মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সম্প্রদায়ের মাঝে দাঁড়িয়ে তাদের মদপান করাচ্ছিলাম। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু উলাইয়্যার মতো বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেন, তারপর আবূ বাকর ইবনু আনাস বললেন, সেকালে ওটাই ছিল তাদের মদ। আনাস (রাযিঃ) তথায় উপস্থিত ছিলেন, তিনি এ কথা অস্বীকার করেননি। ইবনু আবদুল আ'লা মু'তামির এর সূত্রে তার বাবা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যারা তার সাথে ছিল তাদের একজন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, "তৎকালীন সময়ে সেটাই ছিল তাদের মদ।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ তালহাহ, আবূ দুজানাহ ও মু'আয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) কে আনসারীদের একদল মানুষের মাঝে মদপান করাচ্ছিলাম। তখন এক লোক আমাদের নিকট এসে বলল, একটি নতুন ব্যাপার ঘটেছে, মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতঃপর আমরা তখন পাত্রগুলো উপুড় করে ঢেলে দিয়েছিলাম। সে মদ ছিল কাঁচা-পাকা মিশ্ৰিত খেজুরের বানানো। কাতাদাহ্ বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেছেন, মদকে হারাম করা হয়েছে। সেকালে তাদের সাধারণ মদ ছিল কাঁচা-পাকায় সংমিশ্রিত খেজুরের তৈরি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭১, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবূ গাসসান আল-মিসমাঈ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন একটি মদপাত্র হতে আবূ তালহাহ, আবূ দুজানাহ ও সুহায়ল ইবনু বাইযা (রাযিঃ) কে মদপান করাচ্ছিলাম যার মধ্যে কাঁচা-পাকা খেজুরের মদ ছিল। অতঃপর বর্ণনাকারী সাঈদ (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা-পাকা খেজুর দিয়ে মদ তৈরি করা এবং তা পান করা থেকে বারণ করেছেন। সেদিন তাই ছিল তাদের সাধারণ নেশাজাতীয় দ্রব্য যেদিন মদ হারাম করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ উবাইদাহ্ ইবনু জাররাহ, আবূ তালহাহ উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) কে মদপান করাচ্ছিলাম, যা কাঁচা ও শুকনো খেজুর দিয়ে তৈরি ছিল। অতঃপর জনৈক আগত ব্যক্তি এসে বলল, মদ তো হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আনাস! তুমি সে কলসটির কাছে গিয়ে তা ভেঙ্গে ফেল। আমি আমাদের মিহ্রাসটির (ছিদ্রযুক্ত পাথর) নিকট গেলাম এবং কলসের নিম্নাংশে আঘাত করলাম। যার দরুন সেটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জা'ফার (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ তা'আলা যে আয়াতে মদ নিষিদ্ধ করেছেন, সেটি এমন সময় তৈরি করেছেন, যখন মাদীনায় শুধুমাত্র খেজুরের তৈরি মদপান করা হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ‘আবদুর রহমান ইবনু মাহদী ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মদ দিয়ে সিরকা তৈরি করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ওয়ায়িল আল-হাযরামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তারিক ইবনু সুওয়াইদ জুকী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মদ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। তিনি তাকে বারণ করলেন, কিংবা মদ প্রস্তুত করাকে খুব জঘন্য মনে করলেন। তিনি [তারিক (রাযিঃ)] বললেন, আমি তো শুধু ঔষধ তৈরি করার জন্য মদ প্রস্তুত করি। তিনি বললেনঃ এটি তো (ব্যাধি নিরামক) ঔষধ নয়, বরং এটি নিজেই ব্যাধি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মদ তৈরি হয় দুটি গাছ (এর ফল) হতে, তা হলো- খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5143 — Sahih Muslim 36:17
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو كَثِيرٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْخَمْرُ مِنْ هَاتَيْنِ الشَّجَرَتَيْنِ النَّخْلَةِ وَالْعِنَبَةِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, মদ তৈরি হয় ঐ দুটি গাছ (এর ফল) থেকে, তা হলো খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৭৯, ইসলামিক সেন্টার)