (একবার মনে মনে ইচ্ছা পোষণ করিলাম) অবশ্যই রাসূলুল্লাহ দুই রাকাআত এর নামায কিরূপ হয় অদ্য রাত্রে আমি তাহা অবলোকন করিব। (এই মনস্থ করিয়া) আমি তাহার দরজায় অথবা তাঁবুতে ঠেস দিয়া বসিয়া রহিলাম; অতঃপর রাসূলুল্লাহ দুই রাকাআত দাঁড়াইলেন, আর দীর্ঘ- অনেক দীর্ঘ দুই রাকাআত নামায পড়িলেন, তারপর পূর্বের দুই রাকাআতের তুলনায় সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত পড়িলেন। তারপর দুই রাকাআত পড়িলেন পূর্বের দুই রাকাআত হইতে সংক্ষিপ্ত, তারপর দুই রাকাআত পড়িলেন, এই দুই রাকাআত পূর্বের দুই রাকাআত অপেক্ষা সংক্ষিপ্ত। তারপর পূর্বের দুই রাকাআতের তুলনায় সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত পড়িলেন। সর্বশেষ বিতর পড়িলেন-এই হইল তের রাকাআত।
হাদিস 266 — Muwatta Malik 7:13
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَلاَةِ اللَّيْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صَلاَةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ صَلَّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামকে সালাতুল লায়ল (তাহাজ্জুদের নামায) সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ফরমাইলেনঃ সালাতুল-লায়ল' দুই-দুই রাকাআত। অতঃপর যদি প্রভাত হওয়ার আশংকা হয় তবে এক রাকাআত পড়িবে, ইহা আদায়কৃত নামাযগুলিকে তাহার জন্য বিতর-এ (বিজোড়) পরিণত করবে।
হাদিস 267 — Muwatta Malik 7:14
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ بَنِي كِنَانَةَ يُدْعَى الْمُخْدَجِيَّ سَمِعَ رَجُلاً، بِالشَّامِ يُكَنَّى أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ إِنَّ الْوِتْرَ وَاجِبٌ ‏.‏ فَقَالَ الْمُخْدَجِيُّ فَرُحْتُ إِلَى عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ فَاعْتَرَضْتُ لَهُ وَهُوَ رَائِحٌ إِلَى الْمَسْجِدِ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ فَقَالَ عُبَادَةُ كَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى الْعِبَادِ فَمَنْ جَاءَ بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْهُنَّ شَيْئًا اسْتِخْفَافًا بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ فَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ وَإِنْ شَاءَ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ ইবন মুহায়রীয (রহঃ) হইতে বর্ণিত, কেনানা গোত্রের এক ব্যক্তি, যাহাকে মুখদাজী বলা হইত, তিনি শাম দেশের এক ব্যক্তিকে (যাহার উপনাম আবু মুহাম্মদ) বলিতে শুনিয়াছেন যে, বিতর-এর নামায ওয়াজিব। মুখদাজী বলিলেনঃ আমি উবাদা ইবন সামিত (রাঃ)-এর নিকট গেলাম, তিনি তখন মসজিদে গমন করিতেছিলেন। আমি তাহার পথ আটকাইয়া দাঁড়াইলাম। অতঃপর আবু মুহাম্মদ যাহা বলিয়াছেন তাহাকে উহার খবর দিলাম। উবাদা (রাঃ) বলিলেনঃ আবু মুহাম্মদ অসত্য বলিয়াছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছিঃ আল্লাহ তা'আলা বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করিয়াছেন। যে ব্যক্তি উহা আদায় করিবে এবং তুচ্ছ ধারণা করিয়া উহার কোন প্রকার হক নষ্ট করিবে না, তাহার জন্য আল্লাহর নিকট এই প্রতিজ্ঞা রহিল যে, তিনি তাহাকে বেহেশতে প্রবেশ করাইবেন। আর যে উহা আদায় করিবে না, তাহার প্রতি আল্লাহর কোন অঙ্গীকার থাকিবে না। তিনি ইচ্ছা করিলে তাহাকে শাস্তি দিবেন এবং ইচ্ছা করিলে তাহাকে জান্নাতেও দাখিল করিতে পারেন।
হাদিস 268 — Muwatta Malik 7:15
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ كُنْتُ أَسِيرُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بِطَرِيقِ مَكَّةَ - قَالَ سَعِيدٌ - فَلَمَّا خَشِيتُ الصُّبْحَ نَزَلْتُ فَأَوْتَرْتُ ثُمَّ أَدْرَكْتُهُ فَقَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَيْنَ كُنْتَ فَقُلْتُ لَهُ خَشِيتُ الصُّبْحَ فَنَزَلْتُ فَأَوْتَرْتُ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَلَيْسَ لَكَ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ ‏.‏ فَقُلْتُ بَلَى وَاللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ عَلَى الْبَعِيرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. সাঈদ ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে মক্কার পথে ভ্রমণ করিতেছিলাম। সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করিলেনঃ যখন প্রভাত হওয়ার আশংকা করিলাম, তখন বিতর পড়িলাম এবং (তাড়াতাড়ি) আসিয়া তাহার সাথে একত্র হইলাম। আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করিলেনঃ তুমি (এতক্ষণ) কোথায় ছিলে ? আমি (উত্তরে) তাহাকে বলিলামঃ ভোর হইতেছে আশংকা করিয়া নিচে নামিয়া বিতর পড়িয়ছি। ইহা (শুনিয়া) আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বললেনঃ তোমার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (কাজের মধ্যে) আদর্শ নাই কি ? আমি বলিলামঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ আছে। তিনি বলিলেনঃ (মনে রাখ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের উপর বিতর পড়িতেন।
