রেওয়ায়ত ২১. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাদ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) ইশার পর এক রাকাআত বিতর পড়িতেন। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহার (এক রাকাআত বিতরের) উপর আমাদের আমল নাই। বরং সর্বনিম্ন বিতর-এর সংখ্যা তিন রাকাআত।
হাদিস 275 — Muwatta Malik 7:22
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ صَلاَةُالمغرب وتر صلاة النهار . قال مالك من أوتر أول الليل ثم نام ثم قام فبدا له أن يصلي فليصل مثنى مثنى فهو أحب ما سمعت إلى
রেওয়ায়ত ২২. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, মাগরিবের নামায হইল দিনের বিতর। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রির প্রথমভাগে বিতর পড়িয়া ঘুমাইয়াছেন, অতঃপর জাগিয়াছেন, তখন তাহার নামায পড়িবার ইচ্ছা হইল। তবে তিনি দুই দুই রাকাআত করিয়া পড়িবেন। আমি (এই নামায সম্বন্ধে) যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার পছন্দনীয়।
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ) আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ্ ইবন আমীর ইবন রবী'আ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, (অনেক সময় এমনও হয়) আমি বিতর পড়ি, এমতাবস্থায় আমি ইকামত শুনিতে পাইতেছি অথবা (তিনি বলিয়াছেন) ফজরের পর। আবদুর রহমান (রহঃ) কোনটি বলিয়াছেন সেই বিষয়ে রবী'আ (রহঃ) দ্বিধা প্রকাশ করিয়াছেন।
রেওয়ায়ত ২৮. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমি ফজরের পর বিতর পড়ি। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বিতর পড়িতে পারে নাই, সে-ই ফজরের পর বিতর পড়িতে পারে। ইচ্ছাপূর্বক কাহারও পক্ষে এরূপ করা ঠিক নহে যে, সে বিতরের নামায রাখিয়া দিবে এবং ফজরের পরে পড়িবে।
হাদিস 282 — Muwatta Malik 7:29
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ حَفْصَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ عَنِ الأَذَانِ لِصَلاَةِ الصُّبْحِ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ تُقَامَ الصَّلاَةُ .
রেওয়ায়ত ২৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাফসা (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করিয়াছেন যে, যখন মুয়াযযিন ফজরের নামাযের জন্য আযান দিয়া নীরব হইতেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত নামায পড়িতেন। আর ইহা হইত ফজরের নামায আরম্ভ হইবার পূর্বে।
হাদিস 283 — Muwatta Malik 7:30
সহিহ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُخَفِّفُ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ أَقَرَأَ بِأُمِّ الْقُرْآنِ أَمْ لاَ
রেওয়ায়ত ৩০. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নত) খুবই সংক্ষিপ্তভাবে আদায় করিতেন, এমন কি আমি (মনে মনে) বলিতাম, তিনি সূরা ফাতিহা পড়িয়াছেন, না পড়েন নাই।