وَحَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) এর সূত্রে এবং ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে ইবনু উমার (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ যখন সাজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সাজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দূরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! আমার দুর্ভাগ্য! ইবনু কুরায়বের বর্ণনায় রয়েছে, হায়রে, আমার দুর্ভাগ্য! নবী আদম সাজদার জন্য আদিষ্ট হলো। তারপর সে সিজদা করলো এবং এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হলো। আর আমাকে সাজদার জন্য আদেশ করা হলো, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ)-এর সূত্রে এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে "আমি অমান্য করলাম ফলে আমার জন্য নির্ধারিত হলো জাহান্নাম"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী এবং উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ... জাবির (রাযিঃ) বলেন যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য সালাত পরিত্যাগ করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মানসূর ইবনু আবী মুবাহিম এবং মুহাম্মাদ ইবনু জাফার ইবনু যিয়াদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে প্রশ্ন করা হলো, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, মহিমান্বিত আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা। আবার জিজ্ঞেস করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। প্রশ্ন করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, যে হজ্জ কবুল হয়। মুহাম্মাদ ইবনু জাফরের রিওয়ায়াতে আছে। তিনি বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ঈমান আনা। মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী সূত্রেও এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ রাবী' আয যাহরানী এবং খালাফ ইবনু হিশাম (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সর্বোত্তম 'আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। আমি আবার প্রশ্ন করলামঃ কোন ধরনের গোলাম আযাদ করা উত্তম? তিনি বললেন, সে গোলাম আযাদ করা উত্তম যে মুনিবের কাছে অধিক প্রিয় এবং অধিক মূল্যবান। আমি আরজ করলাম, আমি যদি তা করতে না পারি। তিনি বললেন, তাহলে অন্যের কর্মে সাহায্য করবে অথবা কর্মহীনের কাজ করে দিবে। আমি আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি এমন কোন কাজ করতে অক্ষম হই? তিনি বললেন, তোমার মন্দ আচরণ থেকে লোকেদের মুক্ত রাখবে। এ হলো তোমার পক্ষ থেকে তোমার প্রতি সাদাকাহ।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি এবং "আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আবূ যার (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনায় একটু শাব্দিক পার্থক্য রয়েছে, অর্থ একই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে প্রশ্ন করলাম, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, সময় মত সালাত আদায় করা।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। তার কষ্ট হবে এ ভেবে অতিরিক্ত প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)