হাদিস 269 — Muwatta Malik 7:16
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ، فِرَاشَهُ أَوْتَرَ وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يُوتِرُ آخِرَ اللَّيْلِ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فَأَمَّا أَنَا فَإِذَا جِئْتُ فِرَاشِي أَوْتَرْتُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন- আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করিলে বিতর পড়িয়া লইতেন। আর উমর (রাঃ) শেষ রাত্রে বিতর পড়িতেন। সাঈদ ইবন মুসায়্যাব বলেন, (আমার অভ্যাস হইল এই) আমি যখন শয্যা গ্রহণ করিতে আসি তখন বিতর পড়িয়া লই।
হাদিস 270 — Muwatta Malik 7:17
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ عَنِ الْوِتْرِ أَوَاجِبٌ هُوَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَدْ أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ ‏.‏ فَجَعَلَ الرَّجُلُ يُرَدِّدُ عَلَيْهِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَقُولُ أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট বর্ণনা পৌঁছিয়াছে যে, এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-কে বিতর (নামায) ওয়াজিব কিনা জিজ্ঞাসা করিলেন। (উত্তরে) তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর পড়িয়াছেন এবং মুসলিমগণও বিতর পড়িয়াছেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ (প্রশ্নকারী) সেই ব্যক্তিটি বারবার তাহাকে জিজ্ঞাসা করিতেছিলেনঃ বিতর ওয়াজিব কি না? (উত্তরে) আবদুল্লাহ (রাঃ) বারবার ইহাই বলিয়াছেন।
হাদিস 271 — Muwatta Malik 7:18
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ تَقُولُ مَنْ خَشِيَ أَنْ يَنَامَ حَتَّى يُصْبِحَ فَلْيُوتِرْ قَبْلَ أَنْ يَنَامَ وَمَنْ رَجَا أَنْ يَسْتَيْقِظَ آخِرَ اللَّيْلِ فَلْيُؤَخِّرْ وِتْرَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত- তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যাহার এই আশংকা থাকে যে, সে ভোর হওয়া পর্যন্ত ঘুমাইবে, তবে সে ঘুমের পূর্বেই বিতর পড়িয়া লইবে। আর যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে জাগিবার ভরসা রাখে সে বিতর পরে (শেষ রাত্রে) পড়িবে।
হাদিস 272 — Muwatta Malik 7:19
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بِمَكَّةَ وَالسَّمَاءُ مُغِيمَةٌ فَخَشِيَ عَبْدُ اللَّهِ الصُّبْحَ فَأَوْتَرَ بِوَاحِدَةٍ ثُمَّ انْكَشَفَ الْغَيْمُ فَرَأَى أَنَّ عَلَيْهِ لَيْلاً فَشَفَعَ بِوَاحِدَةٍ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فَلَمَّا خَشِيَ الصُّبْحَ أَوْتَرَ بِوَاحِدَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নাফি (রহঃ) বলিয়াছেনঃ তিনি মক্কার পথে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন। তখন আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। তাই আবদুল্লাহ (ইবন উমর) (রাঃ) ভোর হওয়ার আশংকা করিলেন এবং এক রাকাআত বিতর পড়িয়া লইলেন। অতঃপর মেঘ দূরীভূত হইলে তিনি দেখিলেন এখনও রাত্রি কিছু অবশিষ্ট আছে। তখন তিনি আর এক রাকাআত দ্বারা জোড় (নামায) করিয়া নিলেন। অতঃপর দুই-দুই রাকাআত করিয়া আরও নামায পড়িলেন। যখন প্রভাত নিকটবর্তী মনে করিলেন তখন এক রাকাআত বিতর পড়িয়া লইলেন।
হাদিস 273 — Muwatta Malik 7:20
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُسَلِّمُ بَيْنَ الرَّكْعَتَيْنِ وَالرَّكْعَةِ فِي الْوِتْرِ حَتَّى يَأْمُرَ بِبَعْضِ حَاجَتِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বিতর-এর এক রাকাআত এবং তৎপূর্বের দুই রাকাআতের মাঝখানে সালাম ফিরাইতেন। এমন কি তাহার প্রয়োজনীয় বিষয়ে নির্দেশও প্রদান করিতেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।