Qurani·قرآني
বাংলা

তাহাজ্জুদ

33 হাদিস · #254–286

হাদিস 274 — Muwatta Malik 7:21
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ، كَانَ يُوتِرُ بَعْدَ الْعَتَمَةِ بِوَاحِدَةٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلَيْسَ عَلَى هَذَا الْعَمَلُ عِنْدَنَا وَلَكِنْ أَدْنَى الْوِتْرِ ثَلاَثٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাদ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) ইশার পর এক রাকাআত বিতর পড়িতেন। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহার (এক রাকাআত বিতরের) উপর আমাদের আমল নাই। বরং সর্বনিম্ন বিতর-এর সংখ্যা তিন রাকাআত।
হাদিস 275 — Muwatta Malik 7:22
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ صَلاَةُالمغرب وتر صلاة النهار ‏.‏ قال مالك من أوتر أول الليل ثم نام ثم قام فبدا له أن يصلي فليصل مثنى مثنى فهو أحب ما سمعت إلى ‏
রেওয়ায়ত ২২. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, মাগরিবের নামায হইল দিনের বিতর। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রির প্রথমভাগে বিতর পড়িয়া ঘুমাইয়াছেন, অতঃপর জাগিয়াছেন, তখন তাহার নামায পড়িবার ইচ্ছা হইল। তবে তিনি দুই দুই রাকাআত করিয়া পড়িবেন। আমি (এই নামায সম্বন্ধে) যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার পছন্দনীয়।
হাদিস 276 — Muwatta Malik 7:23
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ الْبَصْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، رَقَدَ ثُمَّ اسْتَيْقَظَ فَقَالَ لِخَادِمِهِ انْظُرْ مَا صَنَعَ النَّاسُ ‏.‏ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ قَدْ ذَهَبَ بَصَرُهُ ‏.‏ فَذَهَبَ الْخَادِمُ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ قَدِ انْصَرَفَ النَّاسُ مِنَ الصُّبْحِ ‏.‏ فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ فَأَوْتَرَ ثُمَّ صَلَّى الصُّبْحَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৩. সাঈদ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) এক রাত্র ঘুমাইলেন। জাগ্রত হওয়ার পর খাদিমকে বলিলেনঃ দেখিয়া আস লোকজন কি করিয়াছে। সেই সময় তাহার দৃষ্টিশক্তি চলিয়া গিয়াছিল। খাদিম গেল এবং প্রত্যাবর্তন করিয়া বলিলঃ লোকজন ফজরের নামায হইতে প্রত্যাবর্তন করিয়াছে। তারপর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) দাঁড়াইয়া বিতর পড়িলেন, তারপর ফজর-এর নামায পড়িলেন।
হাদিস 277 — Muwatta Malik 7:24
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، وَعُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ، وَالْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، قَدْ أَوْتَرُوا بَعْدَ الْفَجْرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৪. মালিক (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস, উবাদা ইবন সামিত (রাঃ), কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবন আমির ইবন রাবীআ (রহঃ) (তাহারা প্রত্যেকেই) ভোর হওয়ার পর বিতর পড়িয়াছেন।
হাদিস 278 — Muwatta Malik 7:25
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، قَالَ مَا أُبَالِي لَوْ أُقِيمَتْ صَلاَةُ الصُّبْحِ وَأَنَا أُوتِرُ، ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৫. আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যদি ফজরের নামায আরম্ভ হইয়া যায় এবং আমি তখন বিতর পড়িতেছি, ইহাতে আমি উৎকণ্ঠা বোধ করি না।
হাদিস 279 — Muwatta Malik 7:26
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ يَؤُمُّ قَوْمًا فَخَرَجَ يَوْمًا إِلَى الصُّبْحِ فَأَقَامَ الْمُؤَذِّنُ صَلاَةَ الصُّبْحِ فَأَسْكَتَهُ عُبَادَةُ حَتَّى أَوْتَرَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمُ الصُّبْحَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৬. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উবাদা ইবন সামিত (রহঃ) এক সম্প্রদায়ের ইমামতি করিতেন। একদিন ফজর পড়িতে গমন করিলেন, তখন মুয়াযযিন ফজরের নামায-এর ইকামত বলিতে লাগিলেন, উবাদা তাহাকে বিরত করিলেন, অতঃপর (প্রথমে) বিতর পড়িলেন। (তারপর) তাহাদের ফজরের নামায পড়াইলেন।
হাদিস 280 — Muwatta Malik 7:27
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، يَقُولُ إِنِّي لأُوتِرُ وَأَنَا أَسْمَعُ الإِقَامَةَ، أَوْ بَعْدَ الْفَجْرِ ‏.‏ يَشُكُّ عَبْدُ الرَّحْمَنِ أَىَّ ذَلِكَ قَالَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ) আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ্ ইবন আমীর ইবন রবী'আ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, (অনেক সময় এমনও হয়) আমি বিতর পড়ি, এমতাবস্থায় আমি ইকামত শুনিতে পাইতেছি অথবা (তিনি বলিয়াছেন) ফজরের পর। আবদুর রহমান (রহঃ) কোনটি বলিয়াছেন সেই বিষয়ে রবী'আ (রহঃ) দ্বিধা প্রকাশ করিয়াছেন।
হাদিস 281 — Muwatta Malik 7:28
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ إِنِّي لأُوتِرُ بَعْدَ الْفَجْرِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا يُوتِرُ بَعْدَ الْفَجْرِ مَنْ نَامَ عَنِ الْوِتْرِ وَلاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَتَعَمَّدَ ذَلِكَ حَتَّى يَضَعَ وِتْرَهُ بَعْدَ الْفَجْرِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৮. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমি ফজরের পর বিতর পড়ি। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বিতর পড়িতে পারে নাই, সে-ই ফজরের পর বিতর পড়িতে পারে। ইচ্ছাপূর্বক কাহারও পক্ষে এরূপ করা ঠিক নহে যে, সে বিতরের নামায রাখিয়া দিবে এবং ফজরের পরে পড়িবে।
হাদিস 282 — Muwatta Malik 7:29
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ حَفْصَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ عَنِ الأَذَانِ لِصَلاَةِ الصُّبْحِ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ تُقَامَ الصَّلاَةُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাফসা (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করিয়াছেন যে, যখন মুয়াযযিন ফজরের নামাযের জন্য আযান দিয়া নীরব হইতেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত নামায পড়িতেন। আর ইহা হইত ফজরের নামায আরম্ভ হইবার পূর্বে।
হাদিস 283 — Muwatta Malik 7:30
সহিহ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُخَفِّفُ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ أَقَرَأَ بِأُمِّ الْقُرْآنِ أَمْ لاَ
রেওয়ায়ত ৩০. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নত) খুবই সংক্ষিপ্তভাবে আদায় করিতেন, এমন কি আমি (মনে মনে) বলিতাম, তিনি সূরা ফাতিহা পড়িয়াছেন, না পড়েন নাই।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।